ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আন্দোলনের হুমকী বিরোধী দলীয় নেত্রী অনেক আগে থেকেই দিচ্ছিলেন তবে আগের মতো তাড়াহুড়া ছিলো না সেই আন্দোলন শুরু করার। তিনি এবার বিভিন্ন শহরে সভা সমাবেশ করে জনমতকে তার দাবীর প্রতি আস্থাশীল করে তুলে এগোতে চাচ্ছিলেন। এবং বিভিন্ন দেশীবিদেশী পর্যবেক্ষকরা তার এই ধীর এবং সুস্থির পথে চলার কৌশলটাকে সঠিক বলেই মনে করছিলেন। এতে করে সরকারের বিভিন্ন ভুল পদক্ষেপগুলো সাধারন মানুষকে পরিবর্তনের জন্যে বা সরকার কে সঠিক পথে পরিচালিত করতে বাধ্য করতে পারতো।

অথচ এই সঠিক এবং নির্ভুল পথ থেকে কেনো এবং কাদের প্ররোচনায় এই আত্মঘাতী পথে হাটা শুরু করলেন তা সত্যি গবেষনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। বিশিষ্ট জনদের মতে বিরোধীদলীয় নেতা সরকারের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে গোটা পরিস্থিতিকে লেজে গবরে করে তুলেছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই মুহূর্তে অবরোধ আন্দোলনের যে অবস্থা তাতে বিএনপির পিছনে পানে ফিরে আসা ছাড়া অন্য কোন পথ দেখছেন না। ইতিমধ্যেই নিজের দলের ভিতরেই কানাঘুষা চলছে যে সরকারের পক্ষে যদি আলোচনার প্রস্তাবই আসে তাহলেই এই অবরোধ তুলে নেবে। যদি সত্যিকার ভাবেই বিএনপির ভিতরে এই ধরনের মতামত বিরাজ করে তাহলে এবারো আন্দোলনে পিছুটান দেওয়া ছাড়া অন্য কোন পথ থাকবে না। অবশ্য এই পিছুটান ছাড়া অন্যকিছু করার ক্ষমতা কি আসলেই বিএনপির বরত্মান নেতৃত্বের আসে এটাও ভেবে দেখবার সময় এসেছে।

গাজীপুরের সমাবেশ করতে না পারা, বকশীবাজারের আদালতে যাওয়ার সময়ের সংঘর্ষ এবং ৫ই জানুয়ারীর সমাবেশের উপর ১৪৪ ধারা জারীর পর বিএনপি তার পরিকল্পিত মহাসমাবেশ কোথায় হবে এই ব্যাপারে খোদ কেন্দ্রীয় নেতারাও ছিলেন অন্ধকারে। কারোমতে বিশ্বরোডের মাথায়, কারো ধারনা নয়া পল্টনের অফিসের সামনে অথবা নেত্রী যেখানে নির্দেশ দিবেন সেখানেই হবে। তাহলেই বুঝতে হবে বিএনপি তার নেতৃত্বের চেইন অব কম্যান্ড হারিয়ে ফেলেছে। এই অবস্থায় সরকার বিএনপিকে চুড়ান্ত আন্দোলনের পথে সার্থক ভাবেই ঠেলে দিতে পেরেছে বলে সবাই মনে করছে। সারাদেশে বিএনপি নেতা কর্মীদের যে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে তাতে এক পাগল ছাড়া কেউই সুস্থাবস্থা বলবেন না। আসলে এখন সারাদেশের বিএনপি কর্মীদের ভিক্ষা চাই মা কুত্তা সামলান এই অবস্থার মুখে ঠেলে দিয়ে সরকার মজা দেখছেন। আর বিএনপির মহা নেতারা গ্রেফতার এড়ানোর নামে কর্মীদের রাস্তায় অরক্ষিত রেখে হয় আত্মগোপন করেছেন নাহয় বেগম খালেদা জিয়ার সাথে গুলশান কার্যালয়ে স্ব-অবরোধিত হয়ে পিঠ বাচাচ্ছেন।