ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

এই শান্তিবাহিনীকে প্রস্তুত হতে নির্দেশ দিলেন সন্তু লারমা!

বাঙ্গালীর রক্তে রাঙ্গানো হাত খুনী বলে কোন কোন মহলে পরিচিত, অন্য যে কোন দেশ হলে যার অনেক আগেই বিচারে উপযূক্ত শাস্তি পেতে হতো বলে অনেকে মনে করেন, সেই জনাব সন্তু লারমার সাথে বর্তমান সরকার দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন বৈতরনী পার হওয়া দুই অ-আওয়ামী সংসদ সদস্য জনাব হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি বেলুন উড়িয়ে আজকের “আদিবাসী দিবস” উদ্বোধন করেন!

তিনি এই প্রসঙ্গে বর্তমান সরকারের সমালোচনা করেন ও তার দৃষ্টিতে নতুন সরকারের স্বপ্নের কথা বলেনঃ
“অগণতান্ত্রিক উগ্র জাতীয়তাবাদী এ সরকারকে দিয়ে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।”
“গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সরকার না এলে আদিবাসীদের প্রতি এ শোষণ-বঞ্চনা চলতে থাকবে”!

উপস্থিত বিশিষ্ট বাংলাদেশ নিবাসী ও সাম্প্রতিক নানা ঘটনায় গান্ধী ও আন্না হাজারে অনুসারী হবার বিফল প্রয়াসী আবুল মাকসুদ সাহেব দারুন লজ্জা পেলেন এই কারনে যে তিনি বৃহত্তর জনগোষ্ঠী “বাঙ্গালী” জাতির একজন মানুষ! বিদেশী টাকায় চলা এনজিও নেতৃদ্বয় জনাবা খুশী কবির আর সুলতানা কামালরা বিষোদ্গার করলেন সরকারের ভূমিকায়!

আজ এই সমাবেশে জনাব সন্তু লারমা পাহাড়ে আবার নতুন করে যুদ্ধ ঘোষনার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন!

এই ব্যাপারে বিডিনিউজ২৪.কম এ প্রকাশিত খবরের কিছু অংশ উদ্ধৃত করা হলোঃ
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আগস্ট ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী নিজে থেকে পাহাড়িদের অধিকার নিশ্চিত করবে না মন্তব্য করে অধিকার আদায়ে লড়াই-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হতে বলেছেন পাহাড়ি নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে এক সমাবেশে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা বলেন, “অগণতান্ত্রিক উগ্র জাতীয়তাবাদী এ সরকারকে দিয়ে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।”
“গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সরকার না এলে আদিবাসীদের প্রতি এ শোষণ-বঞ্চনা চলতে থাকবে,” যোগ করেন তিনি।

পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নসহ পাহাড়িদের মৌলিক দাবি পূরণে সরকার ‘দ্বিধাগ্রস্ত’- এমন মন্তব্য করে সন্তু লারমা বলেন, “অধিকার এমনিতে পাওয়া যায় না। লড়াই-সংগ্রাম করে তা পেতে হয়। সেই লড়াই-সংগ্রামের জন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।”

আগের দিন এক অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের সমস্যার সমাধান না হলে ফের পরিস্থিতি অশান্ত হতে পারে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা।

তিনি বলেন, “মানুষের জীবনধারা পরিবর্তনশীল। পাহাড়ে এক সময় সংঘাত ও বিতর্কের অবসান হয়েছে। আবার কোনো দিন তার সূচনাও হতে পারে।”

স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে পাহাড়িদের সশস্ত্র সংগ্রামে দুই যুগ আগেও অশান্ত ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম। শান্তি বাহিনী নামে ওই সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সন্তু লারমা। “