ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

একজন বাচ্চাকে চুরির অপরাধে পিটিয়ে খুন করা হলো!! এই লজ্জা কোথায় রাখি? এই হিংস্রতা লুকাই কিভাবে? বাচ্চাটি মার খেতে খেতে বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছিল বারবার। আবার মার তার পরেও মার। কতগুলো জানোয়ারের হাত থেকে বাচ্চাটি বাঁচতে পারল না! এই কুকুর দের যদি মানুষ বলা হয়,তা হলে কুকুররাও হাসবে।

দোকানের খুঁটির সাথে বেঁধে প্রায় দেড় ঘণ্টা নির্যাতন করা হয় ১৩ বছরের কিশোর শেখ সামিউল আলম রাজনকে। বাঁধা অবস্থায় পানির জন্য বেশ কয়েকবার আর্তনাদ করেও রাজনকে পানি দেয়নি নির্যাতনকারীরা। পানি চাইলেও নির্যাতনকারীরা তাকে উল্টো বলে ‘পানি নাই ঘাম খা’। কয়েকজন মিলে উল্লাসের সাথে কিশোর রাজনের উপর চালায় অমানবিক নির্যাতন। এক নাগাড়ে প্রায় ১৬ মিনিট শিশুটিকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। রাজন হত্যাকান্ড ফেরাউনকেও হার মানায়! কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত কিশোর সামিউল আলম রাজনের বাবা, আমরা গরিব মানুষ, আমরারে সাহায্য করেন। দেশবাসী পাশে থাকলে আমার পুয়া (ছেলে) মারার বিচার হইব। বিভিন্ন প্রতিবাদীরা এখন কোথায়? আর যারা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছে যারা ছবি তুলেছে তাদের ! এ কোন অসভ্য সমাজের দৃশ্য!! নির্মতার শেষ বলতে যা আছে ,এ জীবনে বড়ো হতে হতে তা শিখছি সৃষ্টির সেরা জীব মানুষদের কাছ থেকেই !হিংস্র পশুটিরও যদি কথা বলার ক্ষমতা থাকতো তবে সে প্রশ্ন রাখতো – যে জাতির মধ্যে এতো নির্মম হিংস্রতা লুকিয়ে থাকে তারা কি করে হয় সৃষ্টির সেরা জীব ? বিচার চাই বিচার চাই রাজন হত্যার বিচার চাই রাজন হত্যা কারিদেরকে ঠিক ওর থেকেও নিরমম ভাবে প্রকাশ্যে বিচার করতে হবে! তাই এ টুকোই বলবো ভালো থাকুক রাজন ,সৃষ্টিকর্তা তার ক্ষমতার সব শান্তি দিক তার আত্মাকে . . . .