ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

“মেঘ” দেখে কেউ করিসনা ভয় আড়ালে তাঁর সূর্য হাঁসে। কেথায় সেই সূর্য…???

মেঘ দেখে ছোটবেলায় অনেক আনন্দ লাগতো হয়তো এখনও লাগে। কারণ মেঘের পরেই বৃষ্টি…..। কি দারুন। বৃষ্টি হবে আমি ভিজবো। আমার মনে হয় মেঘ দেখলো যে কোনো মানুষেরই বৃষ্টিতে ভেজার ইচ্ছা জাগে। কিন্ত মেঘ দেখে কখনও কি কারও কষ্ট লাগে। হয়তো ইদানিং অনেকেরই লাগে। কারণ মেঘের মনেযে আজ মেঘেরই ঘনঘটা। বলছিলাম মেহেরুন রুনী ও সাগর সারওয়ারের রক্তে রাঙানো মেঘের কথা। ফেব্র“য়ারি আসলে একটা কথা আমাদের মনে চলে আসে তা হলো “আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি.. আমিকি ভুলিতে পারি”। এখন তাঁর সাথে য্ক্তু হয়েছে নতুন একট কথা “রুনী-সাগরের রক্তে রাঙানো ১০ ফেব্র“য়ারি” আমরা কি ভুলিতে পারি।

“মেঘ” নামটি যাঁরা রেখেছিলেন, তাঁরা কি জানতেন এই সন্তানটি সারা জীবন পার করবে মেঘের ঘনঘটার মধ্য দিয়ে। গত এক সপ্তাহধরে মেঘকে দেখেছি সংবাদ মাধ্যমগুলোতে। আর আজ তাঁকে দেখলাম সচক্ষে। কি সুন্দর দেখতে। দেখে মনে হয় অনেক চঞ্চল। তবে তার মাঝে কোথাও যে কষ্ট রয়েছে তা মেঘের চেহাড়ায় ভালো করে তাকালে বোঝা যায়। ও এসেছিলো আজ এটিএন বাংলায়। ওর মা-বাবার আত্মার মাগফেরাত কামনার আয়োজনে। এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান বিভাগীয় ২নম্বর স্টুডিওতে মেহেরুন রুনী ও সাগর সারওয়ার এর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় আয়োজন করা হয় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। ওখানেই দেখলাম মেঘকে। সঙ্গে তাঁর মামা, নানীকেউ। ওকে দেখে একটাই প্রশ্ন জাগে আমার মনে। ওর মেঘ কি কোনোদিন কাটবে ও কি বলতে পারবে বড় হয়ে যে ওর বাবা মায়ের হত্যাকারীর বিচার হয়েছে। বড় হয়ে যখন প্রতিটি পদে পদে মা-বাবার শুন্যতা অনুভব করবে, তখন কি ও সান্তনা দিতে পারবে এই ভেবে যে ওর মা-বাবার হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে। তাইতো মনে হয় “ মেঘ দেখেকেউ করিসনা ভয় আড়ালে তাঁর সূর্য় ওঠে” সূর্যটা কি উঠবে………. মেঘের……????