ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

৩১ অক্টোবর:
I strongly protest if US media publish any headline having ‘atheist’ wording… this is a strategic game of US-EU to intervene in Bangladesh matter. US-EU is creating way to push their troop.

আম্রিকার মিডিয়া, ইউরোপের মিডিয়া আরেকটা হেডলাইন পেল। তারা বড় বড় করে লিখবে ’নাস্তিক’ ব্লগার, ‘নাস্তিক’ লেখক খুন।

আমেরিকায় লাইভ টেলিকাস্টের সময় সাংবাদিক খুন হয়ে যায়, তখন তাদের মুক্তমত আহত হয় না কেন? এমনকি আম্রিকার কলেজে ধর্ম কী জিগেষ করে খুলেয়াম হত্যা হলেও এতবড় হেডলাইন হয় না। বৃটেনে গোলাগুলি হলেও এত বড় খবর হয় না। পাকিস্তানে শিয়া হত্যা হলে আমেরিকা এত আগ্রহ দেখায় না, কিন্তু বাংলাদেশের শিয়া মিছিলে হামলায় আমেরিকা নাক গলিয়ে একটা স্টেটমেন্ট দেবেই দেবে। বাংলাদেশে কোপাকুপি হলে আম্রিকা ঝাঁপায় পড়ে নাস্তিক হত্যার শোকে সামিল হবেই হবে। হয়ত বৃটিশ কোন মন্ত্রী এবারও টুইট টুইট করবে।

বিদেশি হত্যা হতেই আম্রিকা দৌড়ায় আসে প্রেস কনফারেন্স করে ঘোষনা দেয়, বাংলাদেশে আইএস আছে। হত্যা হলেই নিহতের নামের আগে ‘নাস্তিক’ জুড়ে দিয়ে হেডলাইন। আমেরিকাকে কে অথরিটি দিয়েছে আমাদের নাস্তিক পরিচয়ে পরিচিত করানোর?

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহল খুব নগ্নভাবেই বিচারের রায়ে বারবার হস্তক্ষেপ করেছে। এ্যামনেস্টির অনধিকার চর্চা জলজ্যান্ত প্রমাণ। ইন্টারনেট জগতে ক্রমাগত আতঙ্ক তৈরী করে, পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করতে বিদেশি হত্যা। যেন জাপান-ইতালি থেকে বাংলাদেশের উপর চাপ আসে। কিন্তু জাপানের চেয়েও উদ্বিগ্ন ছিল আমেরিকা!

পাকিস্তান পর্যন্ত আমেরিকা তাদের প্রবেশ করতে পেরেছে সফল ভাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমেরিকা কোন না কোন প্রোপাগান্ডা দিয়ে যুদ্ধ বাধিয়েছে। আজকে স্পষ্ট হয়েছে আমেরিকার বাধানো যুদ্ধগুলো ভুল ছিল। আজকে প্রমাণ হয়েছে আল কায়েদা, আইএস আমেরিকার তৈরী।

আমেরিকা-ইউরোপের এই স্বার্থসিদ্ধির খেলা থেকে আমাদের বেরুতে হবে। কিন্তু তাদের তৈরী জট বেশ জটিল। আম্রিকা-ইউরোপ দু’টো খেলা খেলে। ’নাস্তিক’ টার্ম দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে, কারণ আম পাবলিকের দৃষ্টিতে নাস্তিকতা হারাম হেতু পাবলিক সেন্টিমেন্ট জাগে না। কিন্তু ইন্টারনেট প্রজন্মের হাতে মুক্তমত আর বাক স্বাধীনতার মোয়া ধরায় দিয়ে আম্রিকা-ইউরোপ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জাল গুটিয়ে আনে।

বিদেশে ‘নাস্তিক’ আশ্রয় দিয়ে, মুক্তমতের নামে ’ফান্ড’ ডিস্ট্রিবিউট করে আমেরিকা-ইউরোপ দেশের তরুণ প্রজন্মকে তাদের মুখাপেক্ষি করেছে অনেকাংশেই। এদেশের তরুণ প্রজন্ম আগে তেল-গ্যাস-নির্বাচন সবখানে আমেরিকার ষড়যন্ত্র বুঝতে পারতো। কিন্তু মুক্তমতের মোয়া (ফান্ড আর এসাইলাম) খেতে খেতে দেশে জঙ্গি আতঙ্ক, আর কোপাকুপিতে আমেরিকা-ইউরোপের গোপন স্বার্থ তরুণ প্রজন্ম আর বুঝতে পারে না।

এখানে মুক্তমত, মুক্তমত চিৎকার করে অনেকের ব্যক্তিগত ফায়দা হতে পারে, মিডিয়ার টিআরপি বাড়তে পারে, কিন্তু এইসব মুক্তমত, নাস্তিকতা আসলে আমেরিকা-ইউরোপের সৃষ্টি। এত ক্ষুদ্রপরিসরে একেকটা চাপাতি-কাণ্ডকে দেখলে, বিজয় আমেরিকা-ইউরোপেরই হবে।

প্রজন্ম জাগো। সরকার জাগো। মিডিয়া জাগো।

 

২ নভেম্বর:

***
কেবল ‘প্রকাশক’ লিখলে হত্যাকাণ্ডগুলোর খবরে হিট বাড়ে না। তাই জার্মানির একটি পত্রিকা লিখেছে ’সেক্যুলার’ প্রকাশক। আর তারপর পরই জার্মানির আনুষ্ঠানিক উৎকণ্ঠা। আমেরিকা-ইউরোপ আবার হত্যার বিনিময়ে ফান্ড ছিটানোর রসদ পেল। যত হত্যা, যত চাপাতি, তত আমেরিকা, তত ইউরোপ, তত ফান্ড!

***
হরতাল কর্মসূচীটাই বিতর্কিত হয়ে গেছে। আন্দোলনের নতুন পন্থা সুস্থ রাজনীতির অন্যতম দাবি। হরতালে হরতালে সকল রাজনৈতিক দলগুলোই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময়সূচী এবং প্রস্তুতিতে চরম ব্যহত করেছে বহুবার। বারবার।

এবং .এবং… গণজাগরণ মঞ্চের হরতালে জেএসসি এবং জেডিসি পরীক্ষাসময়সূচী পিছিয়েছে।

***
কবি-লেখকদের প্রতিবাদ মানুষের আরো কাছাকাছি হওয়া কথা। তৃণমূলে হওয়ার কথা।যেখানে সমাজ জাগবে। কিন্তু কবিরা শাহবাগের ভেতরেই মিডিয়া প্রচার মুখী প্রতিবাদ করে ”খুব প্রতিবাদ” ঢেকুর তুললেন।

 

৪ নভেম্বর:
ব্লাড রিপোর্টটা হাতে পেলাম আজই
ইদানীং ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশনে লিখে দিচ্ছে
রক্ত পরীক্ষা জরুরি
আসলে ডাক্তারের ভয়টা কর্কট রোগ ছিল না
সিবিসি টেস্টে জানা যাচ্ছে
কার রক্তকণিকার কত শতাংশ আস্তিক, নাস্তিক আর সেক্যুলার।

৬ নভেম্বর:
প্রিয় ছোট ভাই, গভীর চিন্তাবিদ মাহফুজুর রহমান মানিক জানালো, ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে কিছু কিছু মন্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন করেছে সমকালে। লিংক দিয়ে জানালো। মনে মনে ভাবলাম, তাহলে আরো অনেকের বিরাগভাজন হবো এখন!

 

08_103