ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

রবিবার দৈনিক সমকাল পত্রিকায় কেশবপুরের আওয়ামী লীগের নানা অনিয়ম দূনীতি নিয়ে যশোরের প্রতিনিধি একটি রিপোট প্রকাশ করেছেন। সেখানে স্থানীয় এমপি হুইপ শেখ ওহাব এবং আওয়ামী লীগের নেতাদের ক্ষমতার দাপট, অর্থ বানিজ্যসহ নানা অপকর্মের কথা লেখা হয়েছে যা কেশবপুর বাসীর কাছে দিবালোকের মতো সত্য। কেশবপুরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন টাকার বিনিময়ে চাকুরি হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক সভাপতি নিযুক্ত। সন্ত্রাস চলছে সর্বত্র। সম্প্রতি শহরের আটটি ক্ষুদ্র ব্যব্সা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের অভিযোগ তাদের ওপর গিয়ে পড়েছে। বিল,খাল,নদী দখল করে মাছ চাষ হচ্ছে। আলোচিত হাতুড়ি বাহিনী তাদের দলীয় পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এমন নানা অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। মাননীয় হুইপ সাহেব কি কোন দিন এগুলো শোনেননি ? আর যদি না শোনেন তা তো তারই ব্যর্থতা। কারন তিনি এখানকার প্রধান। তার দলের লোক না হোক কেশবপুরের যারা এগুলো করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এবং কেশবপুরের ভাল মন্দ দেখার দায়িত্ব তো তাঁর ওপর গিয়েই পড়ে। স্থানীয় সাংবাদিকরা প্রায়ই তাদের কর্মকান্ড ও অঘটন প্রচার করছে আর তাদের রোষানলে পড়ছে।

আজ সোমবার উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সমকালের প্রকাশিত রিপোট মিথ্যা দাবী করে তারা স্থানীয় ত্রিমোহিনী মোড়ে সমকাল পত্রিকা পুড়িয়ে প্রতিবাদ সভা করেছে। সেখানে স্থানীয় সাংবাদিকদের আক্রমন করে বক্তব্য দেয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তারা প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

“ঠাকুর ঘরে কে আমি কলা খায় না ” ঘটনার মতো উপজেলা আওয়ামী লীগ আজ যা করছে তা যদি তাদের নিজেদের সুধরানোর জন্য হয় তা হলে তো ভাল হবে। আর যদি খারাপ কর্ম করে জনসমুখে ভাল সাজার জন্য প্রচারের কৌশল নেয় হয় তাতে আওয়ামী লীগেরই ক্ষতি হবে। কারন ক্ষমতা তো চিরদিন থাকবে না। জনগনের আশা আকাংখার দিকে তাদের নজর দেবারও দরকার আছে সেটা ভুলে গেলে জনগন হয়তো উচিত জবাব দিতে ভুল করবে না !

কবির হোসেন
জনকণ্ঠ
কেশবপুর।