ক্যাটেগরিঃ ইতিহাস-ঐতিহ্য

 

মন ভালো নেই
—- হেইয়া
ও সখিনার মা
—- হেইয়া
বৈশাখ মাসে
—- হেইয়া
বাড়িত আমু
—- হেইয়া।

ভালো লাগছিল এমন সুরালো গ্রাম্য গানগুলো শুনে। গানগুলো শুনে মনে হলে এ গানগুলো কেবল এদেরই সৃষ্টি। এ গানগুলো আমাদের ঐতিহ্যের মূল্যবান সম্পদ। গল্পাকৃতির এ গানগুলো ঠিক লিচির মত রসালাে। আফসোস এ গানগুলো হারিয়ে গেছে এবং যা কেবল একটা গোত্রে সীমাবদ্ধ রয়েছে আমাদের অবহেলা ও নিচু প্রকৃতির মানসিকতার জন্য। আমরা দূর হতে এ গানগুলো শুনে থমকে দাঁড়াই রসের ঢেঁকি গিলার জন্য। রস গিলে ভুলে যাই রসের দাম ও রসদাতার কথা।

আফসোস! আমরা সংস্কৃতির হাজারো কথা বলি। সভা সেমিনার করি, কিন্ত এ গানগুলোর কথা কেউ বলিনা বা দলভুক্ত করিনা। ডিপ টিউবয়েল এখন শহরে বসানোর হিড়িক কিছুটা আছে। কারন এখানে সরকারি পানি দারুন সল্পতা রয়েছে। যারা ডিপ টিউবয়েল বসানোর কাজ করে তারা বিসমিল্লাহ বলে কাজ শুরু করে। এরপর মাঝে মধ্যে কাজে বৈচিত্র ও উদ্দোম তৈরি করতে তারা নিজ্বস্ব গানগুলো গায়। তাই হয়তো এমন গল্পগান গুলো শুনে আমরা এখনো আনন্দ পাই। কিন্তু যেদিন এ ডিপ টিউবয়েল বসানো বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন কি এ গানগুলোও হারিয়ে যাবে?

আর আমাদের নিজ্বস্বতার খাতায় আরেকটা তারাকে হারানোর প্রহর লিপিবদ্ধ করতে হবে? প্রশ্ন আপনার কাছে।