ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

কাকলী থেকে বাসায় ফিরছি , দেখলাম রাস্তায় কোন গাড়ি নেই তাই বাসার উদ্দেশ্যে হাটতে শুরু করলাম । কিছুদূর আসার পর পূলিশের কিছু মুখ্য লোক আমাকে আটকিয়ে জানতে চাইল কোথায় যাব ? আমি বললাম বাসায় । আবার বলল হেটে কেন যাচ্ছি? বললাম গাড়ির জন্য ৪৫ মিনিট দাড়িয়ে গাড়ি পাইনি তাই।

এর পর আমার ব্যাগ চেক করল । কারার পর আমার ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বাহির করে বলল , এইটা কি? আমি বললাম ক্যামেরা। আমাকে ঐ বোকা পুলিশ বলল লাইসেন্স আছে ক্যামেরার? আমি অবাক হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলাম ক্যামেরা লাইসেন্স লাগে? কোথা হতে করতে হয়?

ও আমার কথায় রাগ করে আমাকে সাথে সাথে ওদের জিপে উঠতে বলল । কি আর করা , উঠতে বাধ্য হলাম । উঠে দেখি আমার মত আরো ৪-৫ জন হতভাগা বসে আছে গাড়িতে , সবাই আমার মোটামুটি সাধারন মানুষ যারা আমার মত পুলিশের ধরপাকড়ের শিকার । সবার সাথে ২ মিনিট কুশল বিনিময় করে আবার গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সেই বোকা সার্জেন্ট এর কাছে আবার গিয়ে জানতে চাইলাম , আমার আপরাধ টা কি? আমাকে খুব খারাপ ভাষায় একটা গালি দিল । আমি তখনো নিজেকে অনেক শান্ত রেখে পকেট থেকে আইডি কার্ড বের করে বললাম , আমি ভাই পড়ালেখা করি সাথে সাংবাদিকতা ।

সার্জেন্ট মহোদয় ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে আমাকে সরি সরি সুরে কথা বলতে শুরু করল , সাথে আমাকে একটি সিএনজি ঢেকে দিল নিজ থেকে । আমি বললাম আমি তো সিএনজি তে যাব না , উত্তরে সে বলল টাকা নিবে না সিএনজি । বুঝলাম পুলিশ কত হারামি ঐ সিএনজি আমাকে বাসায় দিয়ে যাবে বিনিময় ও কোন টাকা পাবে না । যাই হোক পরে সিএনজিতে আর উঠলাম না । বাকি ৪-৫ টা লোক আমার জন্য কোন মতে রক্ষা পেল পুলিশি ঝামেলা খেকে । এক বৃদ্ধ চাচাতো আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরল । অনেক ভাল লাগছিল নিজের কাছে। কিন্তু আফসোস শুধু পুলিশের বোকা বোকা ব্যবহার এর জন্য।