ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বিগত বছরগুলোতে আইনশৃঙ্খলাজনিত অসংখ্য ঘটনা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে বিচলিত ও সাবধানি করেছে সাধারণ মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনকেও। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ‘নিরাপদ ঢাকা’ কর্মসূচিতে এক হাজারেরও বেশি সিসিটিভি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। অনেক অপরাধের তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে কার্যকর সূত্র মেলায় সিসিটিভির চাহিদা বেড়েছে সকল স্তরেই। সিসিটিভির বিক্রি বেড়েছে। বেড়েছে আমদানিও। সংযোজন ঘটেছে অত্যাধুনিক সিসিটিভির।

২০১১ সালে ডিজিটাল পুলিশ প্রটেকশন সিস্টেম (ডিপিপিএস) প্রকল্পের আওতায় ডিজিটাল ‘ওয়াচম্যান’ স্থাপিত হয়েছিল। ‘ওয়াচম্যান’ অপরাপর সিসিটিভি থেকে অত্যাধুনিক। কারণ এর মাধ্যমে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে সাহায্যবার্তা পাঠানো যাবে। এমনকি সিসিটিভি খুলে নিয়ে যেতে যেতেই অপরাধীদের ভিডিওচিত্র চলে যাবে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে। ২০১৩ সালের দিকে চট্টগ্রামেও ডিপিপিএস উদ্বোধন হয়। পাশাপাশি ব্যাংক, স্বর্ণালংকারের দোকান যেমন আপন জুয়েলার্স, এয়ারওয়েজের মতো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ‘ওয়াচম্যান’ জরুরি হয়ে ওঠে। তবে পুলিশ প্রশাসনের পারদর্শিতার অভাবে অনেক বারই ওয়াচম্যান প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ার সংবাদ শিরোনাম হয়েছে।

সংগঠিত অপরাধ ও সন্দেহজনক আচরণ– গত কয়েক বছরে এমন অনেক আইনশৃঙ্খলাজনিত ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বারবার আলোচিত হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে। ২০১৫ সালে বইমেলায় নাগরিক নিরাপত্তাজনিত কারণে ৭০টি সিসি ক্যামেরা সংযোজিত হয়েছিল। ওই বছরই ঘটে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড। ঘাতকদের অভিজিতকে অনুসরণের সিসিটিভি ফুটেজ তদন্তের সূত্র ছিল। নেতৃত্বে থাকা ঘাতকও শনাক্ত হয়েছিল ফুটেজ থেকেই। ২০১৫ সালে পহেলা বৈশাখে নারীদের শ্লীলতাহানিকারীদের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়। সিসিটিভি ফুটেজে জুলহাস-তনয়ের খুনিদের গতিবিধিও ধরা পড়ে। আরিফুন্নেসা আরিফা হত্যায় তার প্রাক্তন স্বামী রবিনকে পুলিশ শনাক্ত করতে পেরেছিল সিসিটিভি ফুটেজ থেকে।

ফরহাদ মজহার অপহৃত হয়েছিলেন নাকি ভোরবেলা নিজেই খুলনায় রওনা দিয়েছিলেন– এই নিয়ে যখন তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক তখন খুলনায় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে ফরহাদ মজহারের গতিবিধি ধরা পড়ে সিসিটিভি ফুটেজে। ফরহাদ মজহার তার দেওয়া অপহরণের সাক্ষ্য থেকে নড়তে রাজি নন, অন্যদিকে পুলিশ একে অপহরণ স্বীকারে নিমরাজি। মামলাটির সমাপ্তি শেষ পর্যন্ত কীভাবে ঘটছে তা নিয়ে নতুন কোনো সংবাদ প্রতিবেদন চোখে পড়ছে না। তবে ফুটেজগুলো প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেমন চুপ মেরেছিল, তেমনি ফরহাদ মজহার ইস্যুতে তোলপাড় করতে ব্যর্থ বিএনপিকে নিয়ে ক্ষুব্ধ নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাও আর কথা টানেননি।

দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতায় অথবা দুর্নীতিতে, নয়তো রাজনৈতিক প্রভাবে মামলাগুলোর অধিকাংশই ‘রহস্য’ হয়ে থাকলেও, ‘সারভেইল্যান্স’ হিসেবে সিসিটিভি বরাবর অব্যর্থ।

২০১১ সালে সেবা গ্রহণকালে সিসি ক্যামেরায় গ্রাহকের ভিডিও ধারণ করায় সমালোচনা হয়েছিল পারসোনার বিরুদ্ধে। ঠিক যেভাবে সবাইকে ক্ষুব্ধ করে সমালোচনার শীর্ষে ছিল মামলাটি, ঠিক সেভাবেই অন্তরালেও চলে যায়।

নারীদের বিউটি পার্লায় যাওয়া রোধ করার পরামর্শ গ্রহণযোগ্য নয়। সামর্থ্য অনুযায়ী নিজ পরিচর্যা করার অধিকার ও প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করতে হবে। তবে বিভিন্ন বিউটি পার্লারগুলোতে অনেক ক্ষেত্রেই সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত জায়গায় গ্রাহকের জন্য কোনো সার্ভেইল্যান্স নোটিশ লাগানোই থাকে না। বিউটি পার্লারের কতটুকু ভেতরে সিসি ক্যামেরা বসানো যাবে এবং সিসি ক্যামেরা থাকলে গ্রাহকের নজর সীমানায় অবশ্যই সার্ভেইল্যান্স নোটিশ থাকতে হবে– এসব আলোচনা কাঠামো দিতে পারে একটি সিসি ক্যামেরা আইন।

২০১১ সালে ‘পারসোনা, সিসি ক্যামেরা ও আইন’ (http://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/3812) লেখাটির সময় সিসি ক্যামেরা আইনের অস্তিত্বহীনতার পীড়া ছিল। আজকে ২০১৭ সালে এসে সিসিটিভি আইনের ‘না-থাকা’ হতাশ করছে।

অভিযোগ ছিল হোটেল দি রেইনট্রি ঢাকায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে দুজন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী ধর্ষিত হয়েছিলেন সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু-সহযোগীদের দ্বারা। ঘটনাটি ঘটে ২৮ মার্চ। অভিযোগকারীরা মামলা করেন ৬ মে। অর্থাৎ প্রায় ৪০ দিনের মুখে।

যেহেতু বিলাসবহুল হোটেল, সিসিটিভি ক্যামেরা তো থাকবেই ‘সারভেইল্যান্স’ রক্ষার্থে। ২৮ মার্চ তারিখের সিসিটিভি ফুটেজ ছিল তদন্তের নিয়মমাফিক চাহিদা। কিন্তু এবার সিসিটিভি নিরাশ করল সবাইকে। দি রেইনট্রি ঢাকার পক্ষ থেকে এক্সিকিউটিভ ইন্টারনাল অপারেশন পদে থাকা কর্মকর্তা জানান, ইউএনডিএসএসের সার্টিফিকেট অনুযায়ী কেবল এক মাসের সিসিটিভি ফুটেজ মেইনটেইন করেন তারা। অবশ্য কোনো কোনো সংবাদ প্রতিবেদনে হোটেল কর্তৃপক্ষের বরাতে লেখা হয়েছে ২৮ দিন পর্যন্ত ফুটেজ সংরক্ষিত থাকে।

 

 

সুতরাং ইউএনডিএসএসের সার্টিফিকেট বদৌলতে অপরাপর ঘটনাগুলোর মতো তারিখ আর সময় ধরে কে-কখন-কতজন কী হালে আসছে-যাচ্ছে দি রেইনট্রি ঢাকা প্রাঙ্গনে তা দেখার কোনো সুযোগ রইল না তদন্ত টিমের, মিডিয়ার মাধ্যমে নাগরিকদেরও।

বাংলাদেশের মিডিয়াতে ইউএনডিএসএস সার্টিফিকেট নিয়ে খোলাসা করা হয়নি। এই সার্টিফিকেট কি প্রতিষ্ঠানের জন্য? বা ব্যবহারকারী ব্যক্তির জন্য? বাংলাদেশের বাকি হোটেলগুলো কি ইউএনডিএসএস সার্টিফিকেটধারী? লক্ষ্যণীয়, দি রেইনট্রি অ্যালকোহল ও বারের ছাড়পত্র পায়নি অথচ সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণে সময়সীমা নির্ধারণে ইউএনডিএসএস সার্টিফিকেট পেয়ে গেছে!

 

কী এই ইউএনডিএসএস সার্টিফিকেট?

আন্তর্জাতিক টার্মিনলজিতে ইউএনডিএসএস (UNDSS) হচ্ছে জাতিসংঘের নিরাপত্তাবিষয়ক দপ্তর (United Nations Department of Safety and Security), যা বিশ্বজুড়ে ইউএন সিসটেমের কার্যক্রমগুলোর ব্যবস্থাপনা ও তত্বাবধান করে। যেমন, বাংলাদেশে নিরাপত্তাজনিত কারণে জাতিসংঘ যদি শঙ্কিত হয় তবে ইউএনডিএসএস থেকে কর্মীদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কবার্তা জারি করতে পারে। ইনফরমেশন সিকিউরিটি নিয়ে কিছু অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সও পরিচালনা করে ইউএনডিএসএস। তবে যেটুকু বোঝা যায় কোর্সগুলো মূলত ইউএন কর্মীদের জন্য।

সিসিটিভি কমপ্লায়েন্স, ডাটা প্রোটেকশন নিয়ে আন্তর্জাতিক বহু সার্টিফিকেশন আছে। হতেই পারে এসব সার্টিফিকেট-সম্পৃক্ত কোর্সগুলোতে সিসিটিভি ব্যবস্থাপনায় কোনো স্ট্যান্ডার্ড পরামর্শ রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে সংযোজিত সিসিটিভি কেবল ওই প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তায় নয়, বরং নাগরিক নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তায় গুরুত্ব রাখে।

প্রশ্নটা এখানেই রাখা যায়, যে কোনো বিদেশি সার্টিফিকেটের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশের একেকটি প্রতিষ্ঠান কি ভিন্ন ভিন্ন সময়সীমায় সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করবে? সিসিটিভি নীতিমালা অথবা সিসিটিভি আইন না থাকলেও, বাংলাদেশ সরকার কি সুনির্দিষ্টভাবে কোনো বিদেশি সার্টিফিকেট মতে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ সময়সীমা অনুমিত করেছে?

 

সিসিটিভি ফুটেজ কতদিনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে? আন্তর্জাতিক চর্চা কী?

হংকং পুলিশ প্রদত্ত একটি নির্দেশিকা (HONG KONG POLICE REQUIREMENTS FOR DIGITAL CCTV SYSTEMS) রয়েছে দেশটিতে সিসিটিভি ব্যবহারে। সেখানে ৩১ দিন পর্যন্ত ভালো মানের ফুটেজ সংরক্ষণ করার পর্যাপ্ত স্টোরেজ ক্যাপাসিটির কথা উল্লেখ রয়েছে।

মোটের উপর আইরিশদের সিসিটিভি নীতিমালা, কোড অব প্র্যাকটিস, আইন সবই আছে। এ ক্ষেত্রে কোনো সন্দেহজনক কিছু পর্যবেক্ষণে না এলে মাসখানেক সময় পর্যাপ্ত ধরা হয়েছে।

ইউকেতে অপারেশনাল রিকোয়্যারমেন্টের উপর নির্ভর করে ফুটেজ সংরক্ষণের সময়সীমা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সময়সীমা ৩০ দিনের কম হবে না বেশি তা পুলিশের সঙ্গে আলাপের পরামর্শ রয়েছে। আবার সরকারি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও অনুমতিসহকারে ৯০ দিন পর্যন্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করা যেতে পারে। অবশ্য তদন্তাধীন ক্ষেত্রে তদন্তের প্রয়োজনে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বছরকালীন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করছে ইউকের সেন্টার ফর প্র্রটেকশন অব ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার (Centre for the Protection of National Infrastructure) প্রণীত গাইডলাইন। অপরাধ তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ চাওয়া ও বিশ্লেষণ নিয়ে ইউকেতে রয়েছে ডাটা প্রটেকশন অ্যাক্ট ১৯৯৮, হোম অফিস কর্তৃক প্রণীত সারভেইল্যান্স ক্যামেরা কোড অফ প্র্যাকটিস ইত্যাদি।

সিসিটিভি ফুটেজ আসলে কতদিন সংরক্ষণ করতে হয় তা সুস্পষ্ট না হলেও, সিসিটিভি নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মশালা, বিভিন্ন দেশের নীতিমালা কোথাও ‘ইউএনডিএসএস সার্টিফিকেট’ একটি দেশের কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ব্যবস্থাপনার মানদণ্ড হিসেবে পাওয়া যায়নি।

প্রযুক্তি অপরাধ চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। আবার আধুনিক প্রযুক্তিতে ভর করে অপরাধের ধরনও পাল্টে গেছে। ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত সরকারি সিসি ক্যামেরাগুলোর অকেজো থাকা ও সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ পরিস্থিতিতেও স্বীকার করতেই হবে সিসিটিভির উপর আমাদের নির্ভরতা। সিসিটিভির অত্যাধুনিক সংস্করণও বাজারে রয়েছে। এখন মোবাইলেও ফুটেজ মনিটরিং করা যায়। আমাদের জ্ঞাত ও অজ্ঞাতসারে (কোনো প্রকার দৃষ্টিআকর্ষণী নোটিশ ছাড়া) সিসিটিভি স্থাপিত রয়েছে বহু প্রতিষ্ঠানে। সিসিটিভি ফুটেজের মতো গুরুত্বপূর্ণ তদন্তসূত্র নিশ্চিহ্ন করতে সক্রিয় থাকতেই পারে অপরাধীচক্র। নিরাপত্তায় সিসিটিভি ব্যবহারের পাশাপাশি এর অপব্যবহারেরও সুযোগ রয়েছে। যেমন, গোপনে নারীর ফুটেজ ধারণ ও ফুটেজ নিয়ে হয়রানি।

সিসিটিভি নীতিমালা অথবা সিসিটিভি আইন প্রণয়নের চাহিদা কেবল সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের সময়সীমা নির্ধারণ নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আইনত কী কী পদ্ধতিতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ফুটেজ দাবি করতে পারে, তারও উল্লেখ থাকতে হবে সিসিটিভি আইনে। সিসিটিভি ফুটেজের অপব্যবহারে ব্যক্তিহয়রানি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধ ঘটলে আইনি দণ্ডের বিধিমালা জরুরি। কোনো স্থানে বা প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির নাগরিক ‘প্রাইভেসি’ লঙ্ঘন ‘না’ করা নিয়েও আইনি নির্দেশনা আবশ্যক। স্পষ্ট হওয়া জরুরি প্রতিষ্ঠানের ধরণ ও ঝুঁকি বুঝে সিসিটিভির ফুটেজ স্টোরেজ পলিসি, আর্কাইভ পলিসি কীরূপ হতে পারে।

সিসিটিভি নীতিমালা নিয়ে আমাদের নীতিনির্ধারকগণ হচ্ছে-হবে করেই চলেছেন। এই দীর্ঘসূত্রতা আভাস দিচ্ছে, সিসিটিভি নীতিমালা শক্ত করতে সিসিটিভি আইন একটি দুরাশা হয়ে উঠতে পারে। যা ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে বেমানান। সিসিটিভি আইন প্রণয়ন বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সিসিটিভি ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ ও মানসম্মত করবে নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাজনিত স্বার্থ রক্ষা করেই। এ জন্য ডিজিটাল নীতিনির্ধারকদের সকল জটিলতা ও গড়িমসি দ্রুতই কাটিয়ে উঠতে হবে।

 

প্রকাশিত: bdnews24.com, ১৮ আগস্ট ২০১৭