ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

চল্লিশ বছরেও দেশে একটি স্বাস্হ্যনীতি প্রণীত হয়নি । একটি স্বাধীন দেশে কার্যকর স্বাস্হ্যনীতি নেই যা অবাক করা বিষয় । আর কত সময়ক্ষেপণ চলবে তা আমরা জানি না । কারসাজি কারা করে ? চিকিৎসকদের সংগঠন না কি আমলাতন্ত্র ! আসলে উভয়ই দায়ি কিন্তু দায় তো কেউ নেবে না নিতে চায়ও না ।

জনবান্ধব স্বাস্হ্যনীতি না থাকার কারণে স্বাস্হ্যখাতের আজ বেহাল দশা । সরকার বদল হয় কিন্তু একটি গণমুখী স্বাস্হ্যনীতি চূড়ান্ত রূপ পায় না । বর্তমান সরকার রাষ্ট্রপরিচালনায় এসে খসড়া স্বাস্হ্যনীতি মণ্ত্রিসভায় পাস করে । অথচ আজও সেটি সংসদের অনুমোদন পাওয়ার জন্য পেশ করা হয়নি । তাহলে খসড়া স্বাস্হ্যনীতি কী ভূতাশ্রয়ে চলে গেল !

স্বাস্হ্য সংগঠন বা মণ্ত্রণালয় – কারও কারসাজিই জনগণ আর দেথতে চায় না । খসড়া নীতিতে সংযোজন বিয়োজন যেটুকু করার তা আমলাতন্ত্র ও দলীয় সংগঠনগুলোর কুটিল স্বার্থ না দেখে জনগণের দিকে নজর রেখে সংস্কার করা হবে, দেশের মানুষ এমনটাই দেখতে আগ্রহী । দূর্বল স্বাস্হ্যনীতি দেয়ার চেয়ে না দেয়া ভাল । কালক্ষেপণ না করে জাতির আকাঙ্খাকে মূল্য দিয়ে চূড়ান্ত স্বাস্হ্যনীতি প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নে কঠোর হতে না পারলে স্বাস্হ্যসেবার মান বাড়বে না । বরং ব্যবসায়ী চিকিৎসকরা আরও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রয়াস চালাবে ।

আমরা এখনও আস্হা রাখতে চাই যে সরকার স্বাস্হ্যনীতিকে সিঁকেই তুলে রাখবে না । বিপুল জনগোষ্ঠির দেশে স্বাস্হ্য সেবা নিশ্চিত করতে সরকার গণ উপযোগী স্বাস্হ্যনীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে । স্বাস্হ্য সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের একটি । সেটা সরকার নিশ্চয় বেমালুম ভুলে যাবে না ।