জাতিসংঘের ঘোষনা করা শতাধিক দিবসের মধ্যে রয়েছে পানি দিবসও। জাতিসংঘ এ বছর পানি দিবসের প্রতিপাদ্যে বলেছে- ‘লিভিং নো ওয়ান বিহাইন্ড’ অর্থাৎ কাউকে পেছনে ফেলে নয়। বলা হয়েছে, আপনি যেই হন, যেখানেই থাকুন, পানি আপনার মানবাধিকার।
পানি নিয়ে যুদ্ধ বিশ্বজুড়েই চলছে। সুপেয় পানির অভাব। নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা নেই। এক কলস পানির জন্য নারীকে দীর্ঘ পথ হেঁটে পানি নিয়ে ঘরে ফিরতে হয়। কৃষি, খাদ্য,কলকারখানাসহ জনস্বাস্থ্য ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে পানি ছাড়া সবই অচল। নিরাপদ সুপেয় পানি ছাড়া দেহঘড়ি অকেজো।
পানি দিবসের প্রতিপাদ্যগুলোর দিকে একবার লক্ষ্য করি। ২০১৮ সালের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল- পানির জন্য প্রকৃতি। ২০১৭ সালের প্রতিপাদ্য-বর্জ্য পানি ব্যবস্হাপনা। ২০১৬ সালের প্রতিপাদ্য- জল ও জীবিকা। ২০১৫ সালের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য হলো – পানির সহজ প্রাপ্তি, টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি এবং ২০১৪ সালের প্রতিপাদ্য-পানি ও জ্বালানি।
প্রতিপাদ্য নির্ধারণ হলেও এসব স্লোগানের প্রয়োগ হচ্ছে কতটুকু বা আদৌ হচ্ছে কি? পানি নিয়ে বৈশ্বিক যে রাজনীতি, প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত আলোচনা তাতে ‘জল ও জীবিকা’, ‘টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি’, ‘সবার জন্য পানি’ এমন সব প্রতিপাদ্যের ওপর নিপীড়িত অঞ্চলের জনগণের আর বিশ্বাস থাকে না।
এভাবে চলতে থাকলে আসলেই কি পানির জন্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো আমরা? কিন্তু আমাদের পারতে হবেই। পানির জন্য, বিশেষ করে নিরাপদ পানির জন্য আমাদেরকে জাতীয় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে লড়াই চালিয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। কারণ নদী কারো একার নয়, নদী পৃথিবীর মানুষের সম্পদ।

হাসিবুল হক বলেছেনঃ
পানিতে মানবধিকার প্রতিষ্ঠা
নিতাই বাবু বলেছেনঃ
শ্রদ্ধেয় যহরত দাদা, আপনার মূল্যবান পোস্টখানার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। শ্রদ্ধেয় দাদা বিশুদ্ধ পানির জন্য যুদ্ধ করেও আমরা বারবার হেরে যাচ্ছি। হেরে যাচ্ছি কিছু মানুষ নামের দানমদের কারণে দাদা। ওইসব দানমরাই পৃথিবীর সম্পদ আর মানুষের সম্পদ নদীর পানিতে বিষ মিশিয়ে দিচ্ছে। যাতে এই পৃথিবী নামক গ্রহটির সমস্ত প্রাণীকুল রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। সেই সুযোগে ওরা আবার ঔষধের ব্যবসা বসাবে তাই। ওদের ফন্দিফিকির স্বয়ং রাষ্ট্রও বুঝে উঠতে পারছে না, আর ব্যবস্থাও নিচ্ছে না। দুঃখ শুধু এখেনেই থেকে গেল।
হাসিবুল হক বলেছেনঃ
পানির জন্য যুদ্ধ ভবিষ্যতে শুরু হবে ব্যাপক আকারে। প্রতিবেশি একটি দেশের দোষ আমরা দিচ্ছি। আসলেই কি এই জন্য একটি দেশই দায়ী? আরেক বৃহত্তম একটু দূরবর্তী প্রতিবেশি দেশ পানি আটকে দিচ্ছে।বড় বড় বাঁধ নির্মাণ করছে। এশিয়ার মানুষের কথা ভাবছেই না।দাদা, সেই রাজনীতির দরজা কি খুলবে ? অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে।