ক্যাটেগরিঃ প্রবাস কথন, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

পোস্টের মন্তব্যের ঘরে খোঁজখবর করতে ব্লগার হাসান ইকবাল লিবিয়ার কর্মরত তাঁর ভাইয়ের বর্তমান অবস্থার আপডেট জানালেন,

আমার ছোট ভাই এখন তিউনিসিয়া সীমানায় অবস্তিত ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। গতকাল খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। রেডক্রসের সেচ্ছাসেবকরা চিকিত্সা সেবা দিয়েছে। সে তিউনিসিয়া ক্যাম্পের পূর্ব দিকের অংশে অবস্থান করছে।
৫ই মার্চ ২০১১ সে IOM-র কাছে পাসপোর্ট জমা দিয়েছে। কবে দেশে ফিরতে পারবে বলতে পারছিনা।

হাসান ইকবাল এর মত বাংলাদেশে অবস্থানরত অনেক স্বজনরা চিন্তিত লিবিয়ার বসবাসরত পরিবারের সদস্যটির জন্য। প্রত্যাশা মাফিক সময়মত সক্রিয় না হলেও শেষ পর্যন্ত সরকার উদ্যোগী হয়ে লিবিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখ বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকম -এ প্রকাশিত খবরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস -এর বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে,

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস জানিয়েছেন, লিবিয়ায় আটকেপড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে ৮ হাজার ৮০০ জনকে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নিরাপদে অন্য দেশে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এছাড়া সকালে ১০১ জন বাংলাদেশি নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন।

সবাইকে সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে-এ কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আগামী ৩ মার্চের মধ্যে আরো ১ হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। তিনি আরো বলেন, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে অবস্থানরত ৭০০ জনকে রেডক্রসের সহযোগিতায় তিউনিসিয়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ২ হাজার জনকে গ্রিসের প্রিউস বন্দরে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চলছে-এ কথা জানিয়ে মিজারুল কায়েস বলেন, লিবিয়া সীমান্তে আরো সাড়ে ৩ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক দেশ ছাড়তে অপেক্ষমান আছেন।
এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কমপক্ষে ১১শ’ বাংলাদেশিকে বিভিন্ন দেশে সরানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধাপে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকা থেকে পাওয়া যায়। ২রা মার্চ ২০১১ সংখ্যায় সমকালে বলা হয়েছে,

মিসরের কায়রো থেকে ভোর ৫টায় গালফ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে অশান্ত লিবিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন মোট ৩৫ জন। …সরকার বিমানবন্দর থেকে নিজ নিজ বাড়িতে যেতে ফেরৎ আসা শ্রমিকদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা দিয়েছে।

abcradiobd.fm এর ওয়েবসাইটে গত মার্চ ৮, ২০১১ প্রকাশিত সংবাদ থেকে পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস -এর বক্তব্য জানা যায়,

লিবিয়া থেকে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৬ শ ৪১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন । এর মধ্যে ৪ হাজার ২৬ জন ফিরেছেন নিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাক্তিগত উদ্যোগে। আর ২ হাজার ৬ শত ১৫ জন ফিরেছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা- আইএমওর মাধ্যমে।

পররাষ্ট্র সচিব আরো জানান গ্রিস সরকার তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে লিবিয়া ফেরৎ আর কোনো বাংলাদেশীকে আশ্রয় দিতে রাজি হচ্ছে না

সামহোয়্যার ইন ব্লগে ব্লগার মাহমুদুল হাসান কায়রো ০৭ ই মার্চ, ২০১১ তারিখেরে পোস্টে তার লিবিয়া বর্ডার যাত্রার কথা জানিয়ে পোস্ট দেন। এখন পর্যন্ত তিনি বেশ কয়েকটি আপডেট পোস্ট দিয়েছেন, লিবিযা বর্ডারে বাংলাদেশিদের অবস্থান, সরকারি তৎপরতা, আইওএম তৎপরতার এবং অন্যান্য স্থানীয় পর্যবেক্ষণ নিয়ে।

কায়রো থেকে লিবিয়া-বর্ডার সাল্লুমে যাত্রার প্রাক্কালে কিছু কিছু বৈরী সংবাদ নিয়ে মাহমুদুল হাসান কায়রো তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন,

…কোন এক সূত্রে খবর পেয়েছি, আইওএম বাংলাদেশীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে কিন্তু খাবার দিচ্ছে না। অনেক রিকোয়েষ্ট করেও কারো মাধ্যমে খাবারের ব্যাবস্থা করা সম্ভব হয় নি। যদি ঘটনা তাই হয় তবে তাদের অবস্থা দেখে তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে আবার ভালোয় ভালোয় কায়রো ফিরে আসতে আমার বেশ কষ্টই হবে। … … … মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক এক সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম, বাংলাদেশীরা ১০ মাইলের অধিক রাস্তা নিজেদের ব্যাগ মাথায় নিয়ে পায়ে হেটে তারপর তারা সিমান্তবর্তী রিফিউজি ক্যাম্পে পৌছেছে। কিন্তু তারপরও নেই কোন খাবারের ব্যাবস্থা। আমাদের সরকারের তাদের জন্য কোন বাজেট আছে বলে এখনো কোন খবর পাইনি, তবে একটি কন্ট্রল রুম খোলা হয়েছে বলে শুনেছি। এটাও সত্য, সরকারের বাজেট না থাকলে চোখের সামনে মরে যেতে দেখলেও বাংলাদেশের কোন অফিসার পকেট থেকে দুইটাকা বের করবেন না তার জিবন বাঁচানোর জন্য।…

সীমান্তে পৌঁছে আইওএম এর রিফিউজি তত্ববধান ভবনে অবস্থানরত প্রায় ৫০০০ শরনার্থী বাঙালিদের অভিযোগগুলো জানা যায় মাহমুদুল হাসান কায়রো’র পোস্ট থেকে,

১) আমরা গত ২৩ তারিখ এখানে এসেছি, কিন্তু খাবার পাচ্ছি মাত্র তিনদিন ধরে।
২) কোন টয়লেটের ব্যাবস্থা নেই।
৩) দেশের সাথে যোগাযোগ নেই।
৪) খাবারের জন্য লড়াই করে তাদের চোখের সামনেই মারা গিয়েছে কয়েকজন।
৫) বাংলাদেশে খবর দেয়া হচ্ছে যে, বর্ডার এলাকায় বাংলাদেশীরা ভাল আছে। এই খবর কে দিচ্ছে কেন দিচ্ছে এটা তারা জানতে চায়।
৬) তাদের সামনেই কয়েকজন না খেয়ে মারা গিয়েছে, অথচ সরকার বলছে তারা ষ্টোক করে মারা গিয়েছে।
৭) ভারতের লোকজন ২/৩ দিনেই চলে গিয়েছে অথচ আমরা কেন এতদিন কষ্ট করছি।
৮) সরকারে পক্ষথেকে কোন রিপোর্টার না এসেই তারা কেন উল্টা পাল্টা খবর প্রকাশ করছে।
৯) কিছুলোক পরে এসে আগে চলেযচ্ছে, তাদের কেহ কেহ বলছে, এম্বাসির লোকজনকে টাকা দিয়ে অনেকে পরে এসেও আগে চলে যাচ্ছে।
১০) বাংলাদেশ থেকে কেন কোন বিমান কিংবা জাহাজ আসছে না।
১১) আমরা কেন আইওএম জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সাহায্যের মুখাপেক্ষি হয়ে বসে থাকব? আমাদের কি সরকার নেই?
১২) আমরা পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়, এম্বাসি কোথাও ফোন দিয়ে কাউকে পাইনা, তাহলে কে শুনবে আমাদের কথা??

পোস্ট পড়ে জানা যায় ক্ষিপ্ত শরনার্থীরা সে সময় সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করে। সেই সাথে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতি বিরূপতাতো রয়েছেই।

শরনার্থীদের কিছু ছবিও প্রকাশ করেছেন মাহমুদুল হাসান কায়রো।

যেভাবে তারা রাত্রদিন যাপন করছেন।

লোকটি খাবার তুলতে গিয়ে মারামারির মুখে পরে আহত হয়েছেন।

সীমান্তের বৈরী আবহাওয়া বাংলাদেশি শরনার্থীদের জন্য আরো অসুবিধার সৃষ্টি করে। জানা যায়, ৮ই মার্চ রাতে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত নামে।

ডয়চে ভেলের সাংবাদিকদের কাছে মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বাইরে ঘানা, সুদান, নাইজেরিয়াসহ আফ্রিকার বেশ কিছু দেশের শ্রমিকরা রয়েছে সীমান্তে এবং নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে না । তবে শরনার্থীদের দুরবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ব্লগে মাহমুদুল হাসান কায়রো আবেদন করেছেন মানুষের বিবেকের কাছে,

আমার রিকোয়েষ্ট, যারা যেখান থেকে পারেন সেখান থেকেই সরকারের উপর চাপ চ্রিষ্টি করুন যেন দ্রুত তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। এটি আমাদের একটি জাতীয়তার প্রশ্ন।

আমদের দেশে কি বিজনেসম্যান নেই, যারা নিজ দায়িত্বে ২০/৫০ জন লোককে ফিরিয়ে আনতে পারে? যদি না থাকে তাহলে গুলশান, বারিধারা, উত্তরা আর ধানমন্ডিতে ঐ বাড়িগোলো কাদের?? যাদের বারিতে কুকুর পালা হয় লাখটাকা খরচা করে।

আপনারা মানব বন্ধন করুন,,, পত্রপত্রিকায় বেশি বেশি লিখার ব্যাবস্থা করুন,,, সরকারের জবাব দিহিতা করুন।

১০ ই মার্চ, ২০১১ তারিখে প্রকাশিত পোস্টে মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন শরনার্থীদের সামনে প্রথমবারের মত বক্তব্য প্রদানকারী রাষ্ট্রদূতের কথার পরিপ্রেক্ষিতে উপস্থিত ৩০০-৪০০ লোকসমাগমের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয় এবং রাষ্ট্রদূতের সাথে বাকবিতণ্ডায় বিশৃংখল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে তার “বর্ডার থেকে আপডেট-৪। রাষ্ট্রদুতের বক্তব্যে চড়ম বিসৃন্ঙলা, অভাগাদের মনে হতাশা বৃদ্ধি। (৯/৩/২০১১)” শিরোনামের পোস্টটিতে।

এখন পর্যন্ত সর্বশেষ আপডেট পোস্টটিতে অবশ্য বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক সংবাদ জানা গেছেমাহমুদুল হাসান কায়রো জানিয়েছেন,

কিন্তু আজ মোটামোটিনিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে যে,আগামি শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রতিদিন দু’টি করে চার্টার ফ্লাইট ছারা হবে। প্রতিটি ফ্লাইটে যত্রি থাকবে ৩১৮ জন।… … …শনিবার থেকেই বাংলাদেশ বিমানও ফ্লাইট দিতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছ, তবে কনফার্ম করা যায় নি। যদি কনফার্ম করা যায় তা হলে আরো বেশি কিছু যাত্রি দ্রুত ঠান্ডা থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

আরেকটি উল্লেখযোগ্য খবর জানিয়েছেন তিনি,

দূতাবাসের এক অফিসার থেকে খবর পেলাম ইটালি থেকে তাকে মাত্র ইমেল করে জানানো হয়েছে যে, ইটালি সরকার তিউনিসিয়া থেকে ১০,০০০ বাংলাদেশীদের দেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা করবে। … … …আজ আলআযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন ও কায়রোবিশ্ব বিদ্যালয়ের ১জন ছাত্রের একটি টিম সেচ্ছা সেবক হিসেবে ক্যাম্পে জয়েন করেছে। যা আরো আগে করতে পারলে মানুষদের ভুগান্তি অনেকটাই লাঘব হত, হয়ত।
আজ ও গত কাল একটি পানির কার এসে সরনার্থিদের গোসলের ব্যাবস্থা করে।

খাবার মোটামোটি দেয়া হচ্ছে, যা খেয়ে তৃপ্ত হওয়া না গেলেও পেট ঠান্ডা করা যাচ্ছে।

সরকারি পদক্ষেপের ঢিমেলি এবং গড়িমসি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, সজল শর্মা,

… … … সরকারকে তাদের কাজের জন্য তীব্র ঘৃণা জানাই। প্রবাসীরা রেমিটেন্স বাড়ায় মাথার ঘাম পায়ে ঝরিয়ে। অথচ তাদের বিপদে সরকার প্রায় নিশ্চুপ ব্যবহার করছে। ধীক্কার সেসব নেতাদের যারা মানুষের পাশে দাঁড়ায় না।

মন্তব্যের ঘরে একটি হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা জানিয়েছেনে ব্লগার েরজা ,

… … … আমার এক রিলেটিভের আজ দেশে ফেরার কথা ছিল ।
এয়ারপোর্টে রিসিভ করতে বাসা থেকে লোকও গিয়েছিল ।
উনি আসেন নাই ।
পরে, যে কম্পানিতে কাজ করতেন, সেখান থেকে ফোন করে জানিয়েছে উনি নিহত হয়েছেন ।
ডেডবডি হয়ত ৯ তারিখে দেশ পাঠাবে ।
কী ভাবে কেমন করে হল ডিটেইল এখনও জানা যায় নাই ।
কম্পানির পক্ষ থেকেই দেশে পাঠানো হচ্ছিল তাকে।

উনি এক্স আর্মি অফিসার ছিলেন , ওখানে একটা কোম্পানির সিকিউরিটি ইনচার্জ ছিলেন।

লিবিয়ার ঘটনা আমাকে এ ভাবে ছুয়ে যাবে কখনো চিন্তাও করিনি ।

দূতাবাসের দ্বায়িত্বপালন নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ব্লগার সবুজ-ভাই,

বিদেশে যে আমরা কতটা অসহায় তার সীমারেখা নির্ণয় করা খুবই কঠিন। … … …বিদেশে দূতাবাস গুলোর ব্যবসার কমতি নেই। এখানে তারা দায়িত্ব পালন করতে না শুধু মাত্র ব্যাবসা করতে আসেন বলেই মনে হয়। দূতাবাস গুলোতে সবচেয়ে অসহায় আর অশ্রদ্ধেয় মানুষ গুলো হল সাধারণ বাংলাদেশী। মানে আপনার পাসপোর্ট বাংলাদেশী হলেই মনে হতে থাকবে যেন কোন পাপের ফল ভোগ করতেই এই পাসপোর্ট আপনাকে ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল……….

শরনার্থী বাংলাদেশিরে আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা এবং এই ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়া যায় কি না তা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অসংখ্য ব্লগার।

পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস এর বক্তব্য “লিবিয়া থেকে সবাইকে ফেরানোর প্রয়োজন নেই” হতাশামূলক হলেও দেশে অবস্থানরত প্রতিটি মানুষ এখন লিবিয়ায় আটকে পড়া এবং দেশে ফেরার চেষ্টারত সীমান্তে আটকে পড়া শরনার্থী বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন প্রত্যাশা করছে। আজাদ আল্-আমীন বলেছেন,

প্রয়োজনে যতগুলো বাংলাদেশী সেখানে আছে সরকারের বিমান ভাড়ায় হলেও এদের ফিরিয়ে আনা হোক।

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন,

দোয়া করি অতি শীঘ্র সকল বাংলাদেশী ভায়েরা কষ্ট-দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাক।

———————————————————————————–
ফিচার ছবিঃ মাহমুদুল হাসার কায়রো ‘র তোলা। তাঁর ব্লগ থেকে সংগৃহিত

———————————————————————–
লিবিয়া আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিয়ে অন্যান্য পোস্টঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, লিবিয়া থেকে বাংলাদেশীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ার বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমরা জোর আবেদন জানাচ্ছি


লিবিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশীদের নিরাপত্তাঃ “আমাগো ম্যাংগো পাবলিকের সরকার আদৌ কি কিছু চিন্তা করছে?”