ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

যুক্তি তর্ক সমালোচনা আলোচনা আমার কাছে সমাধান বলে মনে হয় , বলপ্রয়োগ নয়। যুক্তি তর্ক সমালোচনা আলোচনা করার সময় ও পরিমিতিবোধ থাকা জরুরী। ব্যবহার বংশ রুচির প্রতীক।এই দেশের সচেতন জনগনের কাছে আমার আজকের নিবেদন।এই দেশে আমার জন্ম এই দেশের পরিবেশের উন্নতি আমাকে আনন্দিত করবে।

নেতাদের নোংরা তর্কাতর্কি আমাকে কষ্ট দেয়। আমাদের দেশের সামগ্রিক মান যে কমে গেছে বিভিন্ন ব্লগের নোংরা তর্কাতর্কি তারই প্রমান। শুধু রাজনীতিবিদদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। প্রথম আলোর ডায়লগটি আমার কাছে যর্থাথ মনে হয়। “বদলে যাও বদলে দাও ” এ কথার মাঝে শক্তি আছে , বিপ্লব আছে , সংস্কার আছে। শুধু বিরোধিতার স্বার্থে বিরোধিতা পরিবেশকে কলুষিত করবে। দরদী মন নিয়ে অন্যের কথা শুনুন গুরুত্ব দিন ।ভূল হলে ধৈর্য্য সহকারে বুঝান । বুঝার জন্য সময় দিন সময় নিন। সবাইকে ভালবাসুন ।

সবপন্থীকে ভালবাসুন । সবপক্ষকে ভালবাসুন । একদিন সবাই হৃদয়ের কাছাকাছি আসবে । একটি উন্নত সভ্য সম্মানীয় সোনার বাংলাদেশ অবশ্যই আমরা গড়তে পারব।আদর্শিক জিদ আলোচনার ভিত্তিতে কমিয়ে আনতে হবে। সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে উষ্ণ আন্তরিক মধুময় বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরী করতে পারলে আমার বিশ্বাস জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরী হবে। কেন অন্য পক্ষকে অস্তিত্ব বিনাশের হুমকী দেন! সবসময় একে অপরকে ষড়যন্ত্রকারী বলা জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরীর জন্য হুমকী ।আসুন এমন ভাবি কোন পক্ষই ষড়যন্ত্রকারী নন। সবাই এদেশের নাগরিক । অন্যদেশে জায়গা হওয়ার কারোরই সম্ভাবনা নাই । প্রধানমন্ত্রীত্ব বা রাজনীতি সবই এদেশে করতে হবে।

অন্যদেশে ভ্যকেন্সী নাই এটা সবাইকে বুঝতে হবে। এদেশের উন্নতির ধ্যান জ্ঞ্যান করা সব পক্ষেরই উচিত। ক্ষমা করুন কেননা ক্ষমা হিংসা বিদ্বেষ কমায়। ক্ষমাহীন পরিবেশ সবপক্ষকে অস্থিতিশীল করছে অস্থির করছে। এক পক্ষ যদি অন্য পক্ষকে অস্তিত্ব বিনাশী ভাবেন তবে বিপদাবস্থা। দুই পক্ষে (সব দলে ১গ্রুপ )যদি ২ টি সহনশীলগ্রুপ ধৈর্য্যনিয়ে কাজ করেন একসময় অবস্থার উন্নতি হবেই। “পলিটিক্যল অপজিশান ইজ নট পলিটিক্যল এনিমি” এই মূলমন্ত্র সবাইকে ধারন করতে হবে। স্টেটম্যান বা রাষ্টনায়ক তার দেশ ও প্রজন্মের উন্নতি নিয়ে ভাবেন নট নিজ দল ও পরবর্তী নির্বাচন। দীর্ঘমেয়াদী মোটিভেশন আমাদের অধিক সভ্য জাতিতে পরিনত করবে।

এ দেশে মেসি ও মনমোহনের আগমন আমাকে আনন্দিত করেনি কারন তাদের মত কেউ আমার দেশের জনগনের মধ্যে হলেই আমাকে উদ্বেলিত করত।