ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দপ্তর হারানোর গুঞ্জন শুরু হয় গত মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকের পর।ওই বৈঠকে হাজির না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন-এমনটাই ছড়িয়ে পড়ে গণমাধ্যমে।ওই দিন খবরের সত্যতা কোনো সরকারি সূত্রে স্বীকার করা না হলেও, তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন সত্যি হলো। এটাই বোধ হয় প্রথম দলের সাধারণ সম্পাদককে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো। শোনা যায়,ওই মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব পূর্ণ কোনো কাজ সময় মতো হয়নি কিংবা কাজে দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে—এমন ব্যক্তি গত অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে নেই!যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই সেই আশরাফুল ইসলামকেই সরানো হলো!  আর,যাদের বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ তারা বহালই থাকলেন!  পঁচা গম দিয়ে জনসেবা , হাজার কোটির দুর্নীতি , ৭+ মার্ডার,  আদম ও ইআবা পাচার করে মন্ত্রিত্ব ঠিকই থাকে।যে দেশের যে রিতি!আওয়ামীলীগের সম্পাদক মণ্ডলীর এক নেতার মতে, ‘বঙ্গবন্ধু এবং ভাসানীর মধ্যে কি সম্পর্ক ছিল, তা কেউ জানে না, তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সৈয়দ আশরাফের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়েও আমরা কোনো মতামত দিতে পারি না।এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী একক ক্ষমতার অধিকারী, যা সংবিধানে রক্ষিত।

সোহেল তাজ, আশরাফের মত ক্লিন ইমেজের লোকের চেয়ে কারা বেশি দরকারি?

আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতি দিয়ে দপ্তর বিহীন মন্ত্রী করা হয়েছে।  দপ্তর বিহীন মন্ত্রী কি? দপ্তর ছাড়াই মন্ত্রি…….!  দায়িত্ব পালন না করেই মন্ত্রী থাকতে পারবেন এবং বেতন সহ সব রকম সুবিধাও পাবেন! শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন, সাথে বেতনও খাড়া! দপ্তরবিহীন আর কত দপ্তরবিহীন মন্ত্রীর বোঝা জনগণ বইবে।

অনাবিল গাড়ি আর দপ্তর ছাড়া মন্ত্রী- দুইটাই পাবলিকের জন্য ক্ষতিকর। আর,এলজিআরডি মন্ত্রী করা হয়েছে খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে।একই সঙ্গে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বেও থাকবেন।একজন দায়িত্ব ছেড়ে খুশী, আরেক জন দায়িত্ব পেয়ে খুশী! আজব! হ!—-য!——ব!—র! —– ল!—–!!!!!!!