ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

ng

অ – অসাম। (উৎপত্তি ইংরেজি awesome থেকে)। পৃথিবীর যে কোনও বস্তু বা ঘটনার গোড়ায় ইঞ্জিনের ন্যায় জুতে দেওয়া যায়।
উদাহরণ: ‘জানিস, দারুণ বেড়ালাম দার্জিলিং। ‘অসাম।’ বা ‘জানিস আমার বাপ-মা দুজনেই মারা গেলেন।’ ‘অসাম’।

আ – আন্দোলন। একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যার জেরে প্রত্যেকদিন ধর্মতলা আটকে গোটা শহরের জিনা হারাম করে দেওয়া যায়। যে
কোনও অছিলায় হল্লাগুল্লা পাকিয়ে রেললাইনে তাস খেলা, পুলিসকে খেউর করা বা হাওড়া ব্রিজে শুয়ে পড়া যায়।

ই – ইয়ার। ম্যাজিক সম্বোধন। স্যাঙাতকে তো বটেই নিজের বাবাকেও বলা যায়। কোনও বাক্য শুরুর আগে ‘আরে ইয়ার’ লাগালে জীবন মধুর হয়।

ঈ- ঈর্ষা। বাঙালির আপন সংস্কৃতি। অন্যের প্রতি বিশেষ করে প্রতিবেশীদের ওপর ঈর্ষা না থাকলে সে বাঙালি বলে গণ্য হয় না।

উ – উল্লাস। ইংরেজি কেতায় সারারাত পার্টি করে ফাটিয়ে দিলেও, মদ খাওয়া শুরুর আগে গেলাস তুলে ‘চিয়ার্স’-এর বদলে যে শব্দ বললে
বাঙালির ধাস্টামিপনা পূর্ণতা পায়।

ঊ – দুর্যোধনের বিপদ। আইটেম নাম্বারের সম্পদ।

ঋ – ঋণ। আগে, যা নিলে লোকে অসুখী হত। এখন, যা নিলে লোকে অসুখী থাকে।

এ – একনায়ক। মধ্যপ্রাচ্যে এই চাকরি ক্রমাগত কমছে।

ঐ – ঐক্য। অন্য সময়ে একটুও নয়, শুধু ভারত-পাকিস্তান বা ভারত-বাংলাদেশ খেললে নাগরিকরা রক্তে চনচনানি অনুভব করে।

ও – ওবামা। যিনি মার্কিন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর, আমেরিকার ‘কালো’ হাত গুঁড়িয়ে দাও বলার অর্ধেক মজাই মাটি।

ঔ – ঔদার্য। ডিভোর্সের ঝগড়ার সময় বউকে কিছুতেই না জিগ্যেস করা, তার এখনকার প্রেমিক শোয় কেমন।