ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

বিটিভির আমরা কি না সমালোচনা করেছি একসময়। তারপরে স্যাটালাইট চ্যানেল এলো। বিটিভিকে একপ্রকার বাতিল করে দিয়ে অন্য সব চ্যানেল দেখি। ফ্লিপ করতে গিয়ে যদি ভুলে বিটিভিতে চোখ পড়ে যায় মহাপাপ হবার মত করে, জিভ কেটে অন্য চ্যানেলে যাই। বিটিভি দেখা একটা খ্যাতত্বের পরিচয় জ্ঞাপকও। আধুনিক জীবনযাপনে বিটিভি দেখা, বিটিভির অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করা একদমই যায় না। স্ট্যাটাসের সাথে ঠিক যায় না।

তবে ইদানীং নিয়মিত টিভি দেখছি বলে বিভিন্ন চ্যানেলগুলো অনবরত দেখছি। এবং চোখে পড়ছে উপস্থাপনা থেকে শুরু করে নরমাল কারিগরি মানের বিশাল ধস। বিটিভির যে সমালোচনা করতাম বেশীরভাগ স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর ক্ষেত্রে সেই সমালোচনা করা যায়। আদৌ কি কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন কোন মানুষ এইসব চ্যানেলে কাজ করে? অডিয়েন্সের রুচি বা বিরক্তি কি এইসব চ্যানেলের পরিচালকরা বোঝে?

প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে বিটিভিতে পরীক্ষণমূলক চোখ রাখলাম। এবং আমি যেনো চমকে উঠলাম। সম্পূর্ণ নতুন এক বিটিভি। উপস্থাপনা, কারিগরি মান – এক কথায় থাউজেন্ডস টাইম বেটার। স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোকে রীতিমত পাড়াগাঁয়ের চ্যানেল মনে হচ্ছে!

বিটিভি যদি তার গানের অনুষ্ঠানগুলো ইউটিউবে ছাড়ে আমি নিশ্চিত তা এমটিভির কোক স্টুডিও’র থেকে বেশী জনপ্রিয় হবে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে।