ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

প্রায় দু’বছর হতে চললো এই সরকার ক্ষমতায় আসার। অনেক মতামত অনেক বিতর্ক জন্ম নিয়েই সরকার পথ চলেছে গত দিনগুলোতে। দেশি-বিদেশি চক্রান্ত থেকে শুরু করে আগুনে ঝলছে দিয়ে মানুষ মারাও হয়েছে শতাধিক। এই সরকার এবং নির্বাচনকে মূল্যহীন করে তুলতে এদেশের বড়ো একটি রাজনৈতিক দল স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে নিয়ে আজও দেশে বিদেশে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

দেশের শান্তিপূর্ণ অবস্থাকে অস্থিতিশীল করতে দুইজন বিদেশী নাগরিককে হত্যা, অষ্টেলিয়া ক্রিকেট টিমকে এদেশে আসতে না দেওয়া সবই ওই ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। এমতাবস্থায় এম পি লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ হেতু শূণ্য আসনের উপনির্বাচন। এই নির্বাচন সরকারের পতন বা জনপ্রিয়তা নির্ধারনে কোন প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু যারা ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বয়কট করেছিলো তারা যদি এই উপ নির্বাচনে অংগ্রহন করে তবে একথা প্রমাণ হয়ে যায় তাদের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে যোগ না দেওয়া ছিলো ভুল সিদ্ধান্ত। সরকার কেন এই সুযোগ গ্রহণে তালবাহানা করছে সেটাই সবার কাছে কৌতুহল সৃষ্টি করেছে।

কাদের সিদ্দিকী ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বয়কটকারিদের অন্যতম। শুধু তাই নয় শোনা যায় কাদের সিদ্দিকীকে নির্বাচনে আনার জন্যে অনেক লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিলো। আজ সেই বঙ্গবীর নিজে থেকে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাচ্ছে তখন তাকে সুযোগ না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা কেন করা হচ্ছে তা সাধারন মানুষের বোধগয্য হচ্ছে না।

এইসরকারের কার্যক্রম দেখলে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে এই সরকারের ভিতর একটি শক্তি কাজ করছে যারা বিভিন্নভাবে সরকারকে বিতর্কিত করতে কাজ করে চলেছে। কাদের সিদ্দিকীর নমিনেশন নিয়ে যে খেলা চলছে তাতে করে এই সরকারের ভিতর সরকার বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়ে পরেছে। সরকারকে জনগনের সামনে অপদস্ত করার হীন উদ্দেশ্য নিয়েই এই চক্রটি কাজ করে চলেছে।