ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

পৃথিবীটা প্রায় গোলাকার । আর তাই ঘুরতে ঘুরতে একসময় স্থান কাল পাত্র তার নিজের কাছে ফিরে আসে। এবং শেষ হয়ে যায় তার অস্তিত। তেমনি কি তত্ত্বাবধায়ক শেষ হয়ে যাবে না ! একটি জিনিস যে তৈরি বা আবিস্কার করে সে সেই জিনিসকে নষ্ট করতে পারে সাধারনত। কিন্ত সেই জিনিস টি যদি তার না থেকে সবার হয়ে যায় তাহলে সেই জিনিস ইচ্ছা করলো ধংস করা যায় না।

তত্ত্বাবধায়ক এর আবিস্কারের দাবিদার আওয়ামীলীগ তথা শেখ হাসিনা। কারন শেখ হাসিনা ৯৪ সালের ২৭ জুন সম্মিলিত বিরোধী দলের পক্ষে ( এখানে বলে রাখা ভাল এই সম্মিলিত বিরোধী দলের মধে জাতীয় পাটি ও জামায়াত ছিল আওয়ামীলীগের সাথে আর তখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি সরকার) সাংবাদিক সম্মেলন করে তত্ত্বাবধায়ক রূপরেখা ঘোষনা করেন। এবং তখন শেখ হাসিনা বলেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া আমরা কোন নিবার্চন অংশ গ্রহন করব না।

২০১১ এ আদালত বলল তত্ত্বাবধায়ক অবৈধ শেখ হাসিনা বলেন আর তত্ত্বাবধায়ক রাখার কোন সুযোগ নেই আমার কথা হলো কেন শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক রাখার পক্ষে না। শেখ হাসিনা কি সামনে চোখে পরাজয় দেখছেন ! নাকি অন্য কিছু। আর আদালত কেন এই সব মীমাংসিত জিনিস নিয়ে রায় প্রদান করে দেশে হানাহানির সৃষ্টির সুযোগ করে দিচ্ছে। তত্ত্বাবধায়কের লাভ তো শেখ হাসিনা পেয়েছেন খালেদা জিয়া পেয়েছেন। খালেদা জিয়া আজ এর জন্য হরতাল দিয়েছেন অথচ সে একদিন এর এই তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে ছিলেন। এখন সময়ের সাথে সাথে তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে হয়ে গেলেন খালেদা জিয়া। সবাই নিজের সাথ কে বড় করে দেখে এভাবে দেশ চলবে কিভাবে। জনগন যাবে কোথায় হরতালে মানুষের অনেক কষ্ট হয় ।

দেশের অনেক গুনীজন আজ বলছেন দেশে যদি তত্ত্বাবধায়ক না থাকে তাহলে হানাহানি মধে পড়বে দেশ। আমরা জনগন আমরা আর দেখতে চাই না লগি-বৈঠা, গজারী লাঠি এবং নারাওয়ে তাকবীর । আমরা চাই শান্তি এবং শান্তি।