ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বরগুনার পাথরঘাটা কলেজের পুকুর থেকে গত ১০ আগস্ট পরিচয় না জানা এক তরুণীর গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের হতে শুরু করেছে। ১১ নভেম্বর রাতে ছাত্রলীগের মাহমুদ ও রায়হানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহমুদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে সেইসাথে নিজেকে জড়িয়ে ৫ জনের নাম বলেছে। কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি দানিয়েল ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম গ্রেফতার হয়েছে। নৈশপ্রহরী জাহাঙ্গীর প্রথমেই গ্রেফতার।

নিহত তরুণীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তরুণীর পরিচয় পাওয়া যাবে বলে মনে করছে পুলিশ।এক্ষেত্রে আমরা সুষ্ঠু তদন্তের ঘাটতি দেখতে চাই না। অপরাধীরা যেই হোক,তাদেরকে কেউ রক্ষা করতে এগিয়ে এলে পুলিশ যেন অসহায় বোধ না করে এমনটাই আমরা আশা করব।

এদিকে কিছু স্কুল শিক্ষক,গৃহ শিক্ষকও এই ধর্ষণকান্ড থেকে পিছিয়ে নেই।চুয়াডাঙ্গা জেলায় এক প্রাইভেট শিক্ষক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে,এতে অন্তঃসত্ত্বা হয় ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। এমন খবরগুলো নাগরিকদের অজানা না। প্রেমের ফাঁদে জড়িয়ে দুর্বৃত্তরা এমন অনেক শিশু, কিশোরী,তরুণীকে ধর্ষণ করে তাঁদের মর্যাদা নিয়ে খেলা করে। রাষ্ট্র অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছে এবং বিচারও করছে তবে এখনো সব ধর্ষকদের আইনের আওতায় আনতে পারেনি।কেন দেরি হয় আমরা জানি না।কল্যাণ রাষ্ট্র এসকল অপরাধীদের বিচার করবে আমরা তা বিশ্বাস করতে চাই।

আমরা বাংলাদেশকে ধর্ষকদের বাংলাদেশ হতে দিতে পারি না।