ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলা সদরসহ ,উপজেলা দুইটি গাংনী ও মুজিবনগরে ৪ শতাধিক ল্যাথারসিজম রোগী মানবেতর জীবন যাপন করছে । তাদের দেখার কেউ নেই। এরা পঙ্গু জীবন নিয়ে সমাজের গলগ্রহ বোঝা হয়ে আছে। এদের অধিকাংশই ভিক্ষা বৃত্তি করে পরিবার পরিজনের ভরন পোষন করে থাকে।

১৯৭৬ সালে হঠাৎ করে এ জেলার নিম্নবিত্ত ও অসহায় পরিবারে মানুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে এ রোগে আক্রান্ত হয়। এলাকাভিত্তিক এ রোগের প্রার্দুভাব দেখা যায। পরে এ রোগকে সনাক্ত করণ পর্যায়ে ল্যাথারসিজম রোগ বলে চিহ্নিত করা হয়। এক জরিপে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ খেসারি ও নিম্নমানের মটর জাতীয় ডাল খেয়ে মানব শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও বিষক্রিয়ায় ল্যাথারসিজম জন্ম হয়েছে। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসাব মতে জেলায় ৪ শতাধিক মানুষ ল্যাথারসিজম আক্রান্ত হয়েছে । আরো জানা গেছে গাংনী উপজেলায় করদী গ্রামের একই পরিবারের ৫ ভাই বোন আক্রান্ত হয়েছে। এরা ভিক্ষা করছে । এদের আত্মকর্ম সংস্থানের পথ দেখিয়ে সমাজ তথা দেশের উন্নয়নে শরীক করা যেতে পারে।