ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

 

আমাদের দেশে কমপিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর যাত্রা অনেকদিনের। আর সাফল্য এর পরিমাণটাও অনেক বেশি। আর আমাদের দেশের সফটওয়ারে শিল্প অনেক দূর এগিয়েছে। একটা সময় টেলিভিশনকে শয়তানের বাক্স বলা হতো। একটা সময় কমপিউটার এর সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। আর সেই সময়, ডস অপারেটিং সিস্টেম আর কয়েকটি সফটওয়ার ছাড়া কমপিউটার অচল। আর মাকিন্টোশ তো অনেক দামী কমপিউটার।

এরপর অনেক বাসায় কমপিউটার আসলো কিন্তু কমপিউটার গেম খেলা যেন প্রধান হয়ে গেল। কমপিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনাটা করলাম একটা সময়, কিন্তু চাকরি কোথায়? আমাদের স্যাররা বলেছিলেন হয় সফটওয়্যার অথবা নেটওয়ার্ক লাইন ধর। আমি ধরলাম সফটওয়্যার লাইন। আর চাকরি পেতে হলে নিজেকে ভালো প্রোগ্রামার হতে হবে। এই জেদ আজকে আমাকে অনেক দূর এনেছে।

আজকে আমাদের দেশ সফটওয়্যার রপ্তানী করছে। আউটসোরসিং আমাদের দেশে নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। আরও নতুন প্রযুক্তি আসছে। কাজের সুযোগ বাড়ছে। আমাদের অনেকে বিদেশে ডিগ্রি নিয়ে, এই বাংলাদেশে ফিরে, এই দেশের উন্নতির জন্য কাজ করছে, আলহামদুলিল্লাহ।

সমালোচনা কম হয়নি, চাকরি হয়না তো কে সি এ সি  কেন পড়া দরকার, বি বি এ পড়, ভালো চাকরি পাবে, এটা কর নইলে ওটা কর, পরিবারের হাল ধর, নানান ধরনের নানান কথা, তাদের মাথায় এটা আসলো না যে, যে যেই কাজ করে না কেন, যদি সেটা ভালো  কাজ হয় আর ভালো ভাবে সে সেটা করতে পারে , সে একদিন সফলতার কাছে যেতে পারে, যদি আল্লাহ চান।

আমি মনে করি, আমাদের আরও উন্নতি দরকার, দক্ষতা বাড়ানো, ভালো বেতন, কাজের সুযোগ বাড়ানো আর সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, অনেকদিন আগের বিদ্যুৎ বিল দেয়ার লম্বা লাইন আর নেই। আর অনেক কিছু খুব সহজে করা যায় অনলাইনে। আমাদের দেশে কমপিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়ালে, আমারা হয়তোবা প্রস্তর যুগে থাকতাম, কথাটা আমার কাছে সত্য মনে হয় । এই সময় উপযোগী কমপিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় যেন ভালোভাবে সবাই পড়ে আর নিজের জীবনকে উন্নতির পথে নিয়ে যায়, এটাই আমার প্রত্যাশা।