ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

12_Khaleda+Zia_050115_0003

গত বছরের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনি ট্রেন ফেল করে বাংলাদেশের একসময়ের বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের পিছনে এখনো ছুটছেন ট্রেন ধরবার আশায়। এই অবাস্তব আশাকে পুঁজি করে বেগম জিয়া বাংলাদেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছেন। আসলে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদেরা মনে করেন এই দেশটা তাদের পৈত্রিক তালুক এবং এদেশের  জনগন তাদের বসংবদ প্রজা। তারা জেভাবে বলবেন আমরা সাধারন জনগন ঠিক সেইভাবে চলবো। জনগন শুধুমাত্র তাদের ভোট ট তাদের পার্টিকে দিলেই গনতন্ত্র সঠিক ভাবে কার্যকর থাকে। আর নাহলেই ভোট কারচুপি অথবা গনতন্ত্র ধ্বংসের দারপ্রান্তে উপনীত হয়।

২০১৩ এবং ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি মাস পর্যন্ত খালেদা জিয়া তার দোসর জামাত কে নিয়ে যে ধ্বংসের মাতম শুরু করেছিল তাতে সাধারন নির্বাচন নয় পরিকল্পনা ছিল সামরিক আইনের জারির মাধ্যমে ক্ষমতার রদবদল আর সেই সাথে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করে আনা, ধর্মীয় দলগুলোকে মিথ্যা প্ররোচনা দিয়ে, ইসলাম গেল বলে পুরানো ধোঁয়া তুলে এই দেশে পাকিস্তানের মতাদর্শে একটি তালেবানী সরকার কায়েমের নীল নকশার পরিকল্পনা করেছিলেন।

সেই পরিকল্পনা যখন ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ব্যর্থ হয়ে গেলো, সেই সময় বিদেশিদের কাছে এই নির্বাচন এবং বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরার দেশি-বিদেশি চক্রান্তে মেতে উঠলেন  দেশনেত্রী। কিছু সুশীল সমাজ নামক বুদ্ধিজীবী উনার এই চক্রান্তে যুক্ত হলেন। বিধিবাম, এবারো তিনি ব্যর্থ হলেন এই সরকারকে ব্যর্থ করে দিতে।

তাই সারাবছর ধরে আন্দোলনের হুমকি-ধামকি দিয়েও যখন আন্দোলনের মাঠ গরম করতে ব্যর্থ হলেন তখন সেই পুরানো কায়দায় মানুষ মারার রাজনীতিতে ফিরে গেলেন আমাদের দেশনেত্রী। নির্বাচনের একবছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে ৫ই জানুয়ারি এই সরকারের শেষদিন হিসেবে চিহ্নিত করে সারা দেশে এক অরাজকতার রাজত্ব সৃষ্টির চেষ্টা চালালেন। কিন্তু সেখানেও জনগনের ম্যান্ডেট পেতে ব্যর্থ হয়ে শুরু করেছেন পুরানো কায়দায় দেশ কে মানুষ মারার ফাঁদে পরিনত করেছেন। তাঁর এই প্রচেস্টাকে আমরা ধিক্কার দেওয়া ছাড়া অন্য কোন ভাষা খুঁজে পাই না।