ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

তারেক, তোমার সব অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের জবাব আমার কাছেই আছে। কিন্তু তোমার মতো অশিক্ষিত পাপীর আওয়াজের জবাব দেয়া মানে তোমাকে জাঙ্গলিক আনন্দ পেতে দেয়া। তুমি মূল্যহীন মূর্খ শেষে নিজেই তো বললে যে, তোমার মা-বাবার কুকর্ম নিয়ে যা বলা হয় তা ঢাকতেই তোমার এই নোংরা প্রচেষ্টা। তোমার কথাগুলির মাঝেই রয়েছে তোমার মিথ্যাচারের জবাব। তোমার অমানুষ চামচারাও এটা জানে।

তুমি চামচিকা গেছো বঙ্গবন্ধুর মতো নক্ষত্রের বিপক্ষে অপপ্রচার করতে, তাও আবার সারা দুনিয়ার জানা একটা ঘটনাকে নিয়ে। আরে তুমি তো তুমি, তোমার ১৪ গোষ্ঠি,তোমার ভ্রষ্ট দল শত বছর চেষ্টা করেও বঙ্গবন্ধুর মহান দেশপ্রেম ও অবদানকে কোনোদিনই ম্লান করতে পারবে না। তোমার মূর্খতা এতোই নীচু স্তরের যে তুমি এটা অনুধাবন করতে পার নি।

তোমার অকৃতজ্ঞ মা-বাবা চেষ্টা করে নি? রাজাকাররা চেষ্টা করে নি? পাকিস্তানিরা চেষ্টা করে নি? পেরেছে? দূর্নীতির ম্যাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা খরচ করে তুমি এমন ফালতু বাকবাকুম করার সুযোগ পেতে পার কিন্তু তোমার দৌড় শয়তান তোমাকে যেখানে নিয়ে আছাড় মারবে সেখান পর্যন্তই। তোমার পাকিস্তানি প্রভুরাই তো অপপ্রচার করে হিমালয় বঙ্গবন্ধুকে ছোট করতে পারে নি।

পৃথিবীর নোংরা ধূলো কি সূর্যের আলোকে চাপা দিতে পারে? কিছু মানুষ হয়তো সাময়িকভাবে সূর্যকে দেখতে পায় না কিন্তু সূর্য ঠিকই থাকে, অবিরল আলো বিলিয়ে যায়, পৃথিবীর চেয়ে কয়েকগুণ বড়ো অনেক গ্রহকে আলোকিত করে রাখে।

এমনকি আওয়ামীলীগও যদি বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষে চলে যায় তবুও এদেশের মানুষের কাছে বঙ্গবন্ধু নিজগুনে চিরকাল আকাশের অবিনশ্বর উজ্জ্বল তাঁরা হয়ে থাকবেন। স্বাধীনতার মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু এদেশের ভালো মানুষদের মনে মহামানব হিসেবে বিরাজমান। বিবিসির জরিপ কি তা প্রমাণ করে দেয় নি তোমাদেরই হাওয়া ভবনের আমলে?

যে মানুষ সারা জীবন দেশের জন্য কষ্ট করে, বছরের পর বছর জেল খেটে, বারবার ফাঁসিকাষ্ঠে গিয়ে দেশ কে স্বাধীন করলেন তাকেই নির্মমভাবে খুন করেছে তোমার কাপুরুষ বাপ পাকিস্তানের দালালদের সাথে মিলে, মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের শোধ নিতে। আর খুন করার পর কতো মিথ্যা অপপ্রচারই না করেছে তোমার পূর্বপুরুষরা। কিছু প্রমাণ করতে পেরেছে? তুমি কেনো ভুলে গেলে যে, তোমার বাপের মতো ধুরন্ধর খুনী বঙ্গবন্ধুকে খাঁটো করতে পারে নি?

তুমি বরং আমাদের জানাও, তোমার মা খালেদা কেনো নিজের স্বামী জিয়াকে চট্রগ্রাম ফেলে রেখে যুদ্ধ শুরুর পর ১৯৭১ এর ৩০শে মার্চ ঢাকায় গিয়ে ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানিদের হেরেমখানায় উঠেছিল স্বেচ্ছায়।

কিছু বিকলাঙ্গ মানসিকতার মুর্খকে পাশে নিয়ে বসে মনে করছো বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার সুযোগ পেয়ে গেছো তুমি? তোমার মা-বাপ আরো অনেকের মতো বঙ্গবন্ধুর পা-ধোয়া পানি খেয়ে ধন্য হয়েছে। তুমি পলাতক আসামী বুঝতে পার নি যে, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য।