ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বহুল আলোচিত/সমালোচিত নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশ নির্বাচন নিয়ে অনেক নাটক হয়েছে। শেষ মুহুর্তে এসে বিএনপি দেখাল তাদের খেইল। তৈমূরকে কান্নায় ভাসিয়ে সড়িয়ে দিল নির্বাচন থেকে।

সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিতে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তৈমুর।

১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আইভীর বাবা জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা আলী আহাম্মেদ চুনকা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়েছিলেন। কিন্তু দলটি সমর্থন দিয়েছিল আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে। দলের সমর্থনই যে সবকিছু নয়, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে আলী আহাম্মেদ চুনকার জয় ইতিহাস তৈরি করেছিল। ৩৭ বছর পর আবার ইতিহাস তৈরী করলেন তারই মেয়ে ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভি।

জনগণের বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মাঝ দিয়ে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে নির্বাচন। বিএনপির সীদ্ধান্তটি সঠিক ছিল কিনা এটি অবশ্য গবেষণার বিষয়। কিন্তু আনন্দের বিষয় হল কেন্দ্রীয় সাপোর্ট থাকা সত্বেও শামীম উসমানের শোচনীয় পরাজয় আমাদের একটি বার্তাই স্পষ্ট ভাসায় জানিয়ে দিল-\”এদেশের মানুষ সন্ত্রাসীদের ক্ষমতার মসনদে আর দেখতে চায়না।

বিশাল বিজয়ে উচ্ছসিত ডঃ আইভি।

ফলাফল:

মোট কেন্দ্রঃ ১৬৩
মোট ঘোষিত কেন্দ্রের ফলাফলঃ ১৬৩
ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভী = ১,৮০,০৯৮ ভোট
শামীম ওসমান = ৭৮,৭০৫ ভোট

সেলিনা হায়াত আইভী ১,০১,৩৯৩ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নারায়ণগঞ্জের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত।

নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি
তৈমুর = ৪৪০৯ ভোট পান। [/m]

তথ্যসূত্র