ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

দেশের জন্যই সব। হাসপাতাল, চাল-ডাল, নদী, নৌকা, পাল আর এতো এতো কাজটাজ সবই তো এই দেশের জন্যই। তবে কি দেশের জন্যই একটু আধটু কমিউন্যাল ফাঁপড়টাপড় দরকার হয়ে পড়ে নাকি? আম জনতা, নিন্দুক আর সুশীল, সেক্যুলারকে একটু বৈচিত্র্য চর্চার সুযোগ দেওয়া যায়? কার্তিকে-অঘ্রাণেও পৌষ মাস তবে হয় কারও কারও ঠিকই। তাহলে তো শাকের তলে এই, একদিকে সংখ্যাগুরুর উন্মত্ত রৈ-রৈ, অন্যদিকে কোণঠাসা কতিপয়রা বিপন্ন, ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রতিকার মাগে। ওদিকে উপরে আশীর্বাদ নামে অটোমেটিক। উদ্ভূত সেনসিটিভ ক্যাঁচালের সুবিচার করা চাই। মেজোরিটি, মাইনোরিটি সবাই নাগরিক। সবাই আপন।

.

তাহলে আসুন, হেমন্তের ভোর দেখি একসাথে। ছুটির দিনে একটু হাওয়া-টাওয়া খাওয়া যাক। আসুন, পার্কের বেঞ্চিতে বসে খই ভাজি। ফোনের স্ক্রিনে ভাঙা প্রতিমার ঝকঝকে ছবি দেখি আর খিস্তি করে মৌলবাদি, ধর্মান্ধগোষ্ঠীর বাকল তুলি। আহত বন্ধুকে সিমপ্যাথাইস করে বোঝাই, এতো মূর্খ একসাথে মানুষ হয় না; ধর্মান্ধরা বল্গাহীন হলে সরকারের কী বা করার থাকে! নিজেদেরকে বোঝাই, আমরা কতো অসাম্প্রদায়িক।

.

নেতারা জানেন, সাইলেন্স ইজ গোল্ডেন।