ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, রাজনীতি

 

একজন সন্দিগ্ধ ব্লগার মন্তব্য করেছেন, “ভারত আমাদের পানি দিবে না। এটাই সত্য। অথচ ওরা আমাদের থেকে করিডোর, বন্দর সবই নিবে এটাও চরম সত্য। কারণ ভারত এক বিশাল পরাশক্তি, আমরা তাদের কাছে অসহায়। সাথে আছে আমাদের নতজানু ভারত প্রীতি।” এমন আশংকা গ্রন্থ বোধহয় সবাই। কিন্তু ট্রাম্পকার্ড যে বাংলাদেশের হাতে নিশ্চিতভাবেই বলে দেয়া যায়।

অথচ সরকারের প্রধান দুই উপদেষ্টা এবিষয়ে একপ্রকার বিকারহীন। তাদের বক্তব্যও ভয়ংকর রকমের কৌতুকপ্রদ। যেমনটি আনু মুহাম্মদ লিখেছেন,

বাংলাদেশের পক্ষ হয়ে ভারতের সাথে সব চুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুজন উপদেষ্টা বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাঁরা ইতিমধ্যে অনেক কথা বলেছেন, তা থেকে পরিষ্কার হয়েছে যে, যেকাজে তাঁরা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাতে বাংলাদেশের স্বার্থ বিষয় তাদেঁর কাছে বোধগম্য নয়। আরও পরিষ্কার হয়েছে যে, তাঁরা যেকোন মূল্যে চুক্তি করতে অতি আগ্রহী, এবং নিশ্চিত যে, ভারতই বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে। উপদেষ্টা মশিউর রহমান এতদূর বললেন যে, সভ্যদেশ হিসাবে বাংলাদেশ ট্রানজিট ফি চাইতেই পারে না। অবশ্য পরে ফি নির্ধারণের জন্য কমিটি করা হয়েছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ট্রানজিট নিয়ে নতুন কোন চুক্তিরই দরকার নেই, ১৯৭২ সালেই সব চুক্তি করা আছে! যাদের দরকষাকষি করবার কথা, তারাই যদি আগে থেকে বলতে থাকেন এতে বাংলাদেশেরই লাভ হবে, তাহলে দরকষাকষির আর কী সুযোগ থাকে?

অথচ সুবিধাটা দেখুন কাদের বেশী? আবারও আনু মুহাম্মদ থেকে উদ্ধৃতি করছি:

………… বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ যদি ভারতকে এই সুবিধা দেয় তাহলে ভারতের পরিবহণ ব্যয় কমে যাবে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি, অর্থাৎ আগে যে পণ্য পরিবহণে খরচ হতো ১০০ টাকা তার খরচ দাঁড়াবে ৩০ টাকারও কম। এছাড়া সময় লাগবে আগের তুলনায় ২৫ শতাংশ, বা চারভাগের এক ভাগ। এই সময় ও অর্থ সাশ্রয় বহুগুণে তাদের অর্থনেতিক সম্পদ ও সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে কাজে লাগবে। ভারতের এত লাভ যেখানে, বাংলাদেশের সেখানে প্রাপ্তি কী? আমাদের সার্ভিস ও অবকাঠামোর সুযোগ ব্যয় কত? কী কী লাভ, আর কী কী ক্ষতি বা সমস্যা? কোনটার চাইতে কোনটা বেশি?

ওয়েবস্ফিয়ারে শত শত পোস্ট ও হাজারো কমেন্ট রচিত হচ্ছে। যার পুরোটা জুড়ে শঙ্কা ও প্রত্যাশার দোলাচাল। তবে এটা স্পষ্ট যে ‘এক্সেস টু ইনফরমেশন’ কেবলই বোলচাল, প্রকৃতপক্ষে আমরা কিছুই জানি না। ফলে নজর রাখতে হচ্ছে ওয়েবে। যেমন মনমোহন সিংহের সফরসূচি তুলে ধরেছেন একজন ব্লগার। হুবহু তুলে দেয়া হলো নিচে:

৬ সেপ্টেম্বর:
সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে মনমোহন সিং এবং ৬৯ জন সাংবাদিক পৌঁছেবেন হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে। দুপুর ১২টায় তাকে ১৯ বার তোপধ্বনি দিয়ে অভিবাদন জানানো হবে। তারপর তাকে গার্ড অব আনার দেওয়া হবে।

১২টা ১৫ মিনিটে তিনি বিমান বন্দর থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন। দুপুর ১টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়ার পর সেখানে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করবেন। এরপর তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করবেন।

১টা ২০ মিনিটে তিনি হোটেল সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ১টা ৫০ মিনিটে হোটেলে পৌঁছাবেন। বিকাল ২টায় তিনি হোটেলেই মধ্যহ্নভোজে অংশ নিবেন। তারপর তিনি বিশ্রাম নিবেন।

৪টা ১০ মিনিটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং ৪টা ৩০ মিনিটে অর্থমন্ত্রী তার সঙ্গে হোটেলের সুরমা রুমে এসে সাক্ষাত করবেন। ৪টা ৫৫ মিনিটে তিনি হোটেল ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ৫টায় পৌঁছাবেন। সেখানে আনুষ্ঠনিক আলোচনা শুরু করবেন ৫টা ৩৫ মিনিটে। আলোচনা করবেন ৭টা পর্যন্ত। ৭টা ১০ মিনিটে তিনি আবার হোটেলে ফিরে আসবেন। রাত ৮টায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন।

৭ সেপ্টেম্বর :
সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হয়ে ১০টা ৫৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছাবেন। ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘ইনডিয়া-বাংলাদেশ অ্যান্ড সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক একটি বক্তৃতা দিবেন। এরপর ১১টা ৫০মিনিটে তিনি বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হয়ে ১২ টায় সেখানে পৌঁছাবেন। ১২টা ০৫ মিনিটে তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন। ১২টা ৩৫ মিনিটে ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন এবং সেখানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন। এরপর তিনি জাদুঘর ঘুরে ঘুরে দেখে পরিদর্শক বইতে স্বাক্ষর করবেন।

দুপুর ১টা ২০ মিনিটে তিনি হোটেলের উদ্দেশে রওনা হবেন। ১টা ৩৫ মিনিটে হোটেলে ভারতীয় হাইকমিশনারের দেয়া মধ্যহ্নভোজে অংশ নিবেন। এরপর বিশ্রাম নিবেন। ৫টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে ৫টা ৪৫ পৌঁছাবেন। তাকে বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদায় জানানো হবে।

উপরোক্ত সফরসূচি অনুযায়ী মনমোহন সিং এখন ঢাকা এয়ারপোর্টে। সেখান থেকে পরবর্তী দুইদিন আমরা সকল লাইভ আপডেট এ পোস্টে সংরক্ষিত করবো।

১১.৪০ মিনিট: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম জানাচ্ছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বহরকারী বিশেষ বিমান শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সফরসূচির একটা বিবরণীও প্রকাশ করেছে।

সফরসূচি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকা পৌঁছানোর পরপরই বেলা ১টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি যাবেন সোনারগাঁও হোটেলে।

বিকেল ৪টার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করবেন মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে।

বিকেল পাঁচটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসবেন মনমোহন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাদের নেতৃত্বে শুরু হবে দুই পক্ষের আনুষ্ঠানিক বৈঠক। সেখানেই চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারকে সই করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

রাতে শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন মনমোহন সিং।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘বাংলাদেশ, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া’ শীর্ষক বক্তৃতা দেবেন। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বুধবার মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে দেখা করবেন বলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দুই দিনের সফর শেষে বিকেল পাঁচটা ২৫ মিনিটে ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

১টা ৪০ মিনিট: বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে সড়ক পথে সাভারের উদ্দেশে রওনা হন মনমোহন। সেখানে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে কামরাঙ্গা গাছের একটি চারাও রোপণ করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী।

স্মৃতিসৌধ থেকে ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলের পথে রওনা হন মনমোহন। সফরে এখানেই থাকবেন তিনি।

বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম সূত্র জানা যায় মনমোহন সিংয়ের সফরসঙ্গীর তালিকায় নাম থাকলেও ঢাকায় আসেননি ভারতের পানিসম্পদমন্ত্রী পবন কুমার বানসাল, যা তিস্তা চুক্তির অনিশ্চয়তা আরো স্পষ্ট করে তুললো। বিষয়টিকে ব্যাঙ্গ করে একজন ফেসবুকে লিখেছে, “মনমোহন সিং খাবারের উপকরনের সাথে সাথে খাবার পানিও ভারত থেকে নিয়ে এসেছেন। তবে পানিসম্পদ মন্ত্রীকে ভারতেই রেখে এসেছেন।”

সামহোয়ারইনব্লগে তিস্তা চুক্তি না হলে ট্রানজিট সম্মতি চুক্তি এখনই হতে হবে কেন? শীর্ষক পোস্টে ব্লগার নাজনীন১ লিখেছেন,

যে ট্রানজিট মূলত ভারতের জন্য দরকার, তাও সেটা তাদের এক অন্চল থেকে আরেক অন্চলের জন্য, যেটাকে অনেকে ট্রানশিপমেন্টও বলছেন, তার জন্য কেন আমাদের এখনই চুক্তি করা লাগবে? আর কতটা আয় আমরা এই ট্রানজিট/ট্রান্সশিপমেন্ট থেকে পাবো, তা কেন এখনো স্পষ্টভাবে ঠিক করা হচ্ছে না? অথচ তিস্তা চুক্তিতে পানি ভাগাভাগির হিসাবে ভারতের কি টনটনে হিসাব! কত অভিমান, রাজ্য সরকারের সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে দর কষাকষি!

মূলত ট্রানজিট ও তিস্তা দরকষাকষির ক্ষেত্র বলে প্রতীয়মান হয়। বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এর মতামত-বিশ্লেষণ পাতায় মনমোহনের সফর ও বাংলাদেশের ট্রানজিটমুখী উন্নয়ন স্বপ্ন শীর্ষক কলামে মোশাহিদা সুলতানা ঋতু তিস্তার হিস্যা প্রসঙ্গে লিখেছেন,

তিস্তার পানি ভাগাভাগি নিয়ে কেন এত রাখঢাক, কেন গজলডোবা পয়েন্টে কখনও ৭৫-২৫ আবার কখনও ৫২-৪৮ এর নামতা জপা আর তা নিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাংলাদেশে আসা-না আসার নাটক? অথচ নাটক, নামতা ও মমতার আড়ালে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য অন্তত: ২০-৩০% পানি নাব্যতার জন্য রাখা এবং গজল ডোবা পয়েন্টে ভাগাভাগি না করে উৎস মুখ থেকে পুরো নদী পথে তিস্তার ঐতিহাসিক গড় প্রবাহকে ভিত্তি করে পানি ভাগাভাগির হিসাব কষার দাবী।

অন্যদিকে মমতা বাংলাদেশ সফল বাতিল করায় পরস্পরবিরোধী মন্তব্যে সরব ওয়েবস্ফিয়ার। একজন পাঠক মন্তব্য করেছেন, ঢাকায় পৌঁছেছেন মনমোহন শীর্ষক নিউজটিতে:

তিস্তা চুক্তির মাধ্যমে ভারত আমাদেরকে যে পরিমান পানি দিতে চাচ্ছে- তাতে কোন লাভ হবে না। তা নিয়ে লাভ কি? কাজেই না নেওয়াটাই ভাল। আমার মতে মমতা হচ্ছেন একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশ ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার চাইছিল- তিস্তা চুক্তির নামে একটি মুলা ঝুলিয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে বিনা ফি-তে ট্রানজিট আদায় করে নিতে। মমতা এটা ফাঁস করে দিয়েছেন। তিনি দুই সরকারের এ প্রতারণার ফাঁদে পা দিতে চাননি। তাকে ধন্যবাদ।

৫.৩০ মিনিট বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম জানাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করলেও ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আপাতত তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না। এ খবর দিয়ে কলকাতার বর্তমান পত্রিকা একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘গুরুত্ব হারালো প্রধানমন্ত্রীর সফর’। আর ভারতের সবচে বেশি পঠিত বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘চুক্তি হচ্ছে না খবরে অস্বস্তি বেড়ে গেল ঢাকার’।

তিস্তা চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরী হওয়ায় একজন ফেসবুকে স্টাটাস দিয়েছেন, “ঘোড়ার ডিম পেলো বাংলাদেশ”। মন্তব্য করতে গিয়ে আরেকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী জানাচ্ছেন:

আপনার সাথে অর্ধেক একমত, লাভ হয় নাই (এখনো পর্যন্ত)।
কিন্তু ক্ষতিও হয় নাই। কূটনীতি তো সহজ জিনিস না। সহজ হইলে সব কূটনীতিই শহীদ মিনারে হইত। ঈদের ছুটিতে হাতে কাজকাম নাই, হাতিঘোড়া মাইরা, আরাম কইরা টিভি দেখলাম। প্রথম আলো পড়লাম। ত্যক্ত হইয়া ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম। এতেই দেশের চমৎকার উন্নয়ন হইল।
মনমোহনও খালি হাতে ফিরবে, আশা করি (এখনো পর্যন্ত)।

_________________
বিডিনিউজ টুয়েন্টিফর ডটকম ব্লগ সিটিজেন জার্নালিজম ভিত্তিক। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর বাংলাদেশ সফর ও চুক্তি বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া লিখতে পারেন এ ব্লগে। এতদসংক্রান্ত কোনো ছবি, পডকাস্ট (অডিও ও ভিডিও) যদি আপনি নিজে তুলে থাকেন তাও প্রকাশ করতে পারেন। যেকোনো সাহায্য ও পরামর্শের জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

পোস্ট লেখার সময় বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয়:
১. যেকোনো প্রকারের অসৌজন্যমূলক শব্দ চয়ন থেকে বিরত থাকুন। কেবল মাত্র বাংলায় লিখিত পোস্টই প্রকাশিত হয়।
২. শুদ্ধ বানানের জন্য সাহায্য নিতে পারেন বেঙ্গলি বাংলাদেশ ডিকশনারির। সহজে ইনস্টল করা সম্ভব এই এ্যাড-অনটি সম্বন্ধে জানতে দেখুন এই পোস্ট ব্লগ সহায়িকা-৩: বাংলা ’বানান ভুল’ শুদ্ধিকরণ