ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

দিনের পর দিন রাস্তার র্দুঘটনা বেড়েই চলেছে । প্রতিদিনের সব ধরনের খবরে যান-র্দুঘটনার কারনে মানুষের মৃত্যু হয়নি এমন খবর নেই তা বলা দুস্কর । কে দায়ী তার জন্য? কে রোধ করবে এ দুর্ঘটনা সমূহ?দায়-দায়িত্ব কার ,তা নিয়ে তেমন কোন মাথা ব্যাথা যেন কারো নেই । যদিওবা থাকে তাতে মনে হয় ভাসা ভাসা কেমন যেন গাছাড়া ভাবের মত । যা মনে হলো তাই হুট করে সিদ্ধান্ত দিয়ে দিলো, পরে এ কারনে কি ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রবাব পড়তে পারে কেমন অবস্থা তৈরী হতে পারে তার যথেষ্ট কোন বিচার বিষ্লেষন ছাড়ায় নিয়ম করে দিতে দ্বিধা করেনা ।

র্বতমানে সারাদেশে যা অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে সড়ক র্দুঘটনার জন্য ১০০% দায়ী হলো তিন চাকা বিশিষ্ট গাড়ী, অটোরিক্সা বা সিএনজি নামক যানবাহন গুলো । “জাতীয় মহাসড়কে ধীরগতি ও তিন চাকার সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ” । এ নিষেধাজ্ঞার কারনে যাত্রীদের যেমন প্রচন্ড রকমের ঝক্কি ঝামেলা এবং হয়রানীর শিকার হতে হচ্ছে তেমনি তিনচাকা বিশিস্ট ড্রাইভার মালিক শ্রমিক সবারই পথ যেন রুদ্ধ । তাদের কোন দোষ নাই এটা বলা যাবেনা তবে শতভাগ তাদের উপর দোষ চাপানো যাবেনা।
নিষেধাজ্ঞা জারি করার আগে বিকল্প ব্যবস্থা বা মালিক ড্রাইভার পরিবহন শ্রমিক সবার সাথে আলাপ আলোচনা, শেয়ারিং, মিটিং করলে নিশ্চয় ভাল, যুক্তিযুক্ত বিকল্প পন্থা সবাই মিলেই আবিস্কার করতে পারতো তখন মিছিল, অবরোধ, ভাঙচোর, অসন্তোষ্টি এগুলো থেকে অন্তত রেহায় পাওয়া যেতো ।

একদিকে যেমন সেই গ্রুপের আয় উর্পাজনের পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে তেমনি যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে । যাত্রীবাহী বাসগুলোর সংকট চরমে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা ।

যে কোন বড় ইস্যু নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সব দিক বিবেচনা করে বিচার বিশ্লেষন করে উভয় পক্ষের মতের মিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে চরম দুর্ভোগ থেকে যেমন রেহায় পাবে প্রতিটি নাগরিক তেমনি অপ্রত্যাশিত দাঙ্গাহাঙ্গামা থেকেও দূরে থাকা যাবে প্রয়োজন শুধুমাত্র সবার আন্তরিকতা এবং যথাযথ সহযোগিতা ।

কার কি ধরনের ক্ষতি বা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেদিকে নেতামহল যারা আছেন তাদের চিবেচনা করা বা গভীরভাবে বিচার বিস্লেষন করা খুব জরুরী ।