ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

শ্রীমঙ্গলে বিজিবির সাথে ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ জনতার সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ৬ জন, আহত হয়েছে ১৬ জনের বেশি। ভাঙ্গা হয়েছে শতাধিক দোকানপাট ও শতাধিক গাড়ি। ভাংচুরের হাত থেকে রক্ষা পায়নি এম্বুলেন্স, তেলের পাম্প, হোটেল ও হাসপাতালও। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। এক বিজিবির সদস্যের/কর্মকর্তার সাথে এক পরিবহন শ্রমিক/সাধারণ লোকের বাকবিতন্ডা/হাতাহাতি হয়েছে। এই খবর বিজিবির ব্যরাকে পৌঁছা মাত্রই শ্রীমঙ্গলজুড়ে শুরু হলো বিজিবির তাণ্ডব।

শহরের প্রতিটি পয়েন্টে বিজিবি অবস্থান নিয়ে শুরু করে দেদারছে লাটিপেটা ও ভাংচুর। নিরাপরাধ ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের ভাংচুর ও তাদের উপর হামলা দেখে প্রথমে থামানোর চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে পরে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ বিজিবির বিপক্ষে প্রতিবাদ করে। শুরু হয় তুমুল সংঘর্ষ। পরে পুলিশ ও র‌্যাব এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।

কিন্তু বিক্ষুদ্ধ জনতা ক্ষোভ ঝাড়ে তাদের সাথেও। বর্তমানে সংঘর্ষ থামলেও পরিস্থিতি থমথমে। এলাকাবাসী বলছে, বিজিবি সশস্ত্র অবস্থায় সেখানে দেড় ঘন্টাব্যাপী তান্ডব চালিয়েছে। বিজিবির বন্দুকের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৬ জন। আহত কমপক্ষে ১৬ জন। বিজিবি বলছে, এবিষয়ে তারা সাংবাদিক সম্মেলন করবে।

প্রশ্ন হলো, বিজিবির মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ বাহিনী, যারা কিনা দেশ পাহারা দেয়, তারা কি করে সাধারণ মানুষের সাথে এমন সংঘর্ষে জড়াতে পারলো? এত ক্ষতি সাধন করতে পারলো? যে ব্যক্তির সাথে প্রথমে ঝগড়া হয়েছিল তাকে খুঁজে বের করে ১০০ বার শাস্তি দিন। কিন্তু নিরপরাধ ব্যবসায়ী ও জনতার কি দোষ?

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এইযে ঘটনাটা ঘটলো, এটা কি খবর হওয়ার যোগ্য কিনা। অবশ্যই যোগ্য। ‍শুধু যোগ্যই নয়, গুরুত্বপূর্ণ খবর এটি। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এখনো কোন অনলাইন পত্রিকায়/টিভিতে এবিষয়ে কোন খবর নেই কেন? তাহলে কি আমরা প্রশ্ন করতে পারিনা যে, সাংবাদিকরা কেন খবরটি চেপে গিয়েছেন? সাংবাদিকরা কি সবাই তাহলে ম্যানেজড?