ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

Kyauk Pyu কে বাংলায় কি বলা যায়? কাউক পাউ? উচ্চারণ যদি ঠিক নাও হয় এ শহরের এখন কিছু যায় আসে না। প্রায় মৃতপুরি এই শহরের চিত্র উঠে এসেছে উপরের স্যাটেলাইট ইমেজে [সূত্র: হিউম্যান রাইট ওয়াচ]। বার্মার উপকূলীয় অঞ্চলের এই শহরে ৮১১টার মত ধ্বংষযজ্ঞ ইমেজটিতে বোঝা যায় যা ছড়িয়ে আছে ৩৫ একর জায়গা জুড়ে। ৬৩৩টার মত ভবন গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বার্মিজ সরকারই বলেছিলো এ শহর ছাড়া প্রায় সমগ্র আরাকানে নতুন করে শুরু হওয়া এই রোহিঙ্গা-নিধনে ২৮০০ এর মত বাড়ীঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং ১১২ এর মত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। পরে অবশ্য তারা এ সংখ্যাটি ৬৪ হবে বলে জানায়।

Aung Aung ‏(@Aungaungsittwe) বাংলায় ‘অঙ অঙ’ নামে একজন টুইটার ব্যবহারকারী আরাকানে রোহিঙ্গাদের উপরে আক্রমনের তাৎক্ষণিক তথ্য দিচ্ছেন। যেমন তার সর্বশেষ টুইটে তিনি জানিয়েছেন [১০.৩০ পিএম, ২৮ই অক্টোবর],

“Just now I got a message that Rakhine are planning to set fire in Plawa township of Arakan State tonight.”

[এই মাত্র খবর পেলাম রাখাইনরা প্লাওয়া শহরে রাত্রিবেলা আগুন দেবার পরিকল্পনা করছে]

তার পূর্বের টুইটগুলো আরো ভয়ংকর খবর দিয়েছে। কিছুক্ষণ আগে অঙ অঙ কে গ্রেফতার করা হয়েছিলো। সে সম্ভবত আরাকানের রাজধানী sittwe (সিত্তায়ে) এ থেকে টুইট করছে।

তার আরো কয়েকটা টুইট,

Rhingya Genocide is worse than Rwanda now, killing, burning, torturing is military, nasaka, Rakhine militants, mobs’ main job everyday.

[রোহিঙ্গা জেনোসাইড এখন রুয়ান্ডার থেকেও ভয়ংকর। হত্যা, আগুন দেয়া ও অত্যচার করা এখন মিলিটারি, নাসাকা, রাখাইন মিলিশিয়া ও উন্মত্ত জনতার প্রতিদিনের কাজ]।

তার ধারণা প্রায় ৩৭০০ রোহিঙ্গা এ পর্যন্ত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে। [After deduction of all information, we came to know that at least 3700 Rohingya were killed, some are floating in the rivers]।

২০ শে অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হয়েছে বলে জানাচ্ছেন অঙঅঙ। এবারের মিশন আরাকান থেকে রোহিঙ্গাদের পরিপূর্ণভাবে উৎখাত করা। চোখের সামনে এমন গণহত্যা সংগঠিত হচ্ছে এবং আমরা বাঙালীরা এই দেশে বসে কি কিছুই করবো না?