ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঘৃণিত যুদ্ধাপরাধী বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশে সমগ্র দেশবাসীর সাথে আমরাও আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। যুগান্তকারি এই রায়ের জন্য ধন্যবাদ জানাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকমণ্ডলী ও সকল কলাকুশলীদের। এই রায়ে সকল দেশপ্রেমিক জনগণ যখন আনন্দিত ও উল্লসিত ঠিক তখনই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বলে দাবিদার এক দলের নেতাদের, বিশেষ করে তাদের দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অনিয়মিত সমন্বয়ক জনাব তরিকুল সাহেবের অসংলগ্ন বক্তব্যে একটা কথাই বার বার মনে হচ্ছে, উনি কি স্বাভাবিক মস্তিষ্কে কথা গুলো বলেছেন !

কারনঃ- ১. কেউ সুস্থ মস্তিস্কে থাকলে “চিহ্নিতদের বিচার বিশ্বাসযোগ্য হবে না” ধরনের মতামত দেবার কথা নয়। অথবা ২. কেউ নিজে অপরাধী, কারো কোন নিকট আত্মীয় অপরাধী বা কোন অপরাধীর পক্ষে কারো নগ্ন পক্ষাবলম্বন না থাকলে এই ধরনের বক্তব্য দেবার কথা নয়। তবে তারিকুলের জন্য ১ ও ২ দুটিই প্রযোজ্য বলেই মনে হচ্ছে ! ২ নম্বর কারনটা ওনার জন্য, ওনার নেত্রী ও ওনার দলের জন্য যে বিনা দ্বিধায় প্রযোজ্য সেটা আমার চেয়ে আপনারা অনেকেই ভালো বুঝেন। ১ নম্বর কারনটাও তরিকুল সাহেবের জন্য প্রযোজ্য বলেই ধরে নেয়া যায়। ওনার অতীত ইতিহাস যারা জানেন, মানে তার যুব বয়সের সু-কীর্তির কাহিনী, সেই সময় প্রায়সই নাকি ওনাকে মদ্যপ ও অপ্রকৃতস্থ অবস্থায় যশোরের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যেত ! ওনার ইদানিং কালের কথা বার্তায় মনেহয় সেই পুরোনো বাংলা মদের নেশাটা সম্ভবত এখনো উনি ছাড়তে পারেন নাই। যদি কেউ দাবী করেন উনি সেই নেশা ছেড়ে দিয়েছেন, তাহলে দয়াকরে ওনাকে কি একটু জিজ্ঞেস করবেন “চিহ্নিতদের বিচার বিশ্বাসযোগ্য” না হলে “অ-চিহ্নিতদের” বিচার কি করে বিশ্বাসযোগ্য হবে ! এরাই হলো জাতীয় নেতা এবং আগামী দিনের নিশ্চিত হোমড়া চোমড়া মন্ত্রী।

বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায়ে আসুন সবাই মিলে বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলি – জয় বাংলা