ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অবদান সেই বিখ্যাত আইসিটি অ্যাক্ট আর তার ৫৭ নম্বর ধারা। যেই অ্যাক্টের অধীনে ধর্মানুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে অনেক ব্লগারদের গ্রেফতার এবং অনেককে দেশ ছাড়া করা হয়েছে। অনেকের শাস্তি হয়েছে। অনেকে ঝুলছে। শুধু ব্লগার না, কেবলমাত্র লাইক প্রদান করার কারণে বেশ কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বরিশাল জেলায় গ্রেফতার ও নির্যাতন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। একাধিক ব্লগারকে হত্যা করেছে। পিটিয়েছে। কুপিয়েছে।

৫৭ নম্বর ধারার প্রয়োগকারী মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অনলাইনে নয়, জীবনলাইনের বক্তৃতায় ধর্মানুভূতিতে আঘাত করেছেন। নিশ্চয়ই তিনি অনুধাবন করতে পারছেন ‘ধর্মানুভূতিতে আঘাত’ এ প্রকৃতপক্ষে ধর্মের কোন আঘাত হয় না। ক্ষতিগ্রস্থ হয় না। অহেতুক এই ৫৭ ধারার নামে বাক স্বাধীনতাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

নাকি মন্ত্রী সাহেব এখন ৫৭ ধারায় নিজেই ঝুলে পড়ে প্রমাণ করবেন ৫৭ ধারা কেন সংশোধন করা প্রয়োজন?

সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি বলেন নি কিছু কিন্তু তার বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই আমরা দেখছি বলে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়ানোর দায়িত্ব তিনি তো আর অস্বীকার করতে পারেন না?