ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

আজ মঙ্গলবার প্রতিটি জাতীয় ও স্থানী দৈনিক পত্রিকাগুলোতে দেখা গেছে কেশবপুর শহরের ভূমি অফিসের সামনে বছরের পর বছর জমির প্রকৃত মালিকের নিকট থেকে অগ্রিম ও মাসিক ভাড়া দিয়ে আটজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ব্যবসা করে আসছে। মালিকের নাম মহসীন খান। সম্প্রতি হাবাসপোল গ্রামের আকরাম তার স্ত্রীর জমি দাবি করে উপজেলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ নেতা নাহিদ ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী পাচুর নিকট বিক্রি করেছে বলে শোনা গেছে। সেখানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়সহ অন্যরা একই সাথে ঘর নির্মান করছে।

রবিরার রাতে একদল সন্ত্রাসী ওই জমির ওপর থাকা ব্যবসায়ীদের সকল দোকান ভাংচুর করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। দোকানের যাবতীয় মালামাল ও নগদ টাকা পয়সা লুটপাট করে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। থানার একেবারে নিকটে হলেও পুলিশ কোন ভূমিকা নেয়নি। ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থাকা সন্ত্রাসীদের ভয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করার সাহসও পাচ্ছে না। দোকানদার মফিজুর, হাফিজুর, মশিয়ার, করিমসহ সবায় জানায় তাদের এখন পথে বসেছে।

প্রত্রিকার ভাষায় বলা হয়েছে, সরকার দলীয় লোকজন ওই জমির ওপর যৌথভাবে ব্লিডিং নির্মাণ করছে। জমি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলছে বলে থানার ওসি কাছ থেকে জানা গেছে। তারা লোক দিযে রাতের আধারে অসহায় দরীদ্র ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ বন্ধ করে দোকান পাট উচ্ছেদ করে তাদের সর্বস্ব লুট করে নিয়ে গেছে। তাদের উচ্ছেদ করার আর কি কোন উপায় ছিল না ? যারা এমনভাবে রাতের বেলা এই অসহায় লোক গুলোর রুটি রুজি পথ বন্ধ করে দিল এবং তাদের সর্বস্ব লুটে নিল তাদের পাশে দাড়ানো মতো কি কেউ এগিয়ে আসবে না ? ক্ষতিগ্রস্তরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে লিখিত অভিযোগ করেছে। সাংবাদিকদের কাছে লিখিত দিয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যানে কাছে গিয়েছে। অথচ এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। এ কী বর্বরতা !

কবির হোসেন
জনকণ্ঠ
কেশবপুর।