ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

নেপালের সাথে বাংলাদেশের জয় প্রত্যাশিত এবং সহজপ্রাপ্তি। এই জয় মূলত অভিজ্ঞতার জয়। বাংলাদেশ দল যেমন অভিজ্ঞতার কারণে প্রেশার হ্যান্ডেলিংয়ে ব্যর্থ হয় শক্তিধর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে, তেমনি নেপাল দলের তুলনায় বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ এবং নেপাল সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই মার খেয়েছে অভিজ্ঞতায়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নেপালের অর্জন বেশির ভাগই লীগ ঘরানার অর্জন। অধিকাংশ পরাজিত প্রতিপক্ষই মালয়শিয়া, হংকং, সিঙ্গাপুর কিংবা ইইউএই -এর মত দল। বিগত কয়েক বছর আগেও প্র্যাকটিস মাঠ সংকটে ছিল নেপালি দল। নেপালের খেলোয়াড়দের এক্সপ্রেশন-বডি ল্যাংগুয়েজে এখনো আত্মবিশ্বাস আর উগ্রতার ঝলক আসেনি।

প্রত্যাশা ক্রিকেট জগতে নেপাল ক্রমাগত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে। দক্ষিণ এশিয়ায় আরো একটি শক্তিধর দল গড়ে উঠুক। ক্রিড়ামোদীদের জন্য ক্রিকেট আরো উপভোগ্য হবে তাতে।

সাকিব আল হাসানের তারুণ্য অতি আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু তাই বলে এক রানকে হেলা করা এবং নিজের ছক্কা মারার ইচ্ছা পূরণে সাথের পার্টনারকে খেলার সুযোগ না দেয়াটা আজকের খেলার জন্য চলনসই হলেও আগামির অনেক খেলার জন্য সঠিক আচরণ হবে না বোধকরি।

আর টাইগার টিমকে গ্রুপের সবগুলো খেলায় হেসেখেলে জয়ী দেখতে চা্‌ই।