ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

মায়ানমার মাঝে মাঝেই আমাদের সাথে এরকম আচরন করে থাকে। টেকনাফে নাফ নদীতে টহলের সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবির) এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁর নাম বিপ্লব (২১)। বিজিবির ভাষ্য, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) গুলিতে এই সিপাহি আহত হয়েছেন। এছাড়া রাজ্জাক নামে এক নায়েককে তুলে নিয়ে গেছে বিজেপি। ২/১ দিন পর পর এমন ঘটনা!  খুবই খারাপ লাগে| প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ওরা আমাদের এক একজন নায়ক যারা সীমান্তে আমাদের সার্বভৌম রক্ষায় নিবেদিত আছেন। একজন নায়কে কে নিয়েও গেছে ওরা! ধ্বিক্কার জানাই এমন ঘটনার। বাংলাদেশের এই এক প্রতিরক্ষা নীতি ” সবার সাথে বন্ধুতা ” সবাই বিজিবিকে গুলি করবে কিন্তু বিজিবি গুলি খেয়েও গুলি করবে না! বিজিবি কি শুধু পতাকা বৈঠকের জন্য সিমান্তে বসে থাকে। আমাদের দেশের জনগন এবং বিজিবি শুধু মারই খাবে। একদিকে মারবে বিএ্সএফ আর অন্যদিকে মারবে বার্মার পুলিশ। আমরা কি তাইলে চিপায় পড়ে যাচ্ছি ! আর, আমরা বন্ধুত্ব রক্ষা করার জন্য চুপ করে আছি।আমাদের গুলি গুলো কোথায়? মরার উপর খোরার ঘা! সব মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না|
দেশপ্রেম আজ আক্রোশের মূল কারণ; নীতিহীনকেই সবচেয়ে বেশি ভয় | মনে রাখা উচিত বাংলাদেশ বিজয়ী জাতি|

একটা নতুন সকাল দেখব বলে। ______________________