ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

রাজনৈতিক অস্থিরতা ধীরগতিতে আমার ভেতর অস্বস্ত্বি তৈরি করতে শুরু করেছে। রাষ্ট্র-মনস্তত্ব ব্যক্তি-মনস্তত্বে আসতে কিছু সময় লাগে। যখন চলে আসে তখন রাষ্ট্র-মনস্তত্ব নিজেদের পরিবর্তন করে ফেলে বা পরিবর্তিত হতে বাধ্য হয়। দীর্ঘদিন যাবত রাষ্ট্র-মনস্তত্ব যদি অস্থির থাকে তবে তা ব্যক্তি-মনস্তত্বকে অস্থির করে ফেলে। এখন আমার সেই কাল শুরু হয়েছে। অন্যদেরও তেমন হবার কথা।

অটোক্রেটিসিজমের মূল সমস্যা হলো এটা কেন্দ্র থেকে পেরিফেরিতে ছড়িয়ে যায়। সরকারের প্রধান ব্যক্তি যখন অটোক্রেটিক হয় তখন তার অধস্তনদের মধ্যে সেটা অনুকরণীয় আদর্শিক নিয়মানুবর্তিতা হিসাবে পরিচালিত ও বাধ্যগত হয়। ক্রমশ অধস্তনদের প্রভাবশালী অংশের অটোক্রেটিসিজম তার নেক্সট লেভেল স্থানীয় পর্যায়ে বিস্তার ঘটায়, আদর্শায়ন ঘটায়। এবং ঠিক তখনই অটোক্রেটিজমের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

স্থানীয় পর্যায়ের অটোক্রেটিসিজম কেন্দ্রের অটোক্রেটিসিজমের সাথে যে কোনো সময়ে সংঘাতে জড়িয়ে চেইন অব কনট্রোল ভেঙে ফেলতে পারে। এটা ইচ্ছাকৃত নয়, অটোমেটেড – হবেই। ঠিক তখন অটোক্রেটেসিজম নিজেই নিজেকে খেয়ে ফেলে এবং সেলফ এক্সপ্লোড করে আত্মাহুতি দেয়।

এই অস্থির-সময় সহ্যসীমার শেষে যাবার আগেই যদি না কমানো হয় তবে একদিকে আমার মত জনগণ বিচ্ছিন্ন হবে সরকার থেকে এবং অন্যদিকে অটোক্রেটেসিজমের প্লেয়াররা নিজেরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে পেরিফেরি থেকে।

তখন যেকোনো কলাগাছকেও সমর্থন করতে শুরু করতে পারে মানুষ। ব্যক্তি-মনস্তত্বে এমন ঘটা খুবই সম্ভব।