ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি মিডিয়া রিপোর্ট করেছে, কিছু কেন্দ্রে ঝামেলা হয়েছে তবে বাকিগুলিতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ভোটাররাও ব্যাপকহারে ভোট দিতে গিয়েছে।

প্রায় ৬০,০০,০০০ ভোটারের জন্য ২,৭০১ টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে ১০/১২ টিতে কিছু গোলযোগ হতেই পারে। তার মানে কি এটা বিএনপির করা জালিয়াতির মাগুরা নির্বাচন হয়ে গেল? এদেশের কোন নির্বাচন কবে কোথায় এরকম কিছু ঝামেলা ছাড়া হয়েছে?

আগুন সন্ত্রাসী বিএনপি আগেই জানতো যে, তাদের বোমাবাজি আর নিরীহ মানুষ খুন মাত্র সেদিনের ঘটনা, তাই জনগণের রায় তাদের পক্ষে যাবে না। এ জন্যই মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে তাদের এ পূর্ব-পরিকল্পিত নাটক।

বিএনপি এ নির্বাচনকে পুঁজি করে আবারো মানুষ পোড়ানোর আন্দোলন করার একটা সুযোগ পেতে চেয়েছে। ঢাকায় তাদের প্রার্থীদের নমুনার দিকে নজর দিলেই এটা বুঝা যায়, আর চট্রগ্রামে মন্জুরের পক্ষে কর্মীদের মাঠে নামায় নি তারা। মন্জুর তাই রাজনিতীই ছেড়ে দেয়ার ঘোষনা দিয়েছে।

কেন্দ্রসমুহে পোলিং এজেন্ট না পাঠিয়েই বিএনপি বলছে, তাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। এ হল ভ্রষ্ট-নষ্টদের পার্টি বিএনপি।

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করে যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার যে চেষ্টা বিএনপি চালিয়ে যাচ্ছে মাঝপথে নির্বাচন নিয়ে এ চালবাজি করা তাদের সে ষড়যন্ত্রেরই অংশ।

কেন্দ্রগুলি থেকে যদি তাদের এজেন্টদের সত্যিই বের করে দিত তবে সেটা তো সকাল ৮ টায় ভোট গ্রহণ শুরুর সময়ই জানাতো তারা। কিন্তু তখন তারা কিছুই বলে নি। বরং তাদের এক প্রার্থী ১১ টার সময়ও টিভিতে বলেছে যে, সে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে। তাহলে ১২ টার সময় দলীয়ভাবে বিপরীত কথা বলা কি বিএনপির ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অংশ নয়?

প্রথম আলো লিখেছে, বিএনপি নেতারা তাদের কাছে স্বীকার করেছেন যে, বিএনপির ৯০% এজেন্ট ভোট কেন্দ্রে যায়ই নি। মঞ্জুর আলম বলেছেন, নির্বাচন বর্জনের আগ পর্যন্ত যত ভোট পড়েছে তার ৮০% তিনি পেয়েছেন। তাহলে ভোট জালিয়াতি হল কীভাবে? আর ৮০% ভোট পেয়েও নির্বাচন বর্জন করা কেন? বোঝাই যায়, অশুভ শক্তি বিএনপি তাকে চাপ দিয়েছে নির্বাচন বর্জন করতে। বিএনপিকে ধিক্কার জানাতেই হয়।

প্রকাশ হয়েছে বিএনপি নেতা নজরুলের ফোনালাপ যাতে সে নির্বাচনের ২ দিন আগেই এক কর্মীকে নির্বাচনের দিন দুপুর ১২ টায় নির্বাচন বর্জন করার দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানাচ্ছে।

আসুন, এদের সর্বক্ষেত্রে প্রতিরোধ করি।