ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

প্রতিহিংসা নিতে পারলেই যেন মানুষের মনে প্রানে তৃপ্তি আসে । মানুষ প্রত্যেকেই পরম স্রষ্টার সৃস্টি এবং সবাই বিশ্বাস করে এ পরম সত্যটি । তারপরও একজন আরেক জনের ভাল, একজন আরেকজনের প্রশংসা এবং অন্য জনের উন্নতি দেখতে পারেনা, যেন এক পরম অসহ্য কারো উন্নতি বা ভাল কিছু দেখলে । একজনকে কিভাবে দমিয়ে রাখা যায় দাবিয়ে রাখা যায় অবনমন করা যায় তারই প্রচেষ্টা যেন সদাসর্বদা বেশীর ভাগ মানুষের । এর ব্যতিক্রম নেই তা বলছিনা কিন্তু বেশীর ভাগ মানুষ প্রতি হিংসার রাস্তাতেই হেটে চলেছে এবং চলতে পছন্দ করে তার কথায় বলছি ।

কিছুদিন ধরে ইউটিউব এ ইসলাম র্ধমের মহানবীকে নিয়ে বিকৃত একটি ছবি বানানোর কারনে সারা বিশ্বে হৈচৈ পরে গেছে । স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয় যেহেতু ইসলাম অধ্যুসিত দেশ । কত বিরোধী মিছিল কত মানব বন্ধন কত শ্লোগান এমন কি জ্বালাও পোড়াও লোটরাজ আর কিছু বাকী নেই । সপ্তাহ খানেক হলো ইউটিউব বন্ধ আছে । এত যে জ্বালাও পোড়াও হচ্ছে এত ধবংসাত্বক কিত্তিকান্ড চলছে এতে কার ভাবমূর্তি আরো বেশী ক্ষুন্ন হচ্ছে তা ভেবে দেখা দরকার র্ধশপ্রাণ মুসল্লীদের । এমনিতেই ননমুসলীমরা সারা বিশ্বেই জানে ইসলাম হলো অন্যরকম যা উগ্রবাদীতাকে প্রশ্রয় দেয় আর কোন র্ধমেই আত্বঘাতী বোমাহামলার মত জঘন্ন কাজ কোন র্ধমেই নেই । তারপর র্বতমানে এ ছবিটিকে ঘিরে যে ধরনের প্রতিহিংসা চলছে তা কাম্য নয় । এতে করে আরো বেশী প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে আসলেই মুসলীমরা প্রতিহিংসাপরায়ন ।

সব ইসলাম দেশে উইটিউব ব্ন্ধ করে নিজেদের বোকামীত্বকে প্রতিষ্ঠিত করছে বলেই আমার ব্যক্তিগত মতামত । কারণ মুসলিমরা দেখলে তো কোন ক্ষতি নেই কারণ তারা র্ধমভীরু এ সামান্ন ছবি দিয়েতো তাদের বিশ্বাসকে কোন ভাবে আঘাত হানতে পারবেনা । বরং অন্য র্ধমাবলম্বীরা যারা দেখছে তাদের আরো বেশী করে ইসলাম র্ধমের প্রতি বিরূপ মনোভাব জš§ দিচ্ছে ।
প্রতিহিংসা পরায়ন হলে কারো কোন সময় মঙ্গল হয়না এবং হবেওনা বরং ধবংস আরো বেশী বৃদ্ধি পাবে । যে যে র্ধমেই থাকুকনা কেন কারো কোন ক্ষতি হোক তা কারো কাম্য নয় । সুতরাং র্ধৈয্যের পরীক্ষায় ইসলামকে অবর্তীন হতে হবে শান্তির র্ধম তা প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিহিংসা, উগ্রতাকে পরিহার করতে হবে । ইউটিউব বন্ধ করাই একমাত্র পথ হতে পারেনা এতে করে মানুষের মনে আরো বেশী করে অপব্যাখ্যা অপপ্রচার এবং ভুল বুঝার মাত্রা বৃদ্ধি পাবে পাচ্ছে যা সারা বিশ্বের মানবতাকে তছনছ করবে ।