ক্যাটেগরিঃ শিল্প-সংস্কৃতি

 

বিদায় ১৪১৭। স্বাগতম ১৪১৮ । তাই বাংলা নববর্ষের সবাইকে শুভেচ্চা। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ মাচ বা ১১ মাচ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্বতি কাযকর করা হয় আকবরের হিংহাসন আরোহনের সময় ১৫৫৬ সাল থেকে । প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন , পরে বঙ্গান্দ বা বাংলা বষ নামে পরিচিত হয়। আর বাংলা সালটি বিনিমাণ করের আকবরের নিদেশে বাংলার বিথ্যাত জ্যেতিবিঞ্জানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজি ।

শুভ নববর্ষ মানেই দোকানে দোকানে নতুন হালখাতা। নতুন কাপড় কেনা । ইলিশ পান্তা খাওয়া। সারাদিন ঘুরে বেড়ানে ,গ্রামে গ্রামে মেলা, জারি সারি বাংলা গান গাওয়া। আরা নববর্ষ মানেই বৈশাখের প্রথমদিন পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ একটি সাবজনীয় উঙসবে পরিনিত হয়েছে। ঐদিন হিন্দু মুসলিম সবাই মিলে আনন্দে মেতে ওঠে।

নববর্ষ অন্য কথা:
আমরা বাংলা নববর্ষ এলে একদিন এর জন্য বাঙ্গালী হয়ে ওঠে । বাঙ্গালী সাজতে অনেক তরুন তরুনীকে দেখা যায় বিভিন্ন পোশাকে। তাই মাজিত রুচিশীল পোশাক পড়া সবার উচিত যাতে আমরা সঠিক বাঙ্গলী হয়ে ওঠতে পারি।

নববর্ষ কান্না:
রমনা বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল এ ঘটনায় ১০ জন নিহত হন। আহত হন আরো অনেকে। এর বিচার এখনে হয়নি। আমি চায় সঠিক বিচার হোক।

নববর্ষের আশা:
নতুব বছরের কাছে অনেক চাওয়া যাতে ১৪১৭ সালটির মত না হয় ১৪১৮ সাল । ১৪১৭ সালটি ছিল বাংলাদেশের জন্য শেয়ার কেংলেকারির বছর । নোভেল পাওয়া ব্যাক্তিকে নিয়ে টানাটানি বছর । চড়া মূল্য চাল কেনার বছর। মেয়েদেরকে ইভটিজিং করার বছর। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে কোয়াটার ফাইনালে না খেলার বছর। রাবের হাতে আহত লিমনের পরীক্ষা না দিতে পারা কষ্টের বছর। এছাড়াও রাজনীতিতে অনেক উথান পতনের বছর। যাইহোক আর চায় না এসব নতুন বছরে আবার হোক । নতুন বছর হোক সন্দুর একটি সকাল। যোখানে থাকবে না হিংসা বিদ্বেশ রাগ রাজনীতিতে হানাহানি । আসুন এই প্রত্যাশা করে নতুন বছর কে বরণ করে নেই আমরা।