ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

শায়েখুল ইসলাম সামসুল উলামা আল্লামা পীর সুফি মাওলানা শায়েখ মুহাম্মদ xxxxx xxxxx xxxxx xxxxx xxxxx (কাদিরী চিস্তি নকশবন্দি মুজাদ্দিদী মুহাম্মদী) সাহেব কিবলা। এরপর আরো ৩ টি আরবি শব্দ।

অন্য কিছু নয়, এটি একজন ‘পীরে’র নাম। ক্রস চিহ্নিত ৫টি শব্দ উল্লেখ করলাম না ব্যক্তিগত আক্রমণ হয়ে যাবে বলে। হ্যাঁ, নামের আগে হযরত শব্দটিও আছে। ইনি নাকি ইসলামের অনেক খেদমত করেছেন।

এরকম আত্মপ্রচার আকাঙ্ক্ষী একজন লোক ইসলামের খেদমতগার এটা ভেবে বিতৃষ্ণ হয়ে কোনো অমুসলমান যদি ইসলাম গ্রহণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তবে তার দায়ও কি এই ‘পীরে’র উপর বর্তাবে না?

যিনি আল্লাহ্‌র ধর্ম ইসলামের কেন্দ্রবিন্দু সেই মহানবী (সাঃ) শুধু এক শব্দের একটি নাম “মুহাম্মদ” দিয়ে জগত জুড়ে সুপরিচিত ও সুখ্যাত।

যেহেতু মহানবীকে অনুসরণ করাই ইসলাম চর্চার ভিত্তি সেহেতু মুসলমান মাত্রেরই কর্তব্য নিজেকে নামের বাহার দিয়ে পরিচিত করানোর চেয়ে কাজের মাহাত্ম্য দিয়ে মহিমান্বিত করা।

এই ‘পীরে’রা মহানবীর আদর্শ প্রতিষ্টার বুলি আওড়ান কিন্তু নিজেরা মহানবীর আদর্শকে ধারণ করেন না, আত্মপ্রচারে লিপ্ত হন, এমনকি তারা নিজেকে অন্যদের চেয়ে বড় পীর বা আলেম বলে প্রচার করেন।

সামসুল উলামা মানে আলেমদের নক্ষত্র অর্থাৎ এই আলেম নক্ষত্র আর অন্য আলেমরা গ্রহ-উপগ্রহ। ইসলামের কোথায় শ্রেষ্ঠত্বের এই বড়াই করার অনুমতি দেয়া হয়েছে?

কাউকে পীরকুল শিরোমণি বা গাওসুল আজম হিসেবে চিহ্নিত করার কোনো মাপকাঠি ইসলামে নেই। পুণ্যের বিচারে কেউ শ্রেষ্ঠতর হতে পারে কিন্তু এক্ষেত্রে বিচারক তো একমাত্র আল্লাহ্‌, মানুষ নিজে নয়।

হুদাইবিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরকালে মক্কার অমুসলমানেরা চুক্তিপত্রে মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহর বদলে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ লেখে। এ নিয়ে সাহাবীরা উত্তেজিত হয়ে উঠেন।

তখন মহানবী (সাঃ) নিজেই সাহাবীদের শান্ত করেন এবং অমুসলমানেরা যেভাবে লিখেছে সেটা মেনে নিয়েই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এরই ফলে দ্রুত সময়ে মুসলমানেরা মক্কা জয় করতে সক্ষম হয়।

আর এই পীরে’রা বৈষয়িক লাভের আশায় আত্মপ্রচারে লিপ্ত।