ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 
House-Comitte

সাবেক বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করা এবং তারেক রহমানের বক্তব্য প্রদানে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের উপর মার্কিন কংগ্রেসের ছয়জন সদস্য নিন্দা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন বলে এক সংবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের প্রধান সংবাদপত্র দৈনিক প্রথম আলো, নয়াদিগন্ত এবং ইউএনবি সহ বেশ কিছু গনমাধ্যম বেশ গুরত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে। যা কিনা একেবারেই মথ্যা এবং কল্পনাপ্রসুত। এই বিবৃতির ব্যাপারে যাদের স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারাই এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন এবং পুরো ব্যপারটাই অস্বীকার করেছেন।

বাংলাদেশ সবসম্ভবের দেশ বলে একসময় প্রচার করা হতো। এবং এই প্রচারনার পিছনে সবচেয়ে বড়ো অবদান ছিলো সেইসব পত্রিকার যারা আজকে এই নিউজ প্রকাশ করেছে। একশ্রেনীর বুদ্ধিজীবী আর সংবাদপত্র সেই ২০০১ সালের পর থেকেই এই দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ২০০১ সালের নির্বাচনেও এই চক্রটা বেশ তৎপর ছিলো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে এদেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করতে। পরবর্তীতে যখন এদেশের সাধারন মানুষ স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে আবারো সোচ্চার হলো সেইসময় কিছুদিনের জন্যে হলেও তারা তাদের ভোল পাল্টে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসাবে সাধারনের কাছে জাহির করা শুরু করে। কিন্তু এ ছিলো শুধুমাত্র তাদের খোলশ পাল্টানোর খেলা।

সাবেক বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করা এবং তারেক রহমানের বক্তব্য প্রদানে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের উপর মার্কিন কংগ্রেসের ছয়জন সদস্য নিন্দা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন বলে এক সংবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের প্রধান সংবাদপত্র দৈনিক প্রথম আলো, নয়াদিগন্ত এবং ইউএনবি সহ বেশ কিছু গনমাধ্যম বেশ গুরত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে। যা কিনা একেবারেই মিথ্যা এবং কল্পনাপ্রসূত। এই বিবৃতির ব্যাপারে যাদের স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারাই এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন এবং পুরো ব্যপারটাই অস্বীকার করেছেন।

বিভিন্ন সময়ে এই সংবাদ মাধ্যম গুলো বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সংবাদ করতে যেয়ে তারা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিতেও আঘাত করতে দ্বিধা করছে না। মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের নিয়ে আজকের বিবৃতিও সেই বিরুদ্ধতারই অংশমাত্র। *যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান এড রয়েস ও কমিটির সদস্য এলিয়ট অ্যাঙ্গেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, কোনো পক্ষের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের নামে ভুয়া বিবৃতি ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।* এই বিবৃতি একটি দেশের ভাবমূর্তির জন্যে কতটা লজ্জাজনক তা ভাবতেই আমাদের মতো সাধারন মানুষও বুঝতে পারছে অথচ তথাকথিত সর্বাধিক প্রচারিত সংবাদপত্র একটি সংবাদের সত্যতা যাচাই না করেই প্রকাশ করে ফেললো তা কখনোই হতে পারে না। এই মিথ্যা সংবাদ প্রচারের পিছনে শুধুমাত্র বর্তমান মহজোট সরকারকে উৎখাত এবং যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোই প্রধান উদ্দেশ্য বলে প্রতীয়মান।

শুধুমাত্র মার্কিন কংগ্রেসের ভুয়া বিবৃতি করাই নয় এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন সংবাদ প্রায়শই প্রকাশ করে আসছে। একজন আসামীর বিভিন্ন অরুচিকর এবং ইতিহাস বিকৃত করা বক্তব্য প্রচার করে এই সংবাদপত্র গুলো অনেক আগে থেকেই এক ভয়াবহ মিশন নিয়ে নেমেছে। যে মিশনের প্রধানতম উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশকে আরেকটি পাকিস্তান বানানো এবং যুদ্ধাপরাধীদের আবারো ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনারই অংশ।