ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

সারাদেশ জুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন বেশ আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল । ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা সরাসরি নির্বাচন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পেরে বড্ড খুশি । শিশুরাই নির্বাচন কমিশনার, প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব নির্বিঘ্নে পালন করেছে যা দেশের মানুষের কাছে আশা জাগানিয়া খবর ।

শিশুকাল থেকে পরিবেশ উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেয়া , বিদ্যালয়ের লেখাপড়া, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এ নির্বাচনের মাধ্যমে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে এগিয়ে যাওয়া অনেকখানি সম্ভব । বিশেষ করে শৈশব থেকে গণতন্ত্রের চর্চা , অন্যের মতামতের প্রতি সহিষ্ঞু থাকা , মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাভাব এগুলো অর্জন অনেকটা সহজতর হতে পারে ।

এরমধ্যে হতাশার চিত্রও রয়েছে । মহাবিদ্যালয়-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বহুবছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় না । ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের ন্যায়সঙ্গত দাবিপূরণ তো দূরের কথা দাবিই উঠতে দেখা যায় না । এখানে স্বেচ্ছাচারিতার চর্চা বেড়েছে । এরমাঝে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন আমাদেরকে কিছুটা হলেও আশান্বিত করে তুলেছে ।

এভাবে বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও এ ব্যবস্হা পাকাপোক্ত করা হবে এমনটা আশা করা নিশ্চয় দোষের হবে না । আগামি প্রজন্মের মাঝে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠুক । সততা ও নিষ্ঠার সাথে তারা কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করে নিতে চেষ্টা করুক যাতে কাঙ্খিত নেতৃত্বের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকবে ।