ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

[সারসংক্ষেপঃ এই লেখায় প্রথম অংশে আমি বর্ণনা করেছি নিজস্ব ইচ্ছার পাশাপাশি কেন আরো কিছু কারনে কোন ব্যক্তি বা সংগঠন ন্যায়বিরুদ্ধ কাজ করে থাকে। কে বা কারা, কেন, কীভাবে এবং কখন থেকে নিয়ন্ত্রন করে আসছে ক্রিকেটকে অল্পবিস্তর উঠে এসেছে সেই বিষয় গুলোও। এবারের গোটা বিশ্বকাপে ভারতকে অতিরিক্ত কিছু সুযোগ সুবিধা দেওয়া থেকে শুরু করে গতকালের ঘটনা গুলোর পেছনে যারাই কলকাঠি নাড়ুক না কেন তাদের সাথে ভারত যে সংযুক্ত ছিলো এটা মোটামুটি পরিস্কার। কিন্তু কী ভাবছেন বাংলাদেশের ভারতপ্রেমীরা থাকছে সেই বিষয়ে আলোচনা। সবশেষে গতকাল কেন টাইগারদের জয়ের সম্ভাবনা খুব বেশি ছিলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে সেই বিষয়টি।]

 

কেন করলো এমনটা আইসিসি?

ক্রিকেট খেলাটা একসময় দক্ষতার, অস্তিত্তের কিংবা কোন কোন দিক দিয়ে ছিলো আবেগেরও। কিন্তু তা পরিবর্তিত হয়েছে শুধুমাত্র একটি ব্যাবসায়ীক পণ্যে বেশ আগেই। যেহেতু পুজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে আমরা স্বীকার করে নিয়েছি, তাই এটাকেও আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে এবং নিজেদের অজান্তেই আমরা তা করেছিও। কোলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে যখন আমাদের সাকিব আল হাসান বাউন্ডারি হাঁকেন কিংবা চমৎকার বোলিং দক্ষতায় বেশ কয়েকটা উইকেট তুলে নেন সেগুলো আসলে তিনি বিক্রি করেছেন আয়োজকদের কাছে আর আয়োজকরা সেগুলো আরেকটু চড়া দামে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বিক্রি করেছে দর্শকদের কাছে। অর্থাৎ পুরোদস্তুর ব্যবসায়িক ব্যাপার স্যাপার।

পুঁজিবাদী অর্থ ব্যাবস্থায় পুঁজি হচ্ছে প্রভু। এই প্রভুর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট হচ্ছে যদি কেউ এটিকে অর্জন এবং ধারণ করতে পারে তার পক্ষেও অর্থনীতিতে নিজেকে প্রভু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হয়। আইসিসির সবচেয়ে বড় অর্থের যোগানদাতা ভারত। সেই সূত্রে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রধান এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রভুর আসনে বসবে সেটাই স্বাভাবিক। আর সেখানে বসে নিজের দলের পক্ষে কাজ চালিয়ে যাবে সেটাতো অতি স্বাভাবিক। তবে গতকালের ম্যাচের নোংরামীর কারন হিসেবে আরো কিছু বিষয়ের দিকে আমাদের লক্ষ্য করতে হবে।

যদি ভারত বাংলাদেশের কাছে হেরে দেশে ফিরে আসতো তাহলে আইসিসি বিশ্বব্যাপী হারাতো কম হলেও দেড়’শ কোটি দর্শক যা বাংলাদেশের সমর্থক সংখ্যার তুলনায় ঢের বেশি। গতকাল মাঠে ৫১ হাজার ৫৭১ দর্শকের মধ্যে ভারতিয়ই ছিল প্রায় ৪৫ হাজার। বিশ্বের নানা প্রান্তে অন্যান্য দলেরও সমর্থক আছে বটে কিন্তু ‘ক্রিকেট ক্রেইজি’ বলতে আসলে যেটা বোঝায় সেটির খোজ পাওয়া যায় এই ভারত আর বাংলাদেশেই। ভারতের পরাজয়ে স্টার স্পোর্স, এসএসএইচডি, স্টার ভিজেয়, এশিয়ানেটপ্লাস, জলসা মুভিজ ও সুবর্ণ প্লাস চ্যানেল গুলোর টিআরপিও কমে যেত আশঙ্কাজনক হারে। তাদের দর্শক হারানো মানে ছোট থেকে শুরু করে প্রভাবশালী ও প্রতাপশালী জায়ান্ট বহুজাতিক কোম্পানি গুলোর কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপনের দর্শক ঘাটতি। তারা কি সেটা হতে দিতে চাইবে? মনে হয় না।

নারায়নাস্বামী শ্রীনিভাসান

বর্তমানে আইসিসির চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ইন্ডিয়া সিমিন্টের কর্ণধার ধনকুবের নারায়নাস্বামী শ্রীনিভাসান। তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি এবং চেন্নাই সুপার কিং ফ্রাঞ্চাইজের মালিক। শ্রীনিভাসানের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ গুলোর ভেতর চেন্নাই সুপার কিং এর ভেতরকার দুর্নীতির সাথে তার জড়িত থাকার সন্দেহ অন্যতম। তাতে অবশ্য শ্রীনিভাসানের কিছু যায় আসে না। কারনটা আগেই বলেছি, পুঁজির মালিক প্রভু হিসেবে থাকবেন সেটাই স্বাভাবিক। আর প্রভুকে কভু শাস্তি পেতে হয় না, শাস্তি দেওয়া যায় না। তো প্রভু শ্রীনিভাসান আবার আইসিসির মহাপ্রভু। তাই, এবারের বিশ্বকাপে ভেন্যু সঙ্ক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান ও আয়োজকদের ভারতের খেলোয়াড়দের জন্য সুবিধাজনক উইকেট তৈরীর নির্দেশ প্রদানের বিষয়টির পাশাপাশি গতকালের ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের ঘটনাগুলো একেবারেই অনাকাঙ্খিত ছিলো না।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ত্রুটি নাকি ভারতপ্রেমীদের অজুহাত

আবহমান কাল ধরেই বায়ান্ন হাজার বর্গমাইলের বাংলা ভারতপন্থী ও পাকিস্তানপন্থীতে ভরপুর। এদের উত্থানকাল থেকেই তারা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষভাবাপন্ন। পাকিস্তানপন্থীরা যেমন সর্বদা পাকিস্তানের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান না করলেও কারনে অকারনে, যৌক্তিক কিংবা অযৌক্তিক উপায়ে ভারতকে তুলোধুনো করতে ছাড়ে না, একই বিষয় প্রযোয্য ভারতপন্থীদের ক্ষেত্রেও। তবে আজকে প্রসঙ্গক্রমে কথা বলবো শুধুমাত্র ভারতপন্থীদের নিয়ে। তাদের বৈশিষ্ট বর্ণনা করতে গেলে বলতে হবে, তারা সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলিয়ান বলেই নিজেদের জাহির করে বা জাহির করার চেষ্টা করে। একাত্তরের যুদ্ধে ভারতের অবদানটি থাকে তাদের একাত্তর আলোচনার কেন্দ্র জুড়ে। মাঝে মাঝে অতি ভারতপ্রীতির কারনে পেপসির ভুয়া বিজ্ঞাপনের মত তাদের মুখ থেকেও ‘ভারতই বাংলাদেশকে সৃষ্টি করেছে’ ধরণের কথা বের হয়ে আসে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যারা বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে গালে ভারতের পতাকা এঁকে ঘুরে বেড়ায় তাদের আমি এই আলোচনার বাইরে রাখছি।

গতকালকের কোয়ার্টার ফাইনালে আম্পিয়ারত্রয় যা করেছে সেই নোংরামী নিয়ে নতুন করে আলোচনার কিছু নেই। কোন একটি ইস্যুতে ভারতের দোষ নেই কি আছে তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ থাকলে ভারতপন্থীগণ উঠে পড়ে লাগেন ভারতে পক্ষে। কিন্তু পরিস্কারভাবে ও প্রকাশ্যে ভারত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির চালকের আসনে থাকাকালীন সময়ে যে সুস্পষ্ট জোচ্চুরির ঘটনা ঘটলো তার কারনে বাংলাদেশের ভারতপন্থীদের ভারতের সাফাই গাওয়া কোন উপায় নেই। কিন্তু ভারতের পিঠ বাঁচানোর কাজে তারা বরাবরের মতই সচেষ্ট এক্ষেত্রেও।

কীভাবে? তারা চেষ্টা চালাচ্ছেন অন্যদের ঘাড়েও কিছুটা দোষ চাপাতে। বরাবরের মত অকারনেই টেনে আনছেন পাকিস্তানের সমালোচনা। তাদের ধারণা আলিম দার পাকিস্তানি বলেই এই কাজ করেছেন। আর গোল্ড নিয়েছেন আগের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারানোর প্রতিশোধ। বেশ হাস্যকর মন্তব্য এটি। তাদের কথাই যদি সত্য হতো এতক্ষনে এই দুই জন আম্পায়ার সহ থার্ড আম্পায়ারকেও নিষিদ্ধ করতো আইসিসি। এধরণের কাজে আইসিসি ইদানিং তেমন দেরি করছে না। যেমন মাশরাফি গতকাল খেলা শেষ হবার আগেই পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়ে বসে আছেন। একজন আম্পায়ারের যদি স্বাধীনভাবে জোচ্চুরি করার ক্ষমতা থাকতো তাহলে একজন পাকিস্তানি অন্তত ভারতের পক্ষে কাজ করবেন না এটা সকলেই বোঝেন ভারতপ্রেমীরা ছাড়া। এছাড়াও তারা বলছেন বাংলাদেশের নিজস্ব উল্লেখযোগ্য কিছু সমস্যা ছিলো। যেমন ফিল্ডিং মিস করছিলো খেলোয়াড়রা। আর ব্যাটিং লাইনও তেমন কোন সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারেনি আজকে, কোয়ার্টার ফাইনালের মত ম্যাচে ইমরুল কায়েস কেন বোঝেননি রান নেওয়া উচিৎ কি উচিৎ নয়, ইত্যাদি ইত্যাদি। হ্যা, এগুলো হয়েছিলো আমরা জানি, কিন্তু কেন হয়েছিলো? আসুন দেখা যাক।

জিততে পারতো টাইগাররা

এক মিলিমিটারের এলবিডব্লিউ 10344794_1089797261046153_1754102852948692867_n

আম্পায়ারের মোট তিনটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা আপত্তি তুলেছি। সেগুলোর ভেতর প্রথমটা হয়েছিলো ৩৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে। মাশরাফির এলবিডব্লিউ এর আবেদন ইয়ান গোল্ড নাকচ করে দিলে রিভিউ নেওয়া হয়। আমাদের বোঝানো হলো এলবিডব্লিউ নিয়ম। সেটা অনুসারে বল লেগ স্টাম্পের লাইনের বাইরে ফেলা যাবে না। লেগ স্টাম্পের বাইরে বল পড়লে প্রথম দফাতেই এলবিডাব্লিউর আবেদন নাকচ হবে। মাশরাফির বলটা ঠিক পুরোপুরি লেগ স্টাম্পের বাইরেও ছিল না। অর্ধেকেরও সামান্য বেশি ছিল লেগ স্টাম্পের লাইনেই। কয়েক মিলিমিটারের ব্যাবধান! কিন্তু নিয়ম হচ্ছে নিয়ম। তারা তো আর নিয়মের বাইরে যেতে পারেন না। অবশ্য ক্রিকইনফো লিখেছে, এটা অনেক ক্লোজ একটা আবেদন ছিল। ৫১ শতাংশই আউট! আমরা মনে করলাম সবকিছু নিখুঁত বিচার বিশ্লেষণ হচ্ছে। এক মিলিমিটারও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। ভাবলাম বেশতো।

ঐতিহাসিক নো-বলকিন্তু কিছুক্ষণ বাদেই মাঠে নতুন চমক দেখা গেলো। বাংলাদেশ কিংবা ভারতের কোন খেলোয়াড় নয়, চমক দেখালেন আম্পায়ার আলিম দার ও ইয়ান গোল্ড। ৪০তম ওভারের চতুর্থ বলটি ফুলটস দিয়েছিলেন রুবেল। বলটিতে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দেন রোহিত। কিন্তু লেগ আম্পায়ার দার বোলিং প্রান্তে থাকা ইয়ান গোল্ডকে নো বলের সঙ্কেত দেন। এরপর থেকেই হতবাক হওয়া ক্রিকেটারদের বোলিং-ফিল্ডিং সবই যায় এলেমেলো হয়ে। বডি ল্যাঙ্গুয়েজে স্পষ্টতই তা প্রকাশিত হতে শুরু করে। তাদের মাথায় যখন এটি ঢুকে গেল যে আসলে ভারতের বিপক্ষে নয়, তারা খেলছে আইসিসির বিপক্ষে তখন যুদ্ধটা চালিয়ে যেতে আর ইচ্ছা করে না। গতকালের সহজ মিসফিল্ডিং গুলো হবার পেছনে দ্বিতীয় কোন কারন নেই। এই হতাশার ছায়া এড়াতে পারেনি এই বিশ্বকাপে বেশ ভালো ফর্মে থাকা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনও। মাশরাফি ভদ্র মানুষ, ক্রিকেটকে ‘ভদ্রলোকের খেলা’ মেনে তিনি যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন পুরোটা সময় জুড়ে। তাঁর স্থানে আমি হলে হয়তো ঐতিহাসিক নো-বলটি হওয়ার সাথে সাথেই মাঠ ছেড়ে বের হয়ে যেতাম।

এতো গেলো মনস্তাত্ত্বিক দিকটি। এবার অন্যভাবে দেখা যাক। ফিরে যাই আবারো সেই ৩৪তম ওভারে। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সুরেশ রায়না তখনো রান পেতে হাঁসফাঁস করছেন। ভারত হারিয়ে ফেলেছে ৩ উইকেট। এমন সময় আম্পায়ারগণ তার প্রতি প্রসণ্ণ থাকায় ফিরে পেলেন জীবন। সেই রায়না করেন ৬৫ রান। রোহিত শর্মার সাথে তার শত রানের জুটিই জীবন ফিরিয়ে দেয় ভারতকে। আর ৪০তম ওভারে ৯০ রানে থাকা রোহিত শর্মা আম্পায়ারের বদান্যতায় বেঁচে গেলেন। ভুয়া নো বলের সুযোগে মাত্র ২৫ বলে করলেন আরো অতিরিক্ত ৪৭ রান। এই ঘটনাটি কি ম্যাচ ঘোরানোর জন্য যথেষ্ট ছিলো না? ক্রিকইনফো অবশ্য টুইট করেছে, ‘ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ তোলেন রোহিত শর্মা। উচ্চতার জন্য নো-বল দেওয়া হলো, কিন্তু তাই ছিল কি? ম্যাচের ফল নির্ধারণী সিদ্ধান্ত হতে পারে এটি।” বলতে গেলে রোহিত শর্মা একাই ধরে রেখেছিলো রানে চাকা। শুধু রোহিত শর্মা আটকে যাওয়া মানে কিন্তু ছিলো গতকাল ভারতের ২৬০ থেকে ২৭০ রানের ভেতর আটকে যাওয়া। খুবকি কঠিন কিছু ছিলো ব্যাটস ম্যানদের জন্য?

থার্ড আম্পায়ার স্টিভ ডেভিসের ক্যারিশমা এবার বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনের দিকে তাকানো যাক। চাপের উপর চাপ নিয়ে দিশেহারা বাংলাদেশ। তামিম আর ইমরুল কায়েসকে আমরা গোনায় ধরি না। ২৫ বলে যে ২৫ রান তামিম করেছেন তা ছিলো আমাদের জন্য বোনাস। সোম্য, সাকিব কিংবা মুশফিক মোটেও ব্যাটে বলে মেলাতে পারিছলেন না। কিন্তু ঠান্ডা মাথার মাহামুল্লাহকে মনে হয়েছে অন্যরকম। বেশ খেলছিলেন তিনি। ধাওয়ান ক্যাচ ধরতে গিয়ে বেশ ভেল্কি দেখিয়েছিন বটে কিন্তু থার্ড আম্পায়ার স্টিভ ডেভিসের ভেল্কির নিচে অনায়াসে চাপা পড়ে যায় সেটি। পুরো বিশ্ব গতকাল খেলোয়াড়দের খেলা নয়, দেখেছে আম্পায়ারদের খেলা।

তারমানে দাঁড়ায় ভারতপন্থীরা আমাদের দলের খেলোয়াড়দের প্রতি যে বিষেদাগার করছেন তার পেছনে নেই কোন যুক্তি, আছে ভারত প্রভুর কুকর্মটি হালকা করে তোলার কিঞ্চিৎ প্রয়াস।

ছোটবেলার সেই গলি ক্রিকেটের কথা বলে শেষ করবো। আমাদের নিজস্ব কিছু নিয়ম ছিলো। ফাস্ট বল অতিরিক্ত গতিতে আসলে আর স্পিন বল বেশি টার্নরলেও সেটা নো-বল হিসেবে ধরা হতো। ভারতীয় বাদে অন্যান্য দলের বোলারদের জন্য আইসিসি এই নিয়ম চালু করতে পারে। তাতে আমরা সংগঠনটিকে জোচ্চোর বলেও গাল দিতে পারবো না, কারন সব কিছু নিয়মের ভেতরে থেকেই হবে, সেইসাথে ভারত প্রভুর সেবাও করা সম্ভব হবে। তবে ক্রিকেট হারাবে তার আবেদন। গতকাল বাংলাদেশের আদতে তেমন কোন ক্ষতি হয়নি, যা হবার হয়েছে ক্রিকেটের।