ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

আমাদের ভ্রমণ প্রিয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে বর্তমানে জার্মানিতে অবস্থান করছেন। আসুন দেখি সম্মেলনের কারা জড়িত এবং কারা অংশ গ্রহন করছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোন সম্মেলন না। এই সম্মেলনের মুল আয়োজক ফ্রান্সের শ্যারে এবং বার্লিনের মেডিসিন ইউনিভার্সিটি। সাথে আছে আরও ৬০ টি একাডেমীক সেন্টার। আর সহযোগিতায় বা বলতে পারেন মোড়াল সাপোর্ট দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউরপিয়ান ইউনিয়ন। তবে সম্মেলনটি পেট্রোনাইজ করছে জার্মান সরকার এবং ফ্রান্স সরকার। সম্মেলনটি ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর হয়ে আসছে।

সম্মেলনে প্রায় ১৭৬ জন বক্তব্য দিবেন। তাদের মধ্যে ৩৩ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরেক্টর বা প্রফেসর, ৩ জন মন্ত্রী (মিনিস্টার অফ হেলথ, ঘানা; মিনিস্টার অফ হেলথ, বারবাডোজ এবং মিনিস্টার অফ এডুকেশন এন্ড রিসার্চ, জার্মানি), সচিব আছেন ৩ জন (স্বাস্থ্য সচিব ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড এবং জার্মানি), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং একজন বাদে বাকি মানুষ গুলো বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কর্মকর্তা বা বেসরকারি কোম্পানির কর্মকর্তা। কোন কোন কম্পানি তাদের টেকনিক্যাল অফিসারকে পাঠিয়েছে এই সম্মেলনে। বাকি একজন হোল আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং সম্মেলনের একমাত্র বক্তা যিনি কোন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর জার্মানিতে কোন রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রন নয়। আর এ কারনেই জার্মান প্রেসিডেন্ট বা চ্যাঞ্চেলর কার সাথেই তার কোন সাক্ষাতের কোন পরিকল্পনা নাই। যদিও বাংলাদেশের দুতাবাস চেষ্টা চালাচ্ছেন যদি সৌজন্য সাক্ষাত করানো যায় অথবা কমপক্ষে ফটোসেশন যদি হয়।

কিন্তু আমার প্রশ্ন, এই রকম সম্মেলনে যেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের একজন উচুমাপের কর্মকর্তা গেলেই হত সেখানে প্রধানমন্ত্রী যেয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করলেন কেন?

আমরা যারা বাংলাদেশি জার্মানিতে আছি আমাদের জন্যে এটা খুব লজ্জার।