ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 
02_Bus+fire_Parliament_180115_0004

বাসে পেট্রোল বোমা মেরে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারা হচ্ছে। সরকারের দাবী এর জন্য দায়ি বিরোধী দল – বিরোধী দল নীলনকশা করে তাদের ক্যাডার বা ভাড়াটে গুণ্ডা-পাণ্ডাদের দিয়ে বাসে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ মারছে। বিরোধী দলের দাবী, ঠিক উল্টো, তারা বলছেন সরকার নিজেই নাশকতা করে বিরোধী দলের উপরে দোষ চাপাচ্ছে।

তারমানে যদি সরকারী দল নিক্ষেপ করে বিরোধী দলকে চাপায় তাহলে তারা এটা সরকারের দিকে ঠেলে দিতে পারছে। আবার বিরোধী দল নিক্ষেপ করে যদি সরকারকে চাপায় সরকার আবার এটা বিরোধী দলের দিকে বাউন্স ব্যাক করিয়ে দিতে পারছে। উভয় দল মনে করছে যত বেশি পেট্রোল-বোমা-ত্রাস হবে তত বেশী প্রতিপক্ষ নড়বড়ে হবে।

কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা সত্য নয়। যত বেশী পেট্রোল-বোমা-সন্ত্রাস ঘটবে নড়বড়ে হবে একমাত্র সরকার-পক্ষই। যে-ই নীলনকশা করুক না, মানুষ নিরাপত্তা চায় সরকারের কাছে, বিরোধী দলের কাছে না। সরকারী দলের লোকজন এটা বুঝবে না এত গাধা তারা হয়নি – নিজেরা পেট্রোল-বোমা-সন্ত্রাস যদি পূর্বে করেও থাকে তবে বড় ভুল করে ফেলেছে। সাময়িকভাবে সে পেট্রোল-বোমা-ত্রাস কার্যকরী হলেও এখন এই পদ্ধতি বিরোধী দল লাগাতারা প্রয়োগ করলে সরকার যে টালমাটাল হয়ে যাবে এটা খুবই সহজ-বোধগম্য।

পেট্রোল-বোমা-সন্ত্রাসের এখন পরিকল্পক ও বাস্তবায়নকারী যে দলই হোক না কেনো, জনগণকে বিভীষিকার মধ্যে ফেলার সম্পূর্ণ দায়ভার এখন এই সরকারকে বহন করতে হবে। কিভাবে তারা মুক্তি দিবেন জনগণকে সেটা তাদের বিষয় – কিন্তু মুক্তি যে এ মুহূর্তেই দিতে হবে এটা হচ্ছে সময়ের কঠোর চিৎকার। যত দেরী হবে – জনগণই সরকারকে মুক্তি দেবার ব্যবস্থা করবে নিশ্চিত।