ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 

1465126_10201476040619216_1769256052765597976_n

তাসকিন নিষিদ্ধ হওয়ার পর আশা ছিল রুবেল ডাক পাবেন। সানির জায়গায় বোলার নাসিরকে চেয়েছিলাম। হলো না।

নবাগত শুভাগত-মিঠুনের চেয়ে নাসিরকেই বেশি দক্ষ মনে হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তিনি উপেক্ষিত! টানা রান পেয়ে নজরে আসা বিজয়কে তো আমরাই হারিয়েছি!

স্যোশাল মিডিয়ায় আমরা অনেকেই বিষয়গুলো আলোচনা করে থাকি। আবার ভাবি, টিম ম্যানেজমেন্ট যা করে নিশ্চয়ই ভালোর জন্যে করে।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একটি ম্যাচেও আমাদের একাদশ আমার পছন্দ হয়নি। সে ক্ষেত্রেও নিজেকে বুঝ দিই, দেশ তো জিততে চায়; নির্বাচকেরা যতটা অভিজ্ঞ, আমরা ততটা নই তো।

সুপার টেনে একদম কাছাকাছি গিয়েও কাঙ্খিত জয়টা অধরাই থেকেছে। আজ যেটা হয়েছে সেটাকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। র্যাংকিংয়ের ওপরের দলের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়। বরং পরিস্থিতি বিবেচনায় ভারতের বিপক্ষের ম্যাচটির চাইতে আজকেরটিই কম সমালোচিত হবে।

কথাগুলো তুলছি হেরেছি বলে নয়, জিতলেও লিখতাম। আপনার মতের সঙ্গে নাও মিলতে পারে। সামনের দিনে এগুলো ভেবে দেখতে হবে।


 আমি বিশ্বাস করতে চাই না, মোটাতাজা উৎকোচের বিনিময়ে বাংলাদেশ দলে সুযোগ মেলে। তবে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট সত্ত্বেও আমাদের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অভিজ্ঞদের আড়ালে রেখে নতুন মুখের পরীক্ষায় কেন মেতেছিলেন, এর সঠিক উত্তরটা জানা জরুরি।


মিঠুন, শুভাগত, সাকলাইনের বলার মতো অতীত কি জানি না। তবে এইটুকু বলতে পারি, তারা দেশের হয়ে প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি।

সম্ভাবনাময়ী ক্রিকেটারদের দেখে স্বপ্ন দেখি, বিশ্ব ক্রিকেটে আমরা সত্যিকারের বাঘ হবো- দিনটি বেশি দূরে নয়। সুতরাং এই সোনালী সম্ভাবনাকে মাটিচাপা দেবেন, নাকি আলোর পথটা কণ্টকমুক্ত করবেন সেই বুঝ নিশ্চয়ই ওপরের লোকদের আছে।

যতই ভালো খেলি; দিনশেষে হারটাই লেখা থাকে। সবকিছুর দায় কিন্তু আইসিসির নয়, আমাদেরও।

লেখক : সাংবাদিক, news.joynal@gmail.com