ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

জাহান্নুমের আগুনে পুড়িয়া


এত জেনেভা ক্যাম্প নয়। এখানে মানুষ বাস করতে পারে না। এ হচ্ছে বাতিল জাহান্নুম। বাতিল জাহান্নুম কথাটা শুনে ভাবছেন বাতিল সে আবার কেমন কথা। কথাটা ষোল আনা খাটি। জেনেভা ক্যাম্প জাহান্নামও নয়। এটা জাহান্নুমের চেয়েও জঘন্য। বাতিল মানে যা ইতোমধ্যেই ব্যাবহার অযোগ্য হয়ে গেছে। একসপায়ারড।জেনেভা ক্যাম্প একটি সংরক্ষিত জাহান্নুম। যেখানে বিহারী-যারা ইতমধ্রেই বাংলাদেশের নাগরিক ও ভোটার। তাদেরকে কেন জাহান্নুমের প্রতীকি বাসিন্দা হিসেবে বিশ্ববাসীকে দেখানো হচ্ছে।

জাহান্নুমের বাড়িঘর কি এমন হবে

আর জাতিসংঘ হচ্ছে একটা ভন্ডামি। জাতিসংঘ মানে মানুষের ন্যুনতম নিরাপত্তাও নয়। বিহারী ওভারত থেকে আসা শরনার্থী অবাঙালিরা যদি পাকিস্তান নামক আরেক জাহান্নুমের প্রতি ভারবাসা ও আনুগত্য না দেখাত;তবে আজ তারা বাংলাদেশের গর্বিত অংশীদার হতে পারত। রেলসহ নানা সেকটরে অনন্য ভুমিকা রাখতে পারত। বাংলাদেশ আমাদের মাথায় করে রাখত।

জুয়া গাজা চরস ফেনসিডিল খেয়ে ও বেচে কেটে যায় বেলা

ভারতে রেল সেকটর চালাচ্ছে এই বিহারীরা। বাংলাদেশেও নৈপূন্য দেখাত। আরর পাকিস্তান নামের দোজখের বাসিন্দা হতে চেয়ে এবং তাদের দালালী করে আজ আমরা নিকৃষ্ট জীবন যাপন করছি। আর নয়। আমরা বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ভোটার হয়েছি। আমরা বাংলাদেশী। এখন জেনেভা ক্যাম্পের অস্তিত্ত থাকার কোন মানে নেই। মহান প্রধানমন্ত্রী , আপনি জেনেভা ক্যাম্প তুলে দিন। সরকারি জমি সরকারনিয়ে নিন। আমাদের বাংলাদেশী হিসেবে বাচার সুযোগ দিন। আমরা মিরপুরের বিহারীদের মত ঠিকই ভাল ভাল কাজ করে দেখাব। দেশের মুখ উজ্জ্বল করব। আমাদের এই জাহান্নুমের বাসিন্দা করে রাখা হয়েছে। বিনা পয়সায় বিদ্যুত থাকার ব্যবসাথা দেয়া হয়েছে। এই লোভে আমরা জাহান্নুমে আটকা পড়ে আছি।

মাগনা থাকার কত সুখ

ভাবছি মাগনার কত সুখ। আর এতে কি হচ্ছে। বিহারীরা ধংস হচ্ছে। মদ গাজা চরসের ব্যবসাচলছে। সন্ত্রাসের আখড়া এটা। খুনিদের ভাড়া পাওয়া যায় এখানে। সস্তা রান্ডি বা মেয়ে মানুষ পাওয়া যা্এখানে। মানুষ আমাদের ইজ্জতের চোখে দেখে না। এ কেমন জীবন। আমরা রান্ডি নই। চারিদিকে গুমুত। গরু জবাইর কসাই খানা এটা। সব অন্যায় হয় এখানে।

গুমুতে মধ্যে কীট পতঙ্গের জীবন

এটা আউট ল এরিয়া। এটা আউট ল এরিয়া হিসেবে থাকবে কেন। কাদের স্বার্থে এমনটা করে রাখা হয়েছে। বিহারী মদগাজা চরসে মরছে। মোহাম্মদপুর ধানমন্ডি মিরপুরের তরুনদের মদ গাজা হেরোইন ফেনসিডিল দিয়ে ধংস করছে। তারপরও এদেরকে এভাবে রাখা হয়েছে কেন। রাখা হয়েছে্ওই সব মাদক ব্যাবসার স্বার্থে।

একেই বলে পাকিস্তানী সুখ। করাচিতে নাকি নাসিম খান ১২ তলা জান্নাত বানিয়েছে। সেই স্বপন সুখ এখন .....

সরকার যদি এইসব মাদক আখড়া ভেঙে দিয়ে এখানে সরকারি আবাসন করে ঠিকই বিহারীরা তা মেনে নেবে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি। বিহারীরা বাধা দেবে না। কেননা বশীর ভাগ বিহারী তাদের আরেক বাসস্থান করে নিয়েছে। বেশীর ভাগেরই আলাদা বাসা রয়েছে। তারা বাঙালিদের সাথে মিলে মিশে থাকা শুরু করেছে। এই হচ্ছে ভেতরের খবর। বরং এই বিহারী ক্যাম্প গুলোকে কিছু বাঙালিও অবাঙালি মাদক ব্যবসায়ী ড্রাগ জোন বানিয়ে রেখেছে। এসব উচ্ছেদ করা হোক।

ভন্ডদের পাললায় পড়ে কেবল পাকিস্তান নামের জাহাননুমে যাওয়ার ফিকিরে ফ্রডনেতারা বাড়ি গাড়ি আখের গুছিয়েছে।

আমাদেরর গুটি কয়েকের সাময়িক অসুবিধা হবে। কিন্তু তার চেয়ে বড় লাভ হবে বিহারীরা রান্ডি মাদকসেবী মাদক লিডার খুনি সন্ত্রাসী এসব দুর্নাম থেকে রক্ষা পাবে।