ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

এই লেখাটা হতে পারত মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের পরিপূর্ণ সাক্ষাৎকার; কিংবা তার সম্পূর্ণ জীবনী, যেখানে সবুজ অক্ষরে মুদ্রিত হতে পারত এই বীর নারীর মুক্তিযোদ্ধা জীবনকে ঘিরে আমাদের নিখাদ গর্ববোধ। গর্ববোধ এখনও আছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ জাতির গর্ববোধ যেন কাগুজে (অথবা ভার্চুয়াল) বেশি, আর রাষ্ট্রের প্রলম্বিত উদাসীনতা বেশি।  যে কারণে, এ দেশে রাজাকার মন্ত্রী হয়, আর অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ পরবর্তীতে বেঁচে থাকার জন্য ধুঁকতে থাকেন। এই লেখাতে মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজ কেন এখনও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিহীন তা প্রশ্ন করা যেত (অবশ্য এই মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির বিষয়টি জেলা পর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় আছে। সরকারি নিয়মমাফিক ঝালকাঠি থেকে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের পরিবার)। রাষ্ট্রকে দায়ী করে অচিরেই ব্যবস্থা গ্রহণের নিবেদন করা যেত । জাতিগতভাবে লজ্জা প্রকাশ করা যেত। এই সুযোগ উন্মুক্ত থাকুক আগামির জন্য। কারণ বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এখন বেঁচে থাকাটাই জরুরী হয়ে উঠছে। আর তাই, ৯ নম্বর সেক্টরের আওতায় মুক্তিযুদ্ধে অংশে নেয়া মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজকে নিয়ে এই লেখাটি লেখা হচ্ছে তাঁর পাশে আর্থিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়াবার বিনীত আহবান জানিয়ে।
alamtaj

৪৩ বছর পূর্বেও আলমতাজ ছিলেন একজন দৃঢ়প্রত্যয়ী নারী। বস্তুত নির্ভিক মানুষ। তাই অংশ নিতে পেরেছেন সম্মুখ যুদ্ধেও। যে পাকিস্তানি সৈন্যরা আমাদের ৩০ লক্ষ্য প্রাণকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল, আলমতাজ তাদের অনেককে বধ করেছিলেন বীরবিক্রমে। অথচ ১৯৭১ –এ তিনি ছিলেন মাত্র নবম শ্রেণীর ছাত্রী। মুক্তিযুদ্ধ নয় মাসে শেষ হয়েছিল।  তারপর জীবনযুদ্ধ শুরু হয়েছিল আলমতাজের। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই নিদারুণ যুদ্ধে এখন অব্দি লড়ে যাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজ বেগম ছবি।  এই মুহূর্তে জীবন ও যাপন সংকটে নিত্যদিন অনিশ্চয়তায় কাটাচ্ছেন ১৯৭১ এর গেরিলা যোদ্ধা আলমতাজ, তার কন্যা শিমুকে অবলম্বন করে।

কন্যা শিমু মায়ের একাগ্র সঙ্গী। এজন্য প্রায় এক বছর আগে চাকরি ছেড়েছেন তিনি। যদিও অর্থ এই মুহূর্তে বড় প্রয়োজনীয়, অন্যদিকে সার্বক্ষনিক দেখভাল না করলে আলমতাজের শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে যেত। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা এতটা ছিল না এবং নেই –ও যে দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা খরচ, অপারেশন খরচ, মাসে মাসে ওষুধপত্র কেনার খরচ এই পরিবারের পক্ষে সম্পূর্ণ  ও নিয়মিত বহন করা সম্ভব হবে। কিছু সাংগঠনিক তৎপরতা, প্রাতিষ্ঠানিক সাহায্য, এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে থেকে ৫০ হাজার টাকা – ইত্যাদির সমন্বয়ে সর্বশেষ অপারেশন ও কেমো থেরাপি পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যয় মেটানো গেছে। কিন্তু ৫৮ বছর বয়সী আলমতাজের শরীরে বাসা বাধা অসুখটি ছেড়ে যাবার নামহীন। কন্যা শিমু যেখানে যেখানে, যাকে যাকে বলা সম্ভব চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তার অনুরোধ জানাচ্ছেন ক্রমাগত। এতদিন চিকিৎসা ব্যয় তাও অনেকের সহায়তায় কোন প্রকারে মেটানো গেছে। কিন্তু প্রতিমাসের ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার খরচ (জীবনযাপনের আনুসাঙ্গিক খরচ ও ওষুধপত্র, ব্যান্ডেজ ইত্যাদি মিলিয়ে),  আগামির চিকিৎসা খরচ, পুনরায় মেডিকেল টেস্ট, সম্ভাব্য অপারেশন খরচ কিভাবে জোগাড় করবেন শিমু তার মায়ের জন্য?

alamtaj

মেডিকেল টার্মে ক্যান্সার গোত্রের এই অসুখটিকে বলা হয় Carcinoma Recto-sigmoid Junction (কোলন ক্যান্সার)। ৮-৯ বছর ধরে শরীরে বেড়ে ওঠা অসুখটি ধরে পড়েছিল ২০১৪ সালে।  চিকিৎসায় কেমো থেরাপি সহ এ বছরের মাঝামাঝি (অপারেশন হয়েছিল জানুয়ারিতে, জুনে কেমো শেষ হয়) পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৮ লক্ষাধিক টাকা। কিন্তু বর্তমান শারীরিক অবস্থার প্রেক্ষিতে আবারও একটি অথবা দু’টি অপারেশনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।

তাছাড়া শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করতে তিন মাস আগের বায়াপসি রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আবার কোলোনোসকপি এবং বায়াপসি করে ডাক্তার এর সাথে দেখা করতে হবে। দীর্ঘ সময় রোগে ভুগে মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের শরীরিক অবস্থা শীর্ণ। চোখ কিছুটা কোটরাগত। তবে বেঁচে থাকার সাহসটাই তাকে বাঁচিয়ে রাখছে। আর সাথে রয়েছে তার কন্যা শিমুর প্রাণান্ত চেষ্টা।

কন্যা শিমু তার মায়ের জন্য যথেষ্ট চিন্তিত। সার্বক্ষনিক মাকে ঘিরে তার ব্যস্ততা ও উদ্বিগ্নতায়, শিমু তার নিজের মেয়ের প্রতিও নজর দিতে পারেন না। নিজের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় তাদের পরিবারকে তেমন কোন স্বচ্ছলতা এনে দেয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে বিশেষ কোন সম্মাননা পাননি। এই পরিবারটির এখন সেসব প্রত্যাশা করে হাহুতাশ করার মানসিক-শারীরিক শক্তিও নেই, এমনকি কণ্ঠে কোন অভিযোগের সুরও নেই। কন্যা শিমুর একটাই প্রার্থনা, তিনি যেন মায়ের চিকিৎসা শেষ চালিয়ে যেতে পারেন। এই দায়িত্বে তার যেন অবহেলা না হয়। কিন্তু তিনিও তো বস্তুত নিরূপায়…! সামনের চিকিৎসা খরচ কোথা থেকে আসবে?

alamtaj alamtaj alamtaj

 

alamtaj

মুক্তিযুদ্ধে জয়ী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে আজকে জীবনযুদ্ধে অনিশ্চয়তা নিয়ে দিন গুনতে হচ্ছে। যাদের অবদানে আমরা বাংলাদেশ পেলাম, তারা আজ আর্থিক সহায়তার জন্য চিন্তিত চেহারায় প্রতিদিন নানাজনের সাথে যোগাযোগ করছেন। আমাদের তো দেশপ্রেমের কমতি নেই। ফেসবুক, ব্লগে নিত্য দেশপ্রেমের ক্রন্দন। কাগুজে দেশপ্রেম থেকে বেরিয়ে মাঝে মাঝে প্রকৃত দেশপ্রেমিক হওয়ার মত পরিস্থিতিতে নিশ্চয়ই বিমুখ হয়ে পিছিয়ে যাব না আমরা। যদিও এভাবে আর্থিক সাহায্য প্রদান করাটাও একটা জাতীয় লজ্জা। মুক্তিযোদ্ধাদের দেখভালের জন্য রাষ্ট্রের পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা না থাকায়, অনেক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে আর্থিক দৈন্যতায় পরমুখাপেক্ষি হতে হচ্ছে। রাষ্ট্রের এই ব্যর্থতা আমাদের জাতিগত ব্যর্থতাও। এই ব্যর্থতাকে কিছুটা লাঘব করা যেতে পারে আমাদের নিজ নিজ গণ্ডি থেকে এগিয়ে এসে। এটি সহায়তা নয় আসলে, এক প্রকার ঋণশোধ। সহব্লগারদের কাছে তাই আহবান, আবেদন, নিবেদন, আপনারা দ্রুত সাড়া দিন। এগিয়ে আসুন মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের চিকিৎসা খরচ সংগ্রহে।

alamtaj

সহ-ব্লগাররা বিভিন্ন সময় একে অন্যের সাথে ছিল বলে এই ব্লগ থেকে অতি অল্প সময়ে ২০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের জন্য দুটো স্মারক ইট ও আরো ১,১০০ টাকা সাধারণ তহবিলে প্রদান করা সম্ভব হয়েছিল [লিংক – , , ]। পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহ উদ্যোগ নিতেই খুবই দ্রুততার সাথে ১ লাখ ৬ হাজার ৫০ টাকাসংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল [লিংক – ]। ব্লগাররা কেবল লেখালেখিতেই দায়িত্ববোধ সীমিত রাখেন না। বরং মানবতাবোধ থেকে, দায়িত্ববোধ থেকে বাস্তবেও একে অন্যকে সময় সময় সহযোগিতা করেন, এই বিশ্বাসেই মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজকে নিয়ে ব্লগে পোস্ট দেয়া।

বর্তমানে নড্যুলার সয়েলিং দেখা দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের শরীরে। নিশ্চিত হতে পুনরায় কোলোনোসকপি, ও বায়পসি করাতে হবে। এই রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী চিকিৎসা পদ্ধতি। এরমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের শারীরিক অবস্থার হঠাতই অবনতি ঘটেছে। গত ১-২ দিন ধরে বমি হচ্ছে, খেতে পারছেন না। শরীরের এই অবস্থায় ল্যাব টেস্ট ও চিকিৎসা বা অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া ভীষণ জরুরী হয়ে উঠেছে।  ল্যাব টেস্ট, ওষুধ, নিয়মিত ব্যান্ডেজ-ড্রেসিং, সম্ভাব্য অপারেশন – সব মিলিয়ে দ্রুতই (সেটা হতে পারে ১-২ সপ্তাহের মধ্যেই ) অন্তত লাখ খানেক টাকা সংগ্রহ ভীষণ জরুরী। সতীর্থ ব্লগাররা এগিয়ে আসলে পুরোটা অথবা অনেকটাই সংগ্রহ করা সম্ভব।

ব্যক্তিগত ব্যাংক এ্যাকাউন্টে অর্থ গ্রহন করলে, হিসাবে স্বচ্ছতা রাখায় সামান্য সমস্যা হতে পারে ভেবে পূর্বের অভিজ্ঞতা মতে দেশের ভেতর থেকে সুন্দরবন কুরিয়ার যোগে এবং প্রবাসীরা ব্র্যাক ব্যাংকের ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ করতে পারেন।

সঠিকভাবে আপডেট প্রদানে দায়িত্ব পালনে  সহায়তা করতে, অনুগ্রহ করে অর্থ প্রেরনের পর ব্লগে মন্তব্য করে টাকা পাঠানোর মাধ্যম ও পরিমাণ জানিয়ে দিন। টাকা পাঠানোর পদ্ধতি নীচে প্রদান করা হল। অর্থ সংগ্রহকারীও এই পোস্টে মন্তব্য করে অর্থ সংগ্রহ নিশ্চিত করবেন। ফলে সর্বমোট সংগৃহিত অর্থের ধারাবাহিক আপডেট রাখা সম্ভব হবে।

অর্থ প্রেরনের মাধ্যম [আপডেট ৪ জানুয়ারি ২০১৫: আপাতত এই পোস্টের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ কার্যক্রম স্থগিত করা হল]:
সুন্দরবন কুরিয়ার (উত্তরা শাখা, জসিমউদ্দীন রোডের নিকটবর্তী শাখা)
ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন- ব্র্যাক ব্যাংক (উত্তরা শাখা, জসিমউদ্দীন রোড সংলগ্ন শাখা)

প্রয়োজনে যোগাযোগ:
মোবাইল: [মুছে দেয়া হল]
ইমেইল: [মুছে দেয়া হল]

ভীষণভাবে সহ-ব্লগারদের কাছে অনুরোধ করছি, কে কত দিচ্ছে, অন্যের চেয়ে অর্থ সাহায্য পরিমাণ কম হয়ে গেল কিনা এসব ভাবনাচিন্তায় সময়ক্ষেপন না করে, খুব দ্রুত সাড়া দিন। এই আহবানটি আপনার সহ-ব্লগারের সাথে শেয়ার করুন বিভিন্ন পোস্টে। আপনি সাড়া না দিলে এই আহবান সফল হবে না।

তাই আসুন, সামান্য ঋণশোধের চেতনা থেকে, মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের পাশে দাঁড়াই!

 

************************************* আপডেট:: ৩০ নভেম্বর ২০১৪*****************************
ব্লগার আব্দুল মোনেম – ৩০০০/-
ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের – ৫০০০/-
——————————————————————————-——————-—————
মোট সংগ্রহ =========== ৮০০০/-

************************************* আপডেট:: ০২ ডিসেম্বর২০১৪*****************************
ব্লগার আব্দুল মোনেম – ৩০০০/-
ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের – ৫০০০/-
ব্লগার মেঘ – ২০০০/-
ব্লগার নুরুন্নাহার শিরীন – ৩০০০/-
ঈমান মাহমুদ (মিশরীয়, ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
———————————————————————————————-——————-
মোট সংগ্রহ ============== ১৪,০০০/-

 

************************************* আপডেট:: ০৮ ডিসেম্বর২০১৪*****************************
ব্লগার আব্দুল মোনেম – ৩০০০/-
ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের – ৫০০০/-
ব্লগার মেঘ – ২০০০/-
কবি ও ব্লগার নুরুন্নাহার শিরীন – ৩০০০/-
ঈমান মাহমুদ (মিশরীয়, ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
কবি ও ব্লগার নাজনীন খলিল  – ২০০০/-
নাম প্রকাশে অনাগ্রহী  (ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
———————————————————————————————-——————-
মোট সংগ্রহ ============== ১৭,০০০/-

 

************************************* আপডেট:: ১৩ ডিসেম্বর২০১৪*****************************
ব্লগার আব্দুল মোনেম – ৩০০০/-
ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের – ৫০০০/-
ব্লগার মেঘ – ২০০০/-
কবি ও ব্লগার নুরুন্নাহার শিরীন – ৩০০০/-
ঈমান মাহমুদ (মিশরীয়, আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
কবি ও ব্লগার নাজনীন খলিল  – ২০০০/-
নাম প্রকাশে অনাগ্রহী  (আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
ব্লগার আশফাক সফল – ৫০০/-
ব্লগার মনোনেশ দাস – ৪০০/-
ব্লগার সুকান্ত কুমার সাহা – ১০০০/-
———————————————————————————————-——————-
মোট সংগ্রহ ============== ১৮,৯০০/-

 

************************************* আপডেট:: ১৯ ডিসেম্বর২০১৪*****************************
ব্লগার আব্দুল মোনেম – ৩০০০/-
ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের – ৫০০০/-
ব্লগার মেঘ – ২০০০/-
কবি ও ব্লগার নুরুন্নাহার শিরীন – ৩০০০/-
ঈমান মাহমুদ (মিশরীয়, ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
কবি ও ব্লগার নাজনীন খলিল  – ২০০০/-
নাম প্রকাশে অনাগ্রহী  (ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
ব্লগার আশফাক সফল – ৫০০/-
ব্লগার মনোনেশ দাস – ৪০০/-
ব্লগার সুকান্ত কুমার সাহা – ১০০০/-
কবি ও ব্লগার সোহরাব সুমন – ১০০০/-
———————————————————————————————-——————-
মোট সংগ্রহ ============== ১৯,৯০০/-

 

************************************* আপডেট:: ৩ জানুয়ারি ২০১৫*****************************

৩ জানুয়ারি ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের, ব্লগার মজিবর রহমান, ব্লগার নীলকণ্ঠ জয় পিজি হাসপাতলের সি ব্লকের ওয়ার্ডে মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের সাথে সাক্ষ্যাত করে। কন্যা শিমুও উপস্থিত ছিলেন। ব্লগাররা অনেকক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজের সাথে আলাপ করে এবং মুক্তিযোদ্ধা আলমতাজ ব্লগারদের আপন করে নিয়েছিলেন। কন্যা শিমুর হাতে ব্লগাররা সংগৃহিত ২৪ হাজার টাকা তুলে দেন।

ব্লগার আব্দুল মোনেম – ৩০০০/-
ব্লগার জুলফিকার জুবায়ের – ৫০০০/-
ব্লগার মেঘ – ২০০০/-
কবি ও ব্লগার নুরুন্নাহার শিরীন – ৩০০০/-
ঈমান মাহমুদ (মিশরীয়, ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
কবি ও ব্লগার নাজনীন খলিল  – ২০০০/-
নাম প্রকাশে অনাগ্রহী  (ব্লগার আইরিন সুলতানার পরিচিত) – ১০০০/-
ব্লগার আশফাক সফল – ৫০০/-
ব্লগার মনোনেশ দাস – ৪০০/-
ব্লগার সুকান্ত কুমার সাহা – ১০০০/-
কবি ও ব্লগার সোহরাব সুমন – ১০০০/-

ব্লগার নীলকণ্ঠ জয় – ৫০০/-

ব্লগার মজিবর রহমান – ৫০০/-

ব্লগার আইরিন সুলতানা – ৩১০০/-
———————————————————————————————-——————-
মোট সংগ্রহ ============== ২৪,০০০/-