ক্যাটেগরিঃ অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড - ব্লগ সংকলন, আইন-শৃংখলা

আমরা যারা ব্লগার আছি তারা কাউকে কখনও শারীরিক ভাবে আঘাত করিনি।আজ অভিজিৎ ভাই চলে গেল,কাল আরেক ভাই চলে যাবে। পরশু আমি যাব। তারপর আপনি যাবেন। কেন?কেন?কেন? আমরা কী ক্ষতি করেছি? আমাদের লেখায় যদি কোন পক্ষ অপমান বোধ করেন তাহলে লেখার বিরোধিতা করে প্রতিবাদ করতে পারেন। লেখকের ভূল হলে লেখক অকপটে তা স্বীকার করে নেয়, একেই ব্লগার বলে।

সমাজের ভালো, মন্দ,অত্যাচার,অবিচার,হিংসা,বিদ্মেষ,হানাহানি,রাহাজানি এসব বন্ধ করা ও নৈতিক অধিকারের কথা সচেতন করা কি অপরাধ? যদি তাই হয় অভিজিৎ ভাই একা কেন এর দায় বহন করবে, উনার সাথে আমরাও যেতে চাই না ফেরার দেশে যত দ্রুত সম্ভব। তাতে যদি সমাজের,সরকারের, বিরোধীদলের, জনগনের উপকার হয় তাহলে সব ব্লগার আজ থেকে এক সাথে কলম কেনা বন্ধ করে দিব। আর যদি তা না হয় আমাদের লেখা আরও ক্ষুরধার হতে বাধ্য। তারপর দেখা যাবে কার কী ক্ষমতা,কে কাকে মারে!

ব্লগারদের উপর মনিটরিং হয় এ অনেক পুরাতন কথা। কিন্তু তথ্য প্রযুক্তির যুগে এমন বর্বরতার বিচার হবে না,খুনি ধরা পড়বে না,ন্যায় বিচার পাওয়া যাবে এটা মেনে নিতে অনেক কষ্ট হয়। একজন ব্লগার ভাই নিজের আপন ভাইয়ের চেয়েও প্রিয়। কেউ প্রকাশ করে কেউ প্রকাশ করে না। নিজের ভাই আততায়ীর হাতে মারা গেল। আমরা কি ঘরে বসে থাকবো? না, অনেক সয্য করেছি আর না ব্লগারদের ক্ষমতা দেখানোর সময় হয়েছে। আর অপেক্ষা করা উচিৎ হবে না।

সরকার যদি খুনিদের বের করে শাস্তি না দেয় তাহলে ব্লগাররাই তা নিজ উদ্বোগে করবে। তখন এর দায় ভার সরকারকেই নিতে হবে।
এমন ছবি,এমন হত্যা মিডিয়া দুই দিনের মধ্যে ভূলে যাবে।আমরা ভূলবনা। একজন ব্লগার নিহত মানে দেশ এক বছর পিছিয়ে যাওয়া। এই সুত্র কি তারা আবিস্কার করে মাঠে নেমেছে? তাহলে ব্লগার কেন বসে থাকবে?