ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

তারিক সালমানের দোষটা কি তা আমরা সাধারন জনতা ঠিকই আন্দাজ করে ফেলেছি। তারিক সালমান ব্যাটা একখান ব্যাটাই। যিনি তারিকের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতির মামলাখান ঠুকলেন তিনি মাগার একখান অরজিনাল চামচা বা দালাল বা জনগনের টাকা আত্মসাৎকারী। যার কুকর্মের কাছে তারিক সালমানের মত সৎ ও দেশপ্রেমিক অফিসারেরা মাথা নত করেনা।

পাগলেও বোঝে ছোট্ট বাচ্চারা (৫-১০ বছরের বাচ্চা) চাইলেও বঙ্গবন্ধুর ছবি এর চেয়ে ভালো করে আঁকতে পারেনা! তারা মনের মাধুরীতে কোমলতা মিশিয়ে আকাশের সাত রং চোখে ধারন করে ছবি আঁকে। বোঝা উচিত ছিল যে, এ বাচ্চারা এখনি তো বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে আঁকতে তাকে হৃদয়ে ধারন করবে, তাই তাদেরকে ভয় না দেখিয়ে বরং উৎসাহ দেই। টিএনও সাহেব তো বাচ্চাদের উৎসাহ দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে তাদের স্বপ্নের নায়ক বানিয়ে আগামী দিনের দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চেয়েছে। তাই তো তিনি স্বাধীনতা দিবসে বাচ্চাদের আঁকা ছবিতে দাওয়াতী কার্ড তৈরি করেছেন।

এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার যে এ মামলাটিতে পুরোপুরি মামলাকারীর স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে বৈ জাতির ক্ষতি ছাড়া কোন স্বার্থই নেই! এ মামলার কারনে জাতির এক বিশাল ক্ষতি তো অবশ্যই হয়েছে। কেননা ছোট্ট বাচ্চারা এখন বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে ভয় পাবে এজন্য যে যদি আবার তাদের বিরুদ্ধে বিকৃতকারী হিসেবে মামলা হয়!

আর এতে করে এখন দেখা যাবে এ বাচ্চারা যে ভয় এখন পেল সে সুযোগে দেশদ্রোহী, স্বাধীনতা বিরোধীরা এসব বাচ্চাদের ব্রেনে পঁচা গন্ধ ঢোকানোর অপচেষ্টা করবে খুব সহজে।


সবার নিকট একটা অনুরোধ, সবার নেতা বঙ্গবন্ধুকে সবার হৃদয়ে থাকতে দিন, তাকে কেউ বিতর্কিত করবেন না ।