ক্যাটেগরিঃ ফটো

সিডি দোকান থেকে বেরোতে স্লাইডিং দরজাটা খুলে দিল ছোট ছেলেরা। পথকলি। টোকাই। বুঝলাম, এখন কিছু একটা বায়না হবে। ১০ টাকা চাইল, ভাত খাবে বলে। পথে শিশুদের পাতা হাতে টাকা দিতে অপছন্দ করি। যে যত কঠোর-অমানবিক ভাবুক, আমি টাকা দেইনা। জিগেষ করলাম, ১০ টাকায় কোথায় ভাত পাওয়া যায় এখানে? হাত তুলে সামনে দেখালো। আমি বললাম, ওয়েস্টিন!!! না, না! ওর পাশে! সাথে আরেকজন জুটে গেছে ততক্ষণে। বললাম, চলো তাহলে। দেখি ১০ টাকায় ভাত দেয় কিনা। গুলশানের ওই ছোট গলি রাস্তাতেও অনেক খাবার দোকান। ওরই একটাতে নিয়ে গেল। ততক্ষণে তিন জন হয়ে গেছে! ওরা বলল,  ওইহানে খিচুড়ি পাওন যায়। এই না কথা হলো ভাতের! আমি ভ্রুকুটি করি। ভাত নিলে ট্যাকা বেশি লাগে। আলাদা তরকারি নেওন লাগে। দেখলাম কথা সত্য। অতপর দোকানে ঢুকে ৩ প্যাকেট চিকেন খিচুড়ি পার্সেল নিয়ে ওদের হাতে দিলাম। বললাম, খিচুড়ি খাওয়া লাগবে। যদি প্যাকেচ বেচবি তো খবর আছে! ওরা বলল, না না খামু। বেচমু না। এরপর রাস্তা পাড় হলে আইল্যান্ডের উপর জায়গাটা ওরা বেছে নিল ডাইনিং হিসেবে। তখন বিকেল। আর রাস্তাঘাট বৃষ্টিধোয়া।
শনিবার, ১৩ জুন। গুলশান-২

 

slide